Showing posts with label iran. Show all posts
Showing posts with label iran. Show all posts

আমেরিকা-ইসরাইলে সাইবার হামলা চালিয়েছে ইরানি হ্যাকাররা




ইহুদিবাদী ইসরাইল ও আমেরিকাসহ আরো কয়েকটি
দেশের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতাদের ইমেইল অ্যাকাউন্টে ইরানি হ্যাকাররা সাইবার
হামলা চালাচ্ছে বলে একটি মার্কিন  সাইবার গোয়েন্দা বিষয়ক সংস্থা অভিযোগ
করেছে। 





আইসাইট পার্টনার্স নামের এ সংস্থার
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, উচ্চপদস্থ মার্কিন সেনা কর্মকর্তা, কূটনৈতিক ও
কংগ্রেস কর্মী, ওয়াশিংটন ডিসি এলাকায় দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিক, মার্কিন
থিংক ট্যাংক, প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদেরকে এ সাইবার হামলার লক্ষ্যে পরিণত করা
হয়েছে। এ ছাড়া, ইহুদিবাদী ইসরাইলকে যারা প্রত্যক্ষ সমর্থন দিচ্ছে তারাও এ
জাতীয় হামলার মুখে পড়েছে বলে এ প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।



সরকারি ও
কর্পোরেট নেটওয়ার্কে ঢোকার প্রয়োজনীয় তথ্য হাতিয়ে নেয়া ছাড়াও সফটওয়্যারের
মাধ্যমে এ সব সংস্থার যন্ত্রপাতির ওপর নিয়ন্ত্রণ স্থাপন করতে চেয়েছে এ সব
হ্যাকার। অবশ্য সাইবার হামলার শিকার ব্যক্তিদের পরিচয় প্রকাশ করতে বা
হ্যাকাররা কি ধরণের তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে তা জানাতে অস্বীকার করেছে আইসাইট
পার্টনার্স।



প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ফেসবুক, টুইটার, লিনকেডইন,
গোগল, ইউটিউব এবং ব্লগারের মতো সামাজিক যোগাযোগের নেটওয়ার্কগুলোতে এক
ডজনেরও বেশি ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করেছে এ সব হ্যাকার। সাইবার হামলার শিকার
ব্যক্তিদের ইমেইল অ্যাকাউন্টে ঢোকার পাসওয়ার্ড গোপনে হাতিয়ে নেয়ার জন্য এ
তৎপরতা চালানো হয়।



আইসাইট দাবি করেছে,  ২০১১ সাল থেকে এ তৎপরতা
চালান হয়েছে। কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগের নেটওয়ার্ক, মার্কিন ফেডারেল তদন্ত
সংস্থা এফবিআই এবং কয়েকটি বিদেশি কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে হুঁশিয়ার করেছে বলেও
উল্লেখ করেছে আইসাইট।


৩০ মে (রেডিও তেহরান)


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

আটক মার্কিন ড্রোনের হুবহু নকল তৈরি করেছে ইরান




ইসলামি ইরান ২০১১ সালে আটক একটি
অত্যাধুনিক মার্কিন ড্রোনের হুবহু নকল তৈরি করেছে। প্রযুক্তিগত দিকের
পাশাপাশি কার্যকারিতায়ও এটি মার্কিন ড্রোনটির অনুরূপ।






রোববার ইসলামি রেভ্যুলুশনারি গার্ড বাহিনী
বা আইআরজিসি’র অ্যারোস্পেস ফোর্সের কেন্দ্রীয় কমান্ডে এক প্রদর্শনীতে
নবনির্মিত ড্রোনটি দেখানো হয়। ইসলামি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল
উজমা খামেনেয়ী এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন।





প্রদর্শনীতে ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে
তৈরি ড্রোন শাহেদ ১২৯ ও শাহেদ ১২৫ও উন্মুক্ত করা হয়। ড্রোন তৈরি ও গবেষণার
ক্ষেত্রে আইআরজিসি’র সাফল্য তুলে ধরা এ প্রদর্শনীর প্রধান উদ্দেশ্য। এ
ছাড়া, এতে রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ব্যালিস্টিক
ক্ষেপণাস্ত্র ও জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়েছে।





মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে সেদেশের
আরকিউ-১৭০ মডেলের পাইলবিহীন গোয়েন্দা বিমান বা ড্রোন রাডার ফাঁকি দিতে
সক্ষম। সেইসঙ্গে উড়ন্ত অবস্থায় ভূমির নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে এটির যোগাযোগ
বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে এটি আকাশেই ধ্বংস হয়ে যায়।





কিন্তু এসব দাবি মিথ্যা প্রমাণ করে ইরানের
আইআরজিসি’র অ্যারোস্পেস বিভাগের প্রকৌশলিরা ২০১১ সালের ৪ ডিসেম্বর একটি
মার্কিন আরকিউ-১৭০ ড্রোন মাটিতে নামিয়ে আনেন।  আফগান সীমান্ত থেকে ২২৫
কিলোমিটার দূরে কাশমার শহরের আকাশে ওড়ার সময় ইরানি বিজ্ঞানীরা এর নিয়ন্ত্রণ
নেন এবং কোনো ক্ষতি ছাড়াই এটিকে মাটিতে নামিয়ে আনেন।





এরপর ২০১২ সালেই ইরানি বিজ্ঞানীরা ঘোষণা
করেন লকহিড মার্টিন কোম্পানির তৈরি ড্রোনটির প্রযুক্তি হস্তগত করেছেন তারা।
সে ঘোষণার প্রায় দুই বছর পর এ প্রযুক্তিতে তৈরি নতুন ড্রোনের মোড়ক উন্মোচন
করলো তেহরান।




অবশ্য ২০১২ সালে যখন ইরানি বিজ্ঞানীরা
জানান, তারা আরকিউ-১৭০ ড্রোনের প্রযুক্তি রপ্ত করেছেন তখন ওয়াশিংটন বলেছিল,
ইরান মিথ্যা দাবি করছে। ওয়াশিংটনের সে দাবির জবাব দিতে ইরানি প্রকৌশলিরা
আটক মার্কিন ড্রোনটি দিয়ে তোলা গোয়েন্দা ছবি প্রদর্শন করেন। ড্রোনটির পেটের
নীচে রাখা শক্তিশালী ক্যামেরা দিয়ে ইরান সীমান্ত থেকে আফগানিস্তানের ৪২০
কিলোমিটার ভেতরে কান্দাহার বিমান ঘাঁটির যে ছবি ও ভিডিও চিত্র তোলা হয়েছিল
তা প্রদর্শন করেন ইরানি বিজ্ঞানীরা।



রণতরীর গতিতে ইরান আমেরিকার চেয়ে দ্বিগুণ এগিয়ে




ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা
আইআরজিসি'র কমান্ডার আলী ফাদাভি বলেছেন, তার দেশের যুদ্ধ-জাহাজগুলোর গতি
মার্কিন যুদ্ধ জাহাজগুলোর চেয়ে দ্বিগুণ গতি-সম্পন্ন।





ইরান তার যুদ্ধ-জাহাজগুলোকে মার্কিন যুদ্ধ জাহাজগুলোর চেয়ে তিন গুণ বেশি গতি-সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করছে বলে তিনি জানান।




কমান্ডার আলী ফাদাভি জানিয়েছেন,
মার্কিন যুদ্ধ জাহাজগুলোর গতি কয়েক বছর আগ পর্যন্ত ছিল ৩১ নড। ইরান তার
যুদ্ধ জাহাজগুলোর গতি ৮০ নডে উন্নত করতে চায় বলে তিনি উল্লেখ করেন।



ফাদাভি বলেছেন, " আমেরিকানরা মনে করে
যে তারা একটি অপ্রচলিত বা ভারসাম্যহীন যুদ্ধের মুখে রয়েছে। এর কারণ হল ১৯৮৭
সালে সংঘটিত ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সঙ্গে তাদের যুদ্ধ। তারা ইরানকে
হুমকি বলে উল্লেখ করে, অথচ তারাই হল নানা হুমকির উৎস।"


৭ মে (রেডিও তেহরান)