Showing posts with label bangladesh. Show all posts
Showing posts with label bangladesh. Show all posts

ঈদের অতিরিক্ত আনন্দ

ঈদের অতিরিক্ত আনন্দ ঈদের অতিরিক্ত আনন্দ ঈদের অতিরিক্ত আনন্দ ঈদের অতিরিক্ত আনন্দ

কার কত হিম্মত- কামাল: আন্দোলনে জনসমর্থন নেই- মুহিত





আসাদুজ্জামান খান কামাল- আবুল মাল আব্দুল মুহিত

'দেশের মানুষ স্বস্তি ও শান্তিতে আছে'
দাবি করে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, 'মানুষ
নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে চায়। যদি এর কোনো ব্যত্যয় ঘটে, আওয়ামী লীগের
নেতা-কর্মীরাও মাঠে থাকবে। তখন দেখব কার কত হিম্মত।’






আজ (বৃহস্পতিবার) জাতীয় প্রেস ক্লাবের
সামনে ‘আমরা নগরবাসী’ আয়োজিত ঈদ আনন্দ র‍্যালিপূর্ব এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এ হুঁশিয়ারি দেন। আসাদুজ্জামান খান বলেন,
‘আগামীকাল শুক্রবার থেকে পুরো দেশবাসী শোকের মাস হিসেবে পালন করবে। এই
শোকের মাসে বিএনপি আন্দোলনের কথা বলেছে। তারা নিয়মতান্ত্রিকভাবে আন্দোলন
করুক আমাদের কোনো আপত্তি নেই। তবে আন্দোলনের নামে গত ৫ জানুয়ারির
নির্বাচনের আগের মতো জ্বালাও-পোড়াও, পেট্রল ঢেলে বাসে আগুন দিয়ে মানুষ
হত্যার মতো জঘন্য কাজ করলে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিতে যা যা দরকার, তাই
করবে।’





ওই কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।





এদিকে, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত
বলেছেন, 'দেশের বর্তমান আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কোনো রাজনৈতিক
দলের পক্ষেই আন্দোলন গড়ে তোলা সম্ভব নয়। কোনো আন্দোলনেই জনগণের সমর্থন
পাওয়া যাবে না।'





ঈদের ছুটি শেষে আজ বৃহস্পতিবার সকালে
সচিবালয়ে প্রথম কার্যদিবসে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে ঈদের
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।





ঈদের পর বিএনপির সরকার পতনের আন্দোলনে
নামার ঘোষণা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, 'বিএনপি যে আন্দোলনের
ডাক দিয়েছে তা সফল করার মতো কোনো ধরনের শক্তি আর নাই। জনগণ তাদের সঙ্গে
নাই। জনগণের সমর্থন ছাড়া কোনো অবস্থাতেই আন্দোলন সফল করা সম্ভব নয়।'





আন্দোলন হলে অর্থনীতিতে এর প্রভাব
প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, 'আন্দোলন হলে মানুষ যদি চলাচল করতে
না পারে, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যদি না হয় তাহলে অর্থনীতিতে এর প্রভাব
পড়বেই। যারা আন্দোলন করেন তারাও সেটা জানেন।'




এ সময় অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ  মান্নান,
অর্থসচিব মাহবুব আহমেদ, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ড. আসলাম
আলমসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।


  সুত্র : রেডিও তেহরান




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

সারা দেশে দুর্ঘটনায় আরো ২৭ জনের মৃত্যু




ঈদের অতিরিক্ত আনন্দ কখনো কখনো করুণ 
পরিণতি ডেকে আনতে পারে। ঠিক তাই হয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের একদল পিকনিক যাত্রীর।
যেমনটি ঘটেছে কুষ্টিয়ার আনন্দভ্রমণে বের হওয়া শিশু-কিশোরদের ভাগ্যে।    






ঈদের দিন নৌকায় চেপে পদ্মা নদীতে 
আনন্দভ্রমণে বের হয়েছিল ২২ জন শিশু-কিশোর। বেলা তিনটার দিকে কুষ্টিয়ার
দৌলতপুর উপজেলার বৈরাগীর চরে নৌকাটি ডুবে যায়। মাঝিসহ সাত থেকে আটজন তীরে
উঠতে পারলেও অন্তত ১৫ যাত্রী এখনো নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গেছে।





ওদিকে ঈদের দিন রাতে পঞ্চগড় জেলার
আটোয়ারী উপজেলার পানবাড়া গ্রাম থেকে একটি পিকআপ নিয়ে ৩০ জন যাত্রী
পিকনিকের উদ্দেশ্যে  দিনাজপুরের বিনোদন স্পট  ‘স্বপ্নপুরী’তে   যাচ্ছিল।





দিনাজপুর যাওয়ার পর গাড়ির যান্ত্রিক 
সমস্যা দেখা দেয়। ফলে  স্বপ্নপুরী না গিয়ে তারা ফিরে আসতে থাকে। এ
অবস্থায় আজ ভোর চারটা’র দিকে  ঠাকুরগাঁও-ঢাকা মহাসড়কে কুমিল্লাহাড়ি নামক
স্থানে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি নৈশকোচ পিকআপটিকে পিছন থেকে আঘাত করে।  
দুর্ঘটনায় পিকআপটি দুমড়ে মুচড়ে যায় এবং  পিকআপ যাত্রীদের  দু’জনের
মৃত্যু ঘটে। এ ছাড়া অন্তত ২৫জন আহত হয়েছেন। আহতদের ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর
হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত ৪জনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।





এদিকে  আজ সারা দেশে  সড়ক দুর্ঘটনায় 
অন্তত: ১২ জনের  মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে । এ সব ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৫৮
জন। এর মধ্যে সিলেটে ৪, সিরাজগঞ্জে ৩ জন, ঠাকুরগাঁওয়ে ২জন , ভোলায় ১জন,
নওগাঁয় ১জন ও বরিশালে ১জনের  মৃত্যু হয়েছে । 





বুধবার ভোরে  নূর আনন্দ পরিবহনের একটি
যাত্রীবাহী বাস ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে যাওয়ার পথে ঢাকা-সিলেট
মহাসড়কে দক্ষিণ সুরমার অতিরবাড়ি এলাকায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি
রাস্তার পাশে খাদে পড়ে দুর্ঘটনায়  ৪ জন নিহত এবং ২০ জন আহত হয়েছেন।
আহতদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে
বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।





সিরাজগঞ্জ সদর ও উল্লাপাড়া উপজেলায় পৃথক
সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত ও আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৫ জন। বুধবার সকাল ১১টা ও
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।





বুধবার দুপুর ১২টার দিকে নওগাঁর মান্দা
উপজেলার সতিহাট এলাকায় যাত্রীবাহী একটি ভটভটি উল্টে বামনি (৪০) নামে এক
নারীর মৃত্যু হয়েছেন। এসময় আহত হয়েছেন আরো তিনজন।





বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় অমিও মণ্ডল (৮০) নামে আহত এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।





ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার কর্তারহাট এলাকায় বাস দুর্ঘটনায় বেল্লাল (৩৪) নামে আহত এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।




এর আগে মঙ্গলবার ঈদের দিন নোয়াখালী, নারায়ণগঞ্জ, ফরিদপুর, ভোলা ও মাগুরায় পৃথক দুর্ঘটনায় ২১ জন মারা যান।


সুত্র : রেডিও তেহরান




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

ব্রিটেন সফর সফলের দাবি প্রধানমন্ত্রীর:বিএনপির প্রত্যাখ্যান






বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্রিটেন সফর সফল হয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হলেও বিএনপি তা প্রত্যাখ্যান করেছে।






গত(বৃহস্পতিবার) পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ
মাহমুদ প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গার্ল সামিটে
যোগদান এবং তার লন্ডন সফর সফল হয়েছে। আন্তর্জাতিক এবং কূটনৈতিক প্রেক্ষাপটে
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ হিসেবে বর্ণনা করেন
তিনি।





তবে, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যকে
প্রত্যাখ্যান করে  বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহিদুর রহমান আজ
লন্ডনে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন,“অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনা লন্ডনে এসে বৃটেনের কাছ থেকে তার সরকারের বৈধতার সার্টিফিকেট আদায়ে
ব্যর্থ হয়েছেন।





শেখ হাসিনা ২২ জুলাই ব্রিটিশ
প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করতে গেলে তিনি
(ক্যামেরন) বাংলাদেশের ৫ জানুয়ারির তামাশার নির্বাচন সম্পর্কে বৃটিশ
সরকারের অসন্তোষের কথা স্পষ্টভাবেই জানিয়ে দিয়েছেন। ক্যামেরন বলেছেন, কথিত
ওই নির্বাচনে জনগণের ভোট ছাড়াই অর্ধেকেরও বেশি আসনে প্রাথীদের
বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। গণতান্ত্রিক বিশ্বের কাছে
এধরণের নির্বাচন গ্রহণযোগ্য নয়।“





তবে শেখ হাসিনার সাফল্যের দাবির
প্রেক্ষিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ১০ ডাউনিং স্ট্রিট থেকে
অফিসিয়ালি একটি প্রেস রিলিজ ইস্যু করা হয়। এতে শেখ হাসিনার অবৈধ সরকার
সম্পর্কে ব্রিটেনের অবস্থান স্পষ্ট করে দেয়া হয়েছে।





এ প্রসঙ্গে প্রবীণ সাংবাদিক ও রাজনৈতিক
বিশ্লেষক  জনাব সাদেক খান রেডিও তেহরানকে বলেন, কূটনৈতিক সফর নিয়ে
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বা পররাষ্ট্রমন্ত্রী যেভাবে ভুল তথ্য  পরিবেশন
করছেন, তাতে  আন্তর্জাতিক  মহলে  বাংলাদেশের‌ই  বদনাম হচ্ছে। তাদের সততা
নিয়েই  বিদেশীরা প্রশ্ন তুলছেন।





জনাব সাদেক খান মনে করেন, ৫ই জানুয়ারির 
নির্বাচন নিয়ে  আন্তর্জাতিক মহল তাদের দৃষ্টিভঙ্গি যে পাল্টায়নি সেটা
সরকারকে বুঝতে হবে। এ অবস্থায়  জনগণের আন্দোলন জমে উঠলে সরকারকে  চরম
মূল্য দিতে হবে।





এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
আন্তর্জাতিক বিভাগের অধ্যাপক ড: অকমল হোসেন  বলেন, ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন
নিয়ে সরকার যে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায় করতে ব্যর্থ হয়েছে  তা  শেখ
হাসিনার  সর্বশেষ কূটনৈতিক সফর থেকে  আবারো প্রমাণ হয়েছে ।





তিনিও মনে করেন, সরকার যেভাবেই ব্যাখ্যা
করার চেষ্টা করুক না কেন পশ্চিমা দুনিয়া, যুক্তরাষ্ট্র বা জাতিসংঘ 
বাংলাদেশের ৫ ই জানুয়ারীর নির্বাচন প্রসঙ্গে তাদের আগের অবস্থানেই  রয়েছে ।




পশ্চিমা দুনিয়া এখনও বাংলাদেশে একটি
অংশগ্রহণমূলক নতুন নির্বাচনের পক্ষে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে। এ জন্য সরকারকে
সংলাপেরও তাগিদ দিয়ে আসছে তারা।তবে আজও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিএনপির
সঙ্গে কোনো ধরনের সংলাপের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে মাঠে মোকাবেলার হুমকি
দিয়েছেন।


  সুত্র : রেডিও তেহরান


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

ব্রিটিশ সরকার ৫ জানুয়ারির নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেনি: শেখ হাসিনা






ব্রিটেন বাংলাদেশের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন
প্রত্যাখ্যান করেছে বলে বিএনপির পক্ষ থেকে যে দাবি করা হয়েছে,
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।






আজ (শনিবার) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন
গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ব্রিটিশ সরকার ৫ জানুয়ারির নির্বাচন
প্রত্যাখ্যান করেনি। যদি তাই করতো তবে গার্লস সামিটে যোগ দেয়ার জন্য
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আমাকে দাওয়াত দিতেন না। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড
ক্যামেরন তাকে ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিটে নিজে রিসিভ করেন বলে জানান
প্রধানমন্ত্রী।





ব্রিটেন সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন মাত্রায় উন্নীত হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশকে দেয়া সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে ব্রিটেন।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, আরো সামনে এগিয়ে যেতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড
ক্যামেরন পরামর্শ দিয়েছেন। জঙ্গিবাদ দমন ও মৌলবাদের শেকড় উৎপাটনে সরকারের
ভূমিকার প্রশংসাও করেছে ব্রিটেন।

তিনি বলেন, আমি মনে করি
বাংলাদশের অর্থনীতি ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই সফর অত্যন্ত সফল ও
ফলপ্রসূ হয়েছে। এর মাধ্যমে আমাদের দুই দেশের সুসম্পর্ক এক নতুন মাত্রায়
উন্নীত হবে।

 শেখ হাসিনা দাবি করেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে অংশ না
নেয়া বিএনপির ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। তাদের ভুলের খেসারত দেশবাসি কেন দেবে? যে
ভাবে হোক নির্বাচন হয়েছে। জনগন মেনে নিয়েছে। ৪০ ভাগ ভোট পড়েছে। তাহলে এখন
আবার সংলাপ কেন। যদি দেশ চালাতে ব্যার্থ হতাম তাহলে কথা ছিল। তারা ট্রেন
মিস করেছে। এখন নতুন ট্রেনের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে।


প্রসঙ্গত, গার্ল সামিটে অংশগ্রহণ এবং
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার পর ৩ দিনের ব্রিটেন সফর
শেষে বৃহস্পতিবার দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে সোমবার
গার্ল সামিটে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের আমন্ত্রণে লন্ডন
পৌঁছান তিনি। ব্রিটেন সফর শেষে গত বৃহস্পতিবার দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী।
ওই সফরের বিস্তারিত তুলে ধরতেই আজকের সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।


  সুত্র : রেডিও তেহরান


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

"আন্তর্জাতিক আল কুদস দিবস" প্রেক্ষাপট ও বর্তমান বাস্তবতা






আজ আন্তর্জাতিক আল কুদস দিবস। জুমাতুল
বিদা বা রমজানের শেষ জুমার দিনটিকে কুদস দিবস হিসেবে পালন করা হয় ১৯৭৯ সাল
থেকে। আয়াতুল্লাহ ইমাম খোমেনী(র.) প্রবর্তিত এ দিনটির উদ্দেশ্য ছিলো,
মুসলমানদের প্রথম কিবলা বায়তুল মুকাদ্দাসকে ইহুদিদের দখল থেকে মুক্ত করা।
সেইসঙ্গে ফিলিস্তিনী জনগণের সাথে একাত্মতা ও ইহুদীবাদের প্রতি ক্ষোভ
প্রকাশ। এবার পবিত্র রমজানে নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলি বাহিনী
আবারও জঘন্যতম গণহত্যা শুরু করায় ভিন্নতর আবহে পালিত হচ্ছে এবারের কুদস
দিবস।




আল কুদস দিবসের প্রবর্তক ইমাম খোমেনীকে
স্মরণ করে আল কুদস কমিটি বাংলাদেশের সভাপতি প্রফেসর ড. শাহ কাওছার মুস্তাফা
আবুলউলায়ী বলেন, খোমেনীর মাধ্যমে যে আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল তাকে এখন আরও
অগ্রসর  করতে হবে। কারও মধ্যে শৈথিল্য থাকা যাবে না। মুসলমানদের কোরআনের
নির্দেশ মতো ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আর ঐক্যের অভাবের কারণেই মুসলিম বিশ্ব মার
খাচ্ছে। ইসলাম বিরোধী শক্তি নানা কৌশলে মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির
চেষ্টা করছে, এ থেকে নিজেদের রক্ষা করতে হবে। ঐক্য না থাকলে মুসলমানদের
ধ্বংসের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। শিয়া, সুন্নী,  সালাফী হিসেবে আলাদা
থাকার সুযোগ নেই। কেন না ষড়যন্ত্রকারীরা এক দলকে অন্যের বিরুদ্ধে ব্যবহার
করছে। প্রয়োজন শেষে আবার তাকেই ধ্বংস করে দিচ্ছে। তাই সময়মতো তা বুঝতে না
পারলে সমগ্র মুসলিম জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই ঐক্যই হোক কুদস দিবসের মূল
সুর।





ইসরাইলি হামলায় বিপুল সংখ্যক মানুষের
প্রাণহানীর ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ জানান সাংবাদিক ও কলামিস্ট মোবায়েদুর রহমান।
তিনি বলেন, যারা ফিলিস্তিনের মুসলমানদের ওপর হামলা করছে, তারা মানুষ নয়
পশু। তাদের বিরুদ্ধে তাদের ভাষাতেই কথা বলতে হবে। মুসলিম বিশ্বকে এক হয়ে
কথা বলতে হবে। আলোচনা কোনো সমাধানের পথ নয়, সেটা গত ৬৭ বছরে সবার বুঝতে
পারার কথা। তাই ইরান, পাকিস্তান, তুরস্কসহ শক্তিধর মুসলিম দেশগুলোকে এগিয়ে
আসতে হবে। বিশ্ব মুসলিমকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। তা না করতে পারলে নিজেদের
রক্ষা করা যাবে না বলে মনে করেন এ বিশ্লেষক।




ফিলিস্তিনে বর্বর হামলার পরও সৌদি সরকারের
নীরবতার সমালোচনা করেন এ সাংবাদিক। তিনি বলেন, সৌদি সরকারের উচিৎ ভোগ
বিলাস থেকে বের হয়ে এসে নিজেদের সম্পদ ও ক্ষমতাকে মুসলিম নির্যাতন বন্ধ ও
ঐক্য সৃষ্টিতে কাজে লাগাতে হবে। অবিলম্বে ফিলিস্তিনের ওপর হামলা বন্ধ ও
মানবতা বিরোধী অপরাধের জন্য ইসরাইলের বিচারে জাতিসংঘকে বাধ্য করতে মুসলিম
দেশগুলোর নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানান মোবায়েদুর রহমান।


 সুত্র : রেডিও তেহরান



Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

লিবিয়ায় নিহত দুই ভাইয়ের গ্রামের বাড়ি গোসাইরহাটে শোকের মাতম




লিবিয়ার বেনগাজীতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় শরীয়তপুরের দুই প্রবাসী সহোদরের মৃত্যুর খবরে তাদের গ্রামের বাড়ি গোসাইরহাটের সাবেরপাড়া গ্রামে চলছে শোকের মাতম। পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতার জন্য দুই ছেলে স্বপন ও মিলনকে বিদেশে পাঠিয়ে এখন বাকরুদ্ধ তাদের বাবা-মা। মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনার সংবাদ শোনার পর মিলন ও স্বপনের প্রতিবেশীরাও শোকাচ্ছন্ন
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জীবিকার তাগিদে ২০১০ সালে মিসর যান শরীয়তপুরের কৃষক পরিবারের সন্তান মিলন ছৈয়াল। ২০১২ সালে একই পথে পাড়ি জমান বড় ভাই স্বপন ছৈয়ালও। পরে একটি মিনারেল ওয়াটার কারখানায় কাজ নিয়ে দুই ভাই মিসর ছেড়ে চলে যান লিবিয়ার বেনগাজী শহরে। পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতা দূর করার জন্য সেখানে কঠোর পরিশ্রম করছিলেন দুই ভাই। কিন্তু ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তাদের মৃত্যুতে ঘোর অনিশ্চয়তায় এখন তাদের পরিবার।
প্রতিদিনের মতো গত শনিবারও বেনগাজী শহরে ভাড়া বাসায় বসে সহকর্মীদের সাথে দুপুরের খাবার খাচ্ছিলেন দুই ভাই। হঠাৎ একটি শব্দ। আর মুুহূর্তেই ছিন্নভিন্ন দুই ভাই। ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু ঘটে তাদের। একই ঘটনায় আরো দুই বাংলাদেশী আহত হয়েছেন। তারা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইব্রাহিম ও কামাল। ইব্রাহিম প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছাড়া পেলেও কামাল হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
নিহত স্বপন ছৈয়ালের স্ত্রী মালেকা বেগম বলেন, এক মাস বয়সী সন্তান সাব্বিরকে রেখে বিদেশে যায় তার বাবা। ছেলেটার বয়স এখন আড়াই বছর। বাবার কোলে তো আর চড়া হবে না, অন্তত বাবার মুখটা সে যেন শেষ বারের মতো দেখতে পারে সরকার যেন সেই ব্যবস্থা করে।
নিহত স্বপন ও মিলনের মা মুর্শেদা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, সামনের ঈদে দুই ছেলের দেশে আসার কথা ছিল। ছোট ছেলে মিলনের বিয়ের জন্য মেয়ে দেখছিলাম। কিন্তু সব শেষ হয়ে গেল।
তাদের বাবা আব্দুল কুদ্দুস ছৈয়াল বলেন, দুই ছেলেকে তো আর পাব না। তবে তাদের লাশটা যেন দ্রুত দেশে এনে মাটি দিতে পারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এটাই আমাদের দাবি।




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

ডিএনডিবাসী চরম দুর্ভোগে




কলেজের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হয়ে নিদারুণ কষ্টে পড়েছেন তাহমিনা আক্তার। এক হাতে বইপত্রের ব্যাগ অন্য হাতে ছাতা আর জুতা। পা ডুবে আছে পানির নিচে। কাদা-পানি তার ওপর গর্ত। এভাবে চরম দুর্ভোগের মধ্যে গত রোববার সকালে তার কলেজে যাওয়া। ডিএনডির দেলপাড়া আদর্শনগরের বাসিন্দা রিমা আক্তার লিপি তোলারাম কলেজের স্নাতক (সম্মান) দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। তিনি জানালেন, টানা বৃষ্টিতে তাদের কষ্টের শেষ নেই। ঘরের ভেতরে পানি ঢুকেছে, রাস্তাঘাট পানিতে ডুবে গেছে। তার মধ্যে কাদা আর বড় বড় গর্ত। ক্যানেলগুলোতে পানি চলাচল বন্ধ। কি যে দুর্ভোগ, তা ভাষায় প্রকাশ করা যাচ্ছে না।
একইভাবে আক্ষেপের সুরে ডিএনডির টাওয়ারপার এলাকার বাসিন্দা হাজী আবুবকর সিদ্দিকের অভিযোগ, ডিএনডির মানুষের কষ্ট আর দুর্ভোগ কি কেউ দেখে? এক দিকে রাস্তাঘাটের বেহাল, অন্য দিকে ড্রেনের ব্যবস্থা নেই। ক্যানেলগুলো ময়লাআবর্জনায় ভরে গেছে। পানি সরবরাহ কম হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টিতে রিকশা কিংবা অন্য যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আমাদের কি যে কষ্ট শুরু হয়ে যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, টানা বর্ষণে ডিএনডিতে বসবাসকারী বিপুল মানুষকে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে। ডিএনডির নি¤œাঞ্চলের অনেকের বসতবাড়িতে পানি উঠেছে। পাড়া-মহল্লার রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে পানির নিচে। এর মধ্যে মেরামত না করায় অনেক রাস্তায় তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। এক দিকে অঝোর বৃষ্টি অন্য দিকে কাদা-পানিতে একাকার হয়ে দুর্ভোগ বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। ডিএনডি এলাকার বাসিন্দা কুতুবপুর ইউপির ৪ নম্বর মেম্বর জাহাঙ্গীর আলম জানান, ৩৩ বছরেও ডিএনডি এলাকার মানুষের দুঃখকষ্ট আর দুর্ভোগ দূর হয়নি। প্রতি বছর বর্ষাকাল আসে অভিশাপ হয়ে। ঘরবাড়ি রাস্তাঘাট ডুবে যায় পানিতে। কষ্টের মধ্যে মানুষকে বসবাস করতে হয়।
সূত্র জানায়, ডিএনডির মূল পরিসীমা ফতুল্লার কুতুবপুর ইউনিয়ন। সরেজমিন দেখা গেছে, টানা বর্ষণে ডিএনডির দেলপাড়া ভুইগড়, আর্দশনগর, চিতাশাল, নুরবাগ, কুসুমবাগ, শাহীবাজার রসুলপুর, নিশ্চিন্তপুর, রামারবাগ, নন্দলালপুর, তক্বারমাঠ, লালপুর, ইসদাইর, লামপাড়া গাবতলি, জালকুড়ি, পাগলা, নয়ামাটি, সিদ্ধিরগঞ্জ, মিজিমিজি, বাগমারা, সানারপাড়, মৌচাক, মামুদপুর, মাদবরবাজার, তুষারধার, গিরিধারা, মাতুয়াইল, শনিরআখড়া, নামাশ্যামপুর, মোহাম্মদবাগসহ বিভিন্ন এলাকার নি¤œাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেকের বাসাবাড়িতে পানি উঠেছে। রাস্তা তলিয়ে গেছে পানির নিচে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরার (ডিএনডি) নি¤œাঞ্চল পানিতে তলিয়ে যাওয়ার কারণ হলো এখানে ক্যানলগুলো ময়লাআবর্জনায় ভরে যাওয়ার কারণে পানি দ্রুত নিষ্কাশন হতে পারে না। এ ছাড়া অপরিকল্পিতভাবে বাড়িঘর তোলার পরও অনেকে পাানি নিষ্কাশনের জন্য কোনো ড্রেনেজ ব্যবস্থা রাখেনি। এতে সামান্য বৃষ্টিতে ডিএনডির নি¤œাঞ্চল পানিতে তলিয়ে যায়। সূত্র জানায়, ডিএনডি এলাকায় প্রায় ১২ লাখ মানুষের বসবাস। ডিএনডি বাঁধ এলাকার আয়তন ৩২ দশমিক ৮ বর্গকিলোমিটার। ইরিধান চাষাবাদের জন্য ১৯৬৫ সালে ডিএনডি বাঁধ নির্মাণ শুরু করা হয়। তখন ডিএনডির ভেতরে সেচ প্রকল্প ছিল পাঁচ হাজার ৬৪ হেক্টর।
সূত্র জানায়, আশির দশকের পর থেকে লোকজন ডিএনডি বাঁধের ভেতরে জমি কিনে অপরিকল্পিতভাবে বাড়িঘর, ইটের ভাটা, ছোট-বড় শিল্পকারখানা নির্মাণ করে। অপরিকল্পিত আবাসিক ও কলকারখানা নির্মাণের কারণে ডিএনডি বাঁধ এলাকায় প্রতি বছরই জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। এ নিয়ে এলাকাবাসী দীর্ঘ দিন আন্দোলন করে কিন্তু নিয়মনীতি না থাকায় খালগুলোতে ময়লাআবর্জনা ফেলা হচ্ছে। এ ছাড়া খালের দুই পাশ দখল করে দোকানঘর, বাড়ি, কালভার্ট নির্মাণ করা হয়। এ ছাড়া পানি নিষ্কাশনের পথ রুদ্ধ করে মাছ চাষ করা হয় অনেক স্থানে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের মতে, আবাসিক ও শিল্পবর্জ্য ফেলার কারণে ডিএনডির নিষ্কাশন খালগুলোর কার্যকারিতা কমে গেছে। বর্ষাকালে ভারী বৃষ্টিপাতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু ক্যানেল নেটওয়ার্ক এবং পাম্প সচল থাকায় বর্তমানে ডিএনডি এলাকার জলাবদ্ধতা সহনীয়পর্যায়ে রাখা সম্ভব হচ্ছে।
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ডেমরা (ডিএনডি) এলাকার জলাবদ্ধতা ও নিষ্কাশনব্যবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে ১১৩ কিলোমিটার খালের বর্জ্য অপসারণের জন্য সরকার জরুরিভিত্তিতে তিন কোটি ৫৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০১২ সালের ৩০ জুন প্রকল্পকাজ শেষ করে। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের গৃহীত প্রকল্পের অগ্রগতিসংক্রান্ত প্রতিবেদনের তালিকায় ডিএনডি এলাকার খালের বর্জ্য অপসারণ সম্পন্ন করার কাজটি ১ নম্বর তালিকাভুক্ত করে গত ২৮ এপ্রিল মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
সিদ্ধিরগঞ্জ শিমরাইলের ডিএনডি পাম্পহাউজের একজন কর্মকর্তা জানান, বৃষ্টিতে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। প্রধান নিষ্কাশন খালগুলো দিয়ে স্বাভাবিকভাবে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ওই খালগুলোর পথগুলোও পরিষ্কার রয়েছে। কিন্তু শাখা খালগুলো ময়লাআবর্জনায় আটকে যাওয়ার কারণে ডিএনডির প্রধান খাল পর্যন্ত পানি যেতে পারছে না।
এ দিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি তারা ডিএনডি ক্যানেলের কয়েকটি স্থান অবৈধ দখলমুক্ত ও ময়লাআবর্জনা পরিষ্কার করার কাজ শুরু করেছে।


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

ভারতের পরামর্শেই নিজামীর রায় স্থগিত : হান্নান শাহ




বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) আ স ম হান্নান শাহ বলেছেন, প্রতিবেশী দেশ ভারতের নির্দেশেই জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর যুদ্ধাপরাধের মামলার রায় স্থগিত করা হয়েছে। গতকাল এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের ঢাকা সফরকালে হরতাল হতে পারেÑ এই আশঙ্কা থেকেই প্রতিবেশী দেশের পরামর্শে যুদ্ধাপরাধের মামলার রায় স্থগিত করা হয়েছে।



গতকাল জাতীয় প্রেস কাব মিলনায়তনে অপরাজেয় বাংলাদেশ নামক সংগঠনের উদ্যোগে ‘আতঙ্কের জনপদ : বাংলাদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন হান্নান শাহ।

আয়োজক সংগঠনের সভানেত্রী ফরিদা মনি শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রুহুল আমিন গাজী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুকোমল বড়–য়া, মুক্তিযোদ্ধা দলের উপদেষ্টা ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল, বিএনপির সহকারী দফতর সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, নির্বাহী কমিটির সদস্য মো: হানিফ প্রমুখ।



বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হান্নান শাহ বলেন, শুনেছিলাম আজ (মঙ্গলবার) একটা রায় আছে। সে জন্য সকাল থেকে রণ সাজে সজ্জিত হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের কর্তৃত্ব দেখিয়েছে। পরে শুনলাম রায় হচ্ছে না। আমার এক হিতাকাক্সী বন্ধু বলেছেন, নয়াদিল্লি থেকে খবর এসেছে আজ রায় দেয়া যাবে না। কারণ কাল (বুধবার) ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় আসবেন।



রায়ের প্রতিবাদে যদি হরতাল হয়, তাহলে সরকারের সাথে প্রতিবেশী দেশের বন্ধুত্বের বেলুন ফুটো হয়ে যাবে। তাহলে কী বুঝলেন? বাংলাদেশের সব কিছু এখন বাইরের প্রতিবেশী দেশ থেকে নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে। সাউথ ব্লক থেকে।

১৯ দলীয়  জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলার রায়ের দিন নির্ধারিত ছিল গতকাল।



 তবে নিজামীর অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায় অপেমাণ রাখে। এর প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির সিনিয়র নেতা হান্নান শাহ উল্লিখিত মন্তব্য করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, সীমান্তে অহরহ গুলি করে মানুষ হত্যা করা হয়, কাঁটাতারের মধ্যে ফালানীর লাশ ঝুলে থাকে, প্রতিবেশী দেশের গোয়েন্দারা এসে ঢাকা থেকে আমাদের লোকজনকে তুলে নিয়ে যায়Ñ এরকম অবস্থার মধ্যে আমাদের সার্বভৌমত্ব আছে কি? নিরপে সরকারের অধীনে নির্বাচনে আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, এক দিকে আমরা সংলাপের কথা বলছি। সরকার বলছে, না সংলাপ নয়। অন্য দিকে রাষ্ট্রপতি জাতিসঙ্ঘে গিয়ে ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তাই বিএনপির উচিত আর সংলাপের কথা না বলা। এখন এমন আন্দোলন করতে হবে, একদিন সরকারই সংলাপের জন্য ব্যস্ত হয়ে উঠবে। সরকারের উদ্দেশে হান্নান শাহ বলেন, এখনো সময় আছে, দ্রুত নির্বাচন দিন। নির্বাচন না দিলে আপনাদের বঙ্গোপসাগর ও পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দিতে হবে। এর পরিণতি ভালো হবে না।




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

যেসব অভিযোগে ফেঁসে যেতে পারেন নিজামী




১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার দিন নির্ধারণ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

এর আগে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে তুমুল যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। এসময় নিজামীর বিরুদ্ধে মোট ১৬টি অভিযোগের উপর যুক্তিতর্ক চলে। পরে মামলাটি সর্বমোট তিনবার অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগপত্র অনুসারে নিজামীর বিরুদ্ধে ১৬টি অভিযোগে গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ৩(২)(এ), ৩(২)(সি), ৩(২)(জি), ৩(২)(এইচ), ৪(১), ৪(২) ধারা অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, লুট, ধর্ষণ, উষ্কানি ও সহায়তা, পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র এবং বুদ্ধিজীবী হত্যার উপর এসব অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়াও এ আইনের ৪(১) ও ৪(২) ধারায় অনুযায়ী বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ও সুপিরিয়র রিসপনসিবিলিটির (ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়) অভিযোগ রয়েছে নিজামীর বিরুদ্ধে।

নিজামীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের ১৬ অভিযোগ হলো:
প্রথম অভিযোগ:
পাবনা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মাওলানা কছিমুদ্দিনকে নির্যাতন করে হত্যা। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে প্রচার চালাতেন। একাত্তরের ৪ জুন পাকিস্তানি সেনারা তাকে অপহরণ করে নূরপুর পাওয়ার হাউসের ক্যাম্পে নিয়ে যায়। সেখানে নিজামীর উপস্থিতিতে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়। ১০ জুন তাকে ইছামতি নদীর পাড়ে অন্যান্য ব্যক্তির সঙ্গে হত্যা করা হয়।

দ্বিতীয় অভিযোগ:
একাত্তরের ১০ মে বেলা ১১টার দিকে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার বাউশগাড়ি গ্রামের রূপসী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় শান্তি কমিটির সদস্য ও রাজাকারদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ওই সভায় নিজামী বলেন, ‘শিগগিরই পাকিস্তানি সেনারা শান্তি রক্ষার জন্য আসবে।’ ওই সভার পরিকল্পনা অনুসারে পরে বাউশগাড়িসহ দু’টি গ্রামের প্রায় সাড়ে ৪০০ মানুষকে পাকিস্তানি সেনারা হত্যা করে। প্রায় ৩০ থেকে ৪০ নারীকে ধর্ষণ করে রাজাকাররা।

তৃতীয় অভিযোগ:
একাত্তরের মে মাসের শুরু থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোহাম্মদপুরের ফিজিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে পাকিস্তানি সেনাদের ক্যাম্প ছিল। রাজাকার ও আলবদর বাহিনীও সেখানে ক্যাম্প স্থাপন করে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালাতে থাকে। নিজামী ওই ক্যাম্পে নিয়মিত যাতায়াত ও মানবতাবিরোধী অপরাধের ষড়যন্ত্র করতেন।

চতুর্থ অভিযোগ:
একাত্তরের ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর যশোর বিডি হলে ছাত্রসংঘের মিটিংয়ে জিহাদের সমর্থনে আল কোরআনের একটি আয়াত উল্লেখ করে বক্তব্য দেন নিজামী। ওই মিটিংয়ে বক্তব্য দিয়ে নিরীহ বাঙালি হত্যার নির্দেশ দেন তিনি।

পঞ্চম অভিযোগ:
একই বছরের ১৪ মে নিজামীর নেতৃত্বে পাকিস্তান সেনাবাহিনী, রাজাকার, আলবদররা পাবনার ডেমরা ও বাউসগাড়ি গ্রাম ঘেরাও করে। এরপর সাড়ে চারশ হিন্দুকে এক জায়গায় জড়ো করে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করে। সেখানে নারীদের ধর্ষণও করা হয়।

ষষ্ঠ অভিযোগ:
নিজামীর নির্দেশে পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগিতায় একই বছরের ৮ মে পাবনার সাঁথিয়া থানার করমজা গ্রামে সুরেন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ অসংখ্য লোককে হত্যা এবং কয়েকজন মহিলাকে ধর্ষণ করা হয়।

সপ্তম অভিযোগ:
একই বছরের ২৭ ও ২৮ নভেম্বর পাবনার সাঁথিয়া থানার ধোলাউড়ি গ্রামে ডা. আবদুল আওয়ালের বাড়ি ও আশপাশের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ৩০ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। সেখান থেকে আটক চারজনকে ইছামতি নদীর পাড়ে নিয়ে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করা হয়। তাদের একজন শাহজাহান আলীকে জবাই করে ফেলে যায় রাজাকাররা। ভাগ্যক্রমে শাহজাহান আলী বেঁচে যান।

অষ্টম অভিযোগ:
১৬ এপ্রিল ঈশ্বরদী থানার আটপাড়া ও বুথেরগাড়ি গ্রামে হামলা চালিয়ে ১৯ জনকে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়।

নবম অভিযোগ:
১০ জুন আতাইকুলা থানার মাতপুর গ্রামের মাওলানা কছিমউদ্দিনকে আটকের পর ইছামতি নদীর পাড়ে নিয়ে হত্যা করা হয়।

দশম অভিযোগ:
পাবনার সোনাতলা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা অনিল চন্দ্র কুণ্ডু প্রাণ বাঁচাতে ভারতে চলে যান। নিজামীর নির্দেশে রাজাকাররা তার বাড়ি আগুনে জ্বালিয়ে দেয়। অষ্টম অভিযোগে বলা হয়, ৩০ আগস্ট নিজামী নাখালপাড়ার পুরোনো এমপি হোস্টেলে গিয়ে সেখানে আটক রুমী, বদি, জালালদের হত্যার জন্য পাকিস্তানি সেনাদের প্ররোচনা দেন।

নিজামীর বিরুদ্ধে ১১, ১২, ১৩ ও ১৪ নম্বর অভিযোগ:
তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে উসকানি দেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগে বলা হয়, একাত্তরের ৩ আগস্ট চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউটে ইসলামী ছাত্রসংঘ আয়োজিত সভায় নিজামী বলেন, ‘পাকিস্তান আল্লাহর ঘর। সেনাবাহিনীর মাধ্যমে তিনি প্রিয় ভূমির হেফাজত করছেন। দুনিয়ার কোনো শক্তি পাকিস্তানকে ধ্বংস করতে পারবে না।’ ২২ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক একাডেমি হলে আল মাদানীর স্মরণসভায় নিজামী বলেন, ‘পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করতে শত্রুরা অস্ত্র হাতে নিয়েছে।’ তিনি পাকিস্তানের শত্রুদের সমূলে নির্মূল করার আহ্বান জানান। ৮ সেপ্টেম্বর প্রতিরক্ষা দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনে ছাত্রসংঘের সভায় নিজামী বলেন, ‘হিন্দুস্তানের মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানতে রাজাকার, আলবদররা প্রস্তুত।’ ১০ সেপ্টেম্বর যশোরে রাজাকারদের প্রধান কার্যালয়ে এক সুধী সমাবেশে নিজামী প্রত্যেক রাজাকারকে ইমানদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আল্লাহর পথে কেউ কখনো হত্যা করে, কেউ মারা যায়।’ এসব বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তিনি ছাত্রসংঘের সদস্য, রাজাকার ও অন্যদের মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের উসকানি ও প্ররোচনা দেন। ট্রাইব্যুনালস আইনের ৩(২)(এফ) ধারার সঙ্গে ৪(১) ও ৪(২) ধারায় এসব অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।

১৫তম অভিযোগ:
একাত্তরের মে থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত সাঁথিয়া পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ে রাজাকার ক্যাম্প ছিল। নিজামী প্রায়ই ওই ক্যাম্পে গিয়ে রাজাকার সামাদ মিয়ার সঙ্গে ষড়যন্ত্র করতেন, যার পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এসব অভিযোগে ট্রাইব্যুনাল ৩(২)(জি) ধারায় নিজামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

১৬তম অভিযোগ:
একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের প্রাক্কালে অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে আলবদর বাহিনী। দেশের বুদ্ধিজীবী শ্রেণীকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস করার জন্য পরিকল্পিতভাবে আলবদর সদস্যদের দিয়ে এই গণহত্যা চালানো হয়। জামায়াতের তৎকালীন ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্রসংঘ ও আলবদর বাহিনীর প্রধান হিসেবে ওই গণহত্যার দায় নিজামীর ওপর পড়ে।

উল্লেখ্য, নিজামীর বিরুদ্ধে এসব অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা নিজামীর কাঙ্ক্ষিত রায় ফাঁসি দাবি করছেন। অপরদিকে নিজামীর বিরুদ্ধে সব অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট উল্লেখ করে তিনি নির্দোশ প্রমাণিত হবেন বলে দাবি জানান আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।






Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের তিন হাজার কোটি টাকা




 সারা দুনিয়া থেকে যখন সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোয় মোট গচ্ছিত অর্থ কমেছে, তখন বাংলাদেশ থেকে তা বেড়েছে। বেড়েছে ভারত থেকেও। ভারতের মতো বাংলাদেশ থেকেও পাচার হওয়া অর্থের একাংশ সুইস ব্যাংকে গিয়ে জমা হচ্ছে।

সুইস ব্যাংকগুলোয় বাংলাদেশিদের গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ এক বছরের ব্যবধানে ৬২ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে ভারতীয়দের অর্থ বেড়েছে প্রায় ৪৫ শতাংশ।

সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক (এসএনবি) কর্তৃক প্রকাশিত ‘ব্যাংকস ইন সুইজারল্যান্ড ২০১৩’ শীর্ষক বার্ষিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সম্প্রতি এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

এতে দেখা যায় যে ২০১৩ সাল শেষে সুইস ব্যাংকগুলোয় বাংলাদেশিদের অন্তত ৩৭ কোটি ১৯ লাখ সুইস ফ্রাঁ গচ্ছিত রয়েছে, যা প্রায় ৪১ কোটি ৪০ লাখ ডলার বা তিন হাজার ১৬২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এটি আগামী অর্থবছরে ঘাটতি অর্থায়নের জন্য সরকার যে পরিমাণ প্রকৃত ঋণ গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছে, তার প্রায় ছয় ভাগের এক ভাগ। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেেট নিট বিদেশি ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ১৮ হাজার ৬৯ কোটি টাকা।

এর আগে ২০১২ সাল শেষে সুইস ব্যাংকগুলোয় বাংলাদেশিদের অন্তত ২২ কোটি ৮৯ লাখ সুইস ফ্রাঁ গচ্ছিত ছিল, যা প্রায় ২৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা এক হাজার ৯০৮ কোটি টাকার সমান। এটি সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের যে অর্থ গচ্ছিত রাখা হয়েছে, তার মোট পরিমাণ।

একই সময়ে, অর্থাৎ ২০১৩ সালে ভারতীয়দের ১৯৫ কোটি ২৮ লাখ সুইস ফ্রাঁ বা ২১৭ কোটি ৩২ লাখ ডলার গচ্ছিত রয়েছে। এটি ভারতীয় মুদ্রায় ১৩ হাজার ৬০০ কোটি রুপি। ২০১২ সালে এর পরিমাণ ছিল ১৩৪ কোটি সুইস ফ্রাঁ বা ১৪৩ কোটি ডলার। এটি ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় নয় হাজার কোটি রুপি। এর বাইরে গত বছর ভারতীয়দের সাত কোটি ৭০ লাখ সুইস ফ্রাঁ গচ্ছিত রাখা হয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্পদ ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। তবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এ ধরনের কোনো অর্থ গচ্ছিত নেই।

সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোয় বিভিন্ন দেশের বিপরীতে ‘দায়’ অথবা ‘গ্রাহকের কাছে দেনা’ হিসাবের খাতে থাকা অর্থকে সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক বা এসএনবি সংশ্লিষ্ট দেশগুলো থেকে রাখা গচ্ছিত অর্থ হিসেবে বিবেচনা করেছে। এতে দেখা যায়, গত বছর সারা দুনিয়া থেকে সুইস ব্যাংকগুলোয় গচ্ছিত অর্থের মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৩৩ হাজার কোটি সুইস ফ্রাঁ বা এক লাখ ৪৮ হাজার কোটি ডলার। তার আগের বছর, ২০১২ সাল শেষে এর পরিমাণ ছিল এক লাখ ৪০ হাজার কোটি সুইস ফ্রাঁ বা প্রায় এক লাখ ৫৫ হাজার কোটি ডলার৷ সে বিবেচনায় বাংলাদেশিদের গচ্ছিত অর্থ খুবই অল্প।

অবশ্য বাংলাদেশি বা অন্য কোনো দেশের নাগরিক বা প্রতিষ্ঠান যদি নিজের বদলে অন্যের নামে কোনো অর্থ গচ্ছিত রেখে থাকে, তাহলে তা এই হিসাবের মধ্যে আসেনি। আর তাই এই হিসাব সুইস ব্যাংকে গচ্ছিত পাচার হয়ে যাওয়া অর্থের পূর্ণ পরিমাণও নির্দেশ করে না। একইভাবে সুইস ব্যাংকে গচ্ছিত রাখা মূল্যবান শিল্পকর্ম, স্বর্ণ বা দুর্লভ সামগ্রীর আর্থিক মূল্যমান হিসাব করে এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। অনেক দেশের নাগরিকই মূল্যবান শিল্পকর্ম বা দুর্লভ সামগ্রী সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকের ভল্টে রেখে থাকেন।

যোগাযোগ করা হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে টাকা পাচার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন জোরালোভাবে প্রয়োগ করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকে এখন ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিটও গঠন করা হয়েছে। তাই অবৈধভাবে বাইরে অর্থ নিয়ে যাওয়া এখন খুব সহজ হওয়ার কথা নয়। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন দু-একটি দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ।’

সালেহউদ্দিনের মতে, আন্তর্জাতিক চাপের কারণে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোও এখন আগের মতো কঠোর গোপনীয়তা রক্ষা করছে না। বরং গচ্ছিত অর্থের তথ্যাদির বিষয় কিছুটা শিথিল করেছে। তাই বাংলাদেশ সরকার চাইলে সুইস সরকারের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি করতে পারে তথ্য বিনিময়ের জন্য। তিনি এ-ও বলেন, সুইস ব্যাংকে গচ্ছিত সব টাকাই পাচার হওয়া অর্থ নয়। কেননা, বিদেশে কর্মরত অনেক বাংলাদেশির বৈধ অর্থ সুইজারল্যান্ডে তাঁদের ব্যাংক হিসাবে জমা থাকে।

কোন বছর কত: সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত এক দশকের মধ্যে ২০১৩ সালেই সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের সবচেয়ে বেশি অর্থ গচ্ছিত ছিল। এর আগে সর্বোচ্চ পরিমাণ অর্থ গচ্ছিত ছিল ২০০৭ সালে। সে বছর সুইস ব্যাংকসমূহে বাংলাদেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ ছিল ২৪ কোটি ৩০ লাখ সুইস ফ্রাঁ বা দুই হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি। অবশ্য এ বছরই সুইস ব্যাংকসমূহের বৈশ্বিক গ্রাহকেরা সর্বোচ্চ দুই লাখ ৬০ হাজার কোটি সুইস ফ্রাঁ বা প্রায় ২১৭ লাখ কোটি টাকার সমপরিমাণ অর্থ গচ্ছিত রেখেছিলেন।

২০০৮ সালে বাংলাদেশিদের গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ নেমে আসে ১০ কোটি ৭০ লাখ সুইস ফ্রাঁ বা ৮৯২ কোটি টাকায়। ২০০৯ সালে এটি কিছুটা বেড়ে হয় ১৪ কোটি ৯০ লাখ সুইস ফ্রাঁ বা এক হাজার ২৪১ কোটি টাকা। ২০১০ সালে তা আরও বেড়ে হয় ২৩ কোটি ৬০ লাখ সুইস ফ্রাঁ বা এক হাজার ৯৬৮ কোটি টাকা। তবে ২০১১ সালে তা বেশ কমে হয় ১৫ কোটি ২৩ লাখ সুইস ফ্রাঁ বা এক হাজার ২৯৫ কোটি টাকা।




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

রমনা বটমূলে হামলা: মুফতি হান্নানসহ ৮ জনের ফাঁসি, ৬ জনের যাবজ্জীবন




২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল রাজধানী ঢাকার রমনা
বটমূলে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলার মামলায় হরকাত-উল জিহাদ (হুজি) নেতা
মুফতি আব্দুল হান্নানসহ ৮ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৬ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
দিয়েছেন আদালত।






দীর্ঘ ১৩ বছর পর আজ (সোমবার) ঢাকার
দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ রুহুল আমিন এ  রায় ঘোষণা করেছেন। এ সময়
মামলার আসামি মুফতি আব্দুল হান্নানসহ ৯ আসামি আদালত কক্ষে উপস্থিত ছিলেন।
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মুফতি আব্দুল হান্নান, মাওলানা আকবর হোসেন,
আরিফ হোসেন সুমন, মাওলানা তাজউদ্দিন, হাফেজ মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম বদর, মো.
আব্দুল হাই, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আবু বকর।





এদের মধ্যে মুফতি হান্নান, মাওলানা আকবর হোসেন ও আরিফ হোসেন সুমন কারাগারে রয়েছেন। বাকিরা ফলাতক।


যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মাওলানা
সাব্বির ওরফে মান্নান, মাওলানা শওকত ওসমান এরফে শেখ ফরিদ, মাওলানা আব্দুর
রউফ, মাওলানা আবু তাহের, মাওলানা সাদাত উল্যাহ জুয়েল, মাওলানা ইয়াহিয়া।
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা সবাই কারাগারে রয়েছেন।





গত ১৬ জুন রায়ের দিন ধার্য থাকলেও এক
সপ্তাহ পিছিয়ে সোমবার নতুন দিন নির্ধারণ করা হয়। এর আগে গত ২৮ মে মামলায়
উভয়পক্ষের অধিকতর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। ওইদিন আদালত রায়ের জন্য দিন
ধার্য করেন। সে সময় মুফতি হান্নানসহ ৯ আসামি আদালত কক্ষে উপস্থিত ছিলেন।





২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল (পহেলা বৈশাখ) রমনায়
বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে জঙ্গিদের ভয়াবহ বোমা হামলায় ১০ জন নিহত হন। তাদের মধ্যে
ঘটনাস্থলে ৯ জন এবং পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন মারা যান। আহত
হন অনেকে।





এ ঘটনায় ওই দিনই বাবুপুরা পুলিশ ফাঁড়ির
সার্জেন্ট অমল চন্দ্র বাদী হয়ে রমনা থানায় দুটি মামলা করেন। একটি হত্যা
মামলা এবং অন্যটি বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের মামলা। মামলা দুটির অভিযোগপত্র
একইসঙ্গে দাখিল করা হয়। পরে বিচারের জন্য ঘটনার আট বছর পর মামলা দুটি ২০০৯
সালের ১ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে স্থানান্তর করা হয়। একই
বছরের ১৬ এপ্রিল মামলা দুটিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করা
হয়। বিস্ফোরক আইনের মামলাটি ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে
বিচারাধীন।





আলোচিত এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা বারবার
পরিবর্তন, সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল, বারবার তাগিদ দেওয়া সত্ত্বেও তদন্ত
কর্মকর্তাদের আদালতে সাক্ষ্য দিতে না আসা ইত্যাদি কারণে বিচার শুরু হতে
বিলম্ব হয়।





অবশেষে অধিকতর তদন্ত শেষে সাত বছর পর ২০০৮
সালের ২৯ নভেম্বর হুজি নেতা মুফতি আবদুল হান্নানসহ ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে
আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ
(সিআইডি)।




২০০৯ সালের ১৬ এপ্রিল মামলায় বিএনপি নেতা
সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুর ভাই মাওলানা তাজউদ্দিনসহ ১৪ আসামির
বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।




 (রেডিও তেহরান)




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

চট্টগ্রামে প্রবল বর্ষণ: দেয়াল ধসে শ্রমিকের মৃত্যু, রেড অ্যালার্ট জারি




চট্টগ্রাম মহানগরীর পাঁচলাইশ থানায়
অতিবৃষ্টির ফলে দেয়াল ধসে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। নিহত হওয়া ব্যক্তির
নাম মো. আসলাম (২২)। তিনি পেশায় নির্মাণ শ্রমিক, বাড়ি রাজশাহীতে। ওই
দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন- মামুন (২৮) ও হেফাজুল ইসলাম (৩০)।  






স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দু’দিনের টানা
বৃষ্টিপাতের মধ্যে শুক্রবার রাত তিনটার দিকে রহমান নগরের হিলভিউ আবাসিক
এলাকায় বাইতুল জান্নাত জামে মসজিদের পাশের একটি কাঁচা বসতঘরের উপর সীমানা
দেয়াল ধসে পরলে ওই ঘরে ঘুমন্ত তিন নির্মাণশ্রমিক আহত হন। তাদের উদ্ধার করে
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। হাসাপাতালে
নেয়ার পর ভোর ছয়টার দিকে আসলামের মৃত্যু হয়। আহত বাকি দুজন হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন রয়েছেন।





এদিকে, প্রবল বর্ষণের ফলে নগরীর বেশিরভাগ
নিচু এলাকা হাটু থেকে কোমর পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন
নগরবাসী। মুরাদপুর ও বহদ্দারহাটসহ নগরীর প্রধান প্রধান সড়কগুলো তলিয়ে
যাওয়ায় আটকা পড়েছে শত শত যানবাহন।




উদ্ভুত পরিস্থিতিতে নগরীর পাহাড়ী
জনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। পাহাড় ধসে
প্রাণহানি এড়াতে সকাল থেকেই প্রশাসন ঐসব এলাকায় মাইকিং করে।




 সুত্র : রেডিও তেহরান




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

ভিক্ষার ঝুলি জনগণের হাতে তুলে দিয়েই ক্ষমতা ছাড়বে আওয়ামী লীগ: গয়েশ্বর




বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর
চন্দ্র রায় বলেছেন, আওয়ামী লীগ দেশের সকল সম্পদ লুট করে জনগণের হাতে
ভিক্ষার ঝুলি তুলে দিয়ে ক্ষমতা ছাড়বে, তার আগে নয়। ক্ষমতাসীনরা বিদেশিদের
খুশি করে ক্ষমতায় টিকে আছেন। এ কারণে তারা জনগণের দাবি মানছে না।






আজ (শুক্রবার) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে
এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। জিয়া সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত ‘গুম, খুন,
অপহরণ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে চাই গণআন্দোলন’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন
করে।





গয়েশ্বর বলেন, একাত্তরে এই আওয়ামী লীগ
কম্বল চুরি করেছে আর  এখন ২০১৪ সালে এসে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা ক্রেস্ট
থেকে সোনা চুরি করেছে। যারা চুরি করে তাদের কোনো ধর্ম নেই। সুতরাং আওয়ামী
লীগেরও কোনো ধর্ম নেই বলে মনে করেন তিনি।





এদিকে, দলটির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেছেন, রিট দিয়ে গণতন্ত্র চলে না।
গণগন্ত্রের জন্য জনগণের ম্যান্ডেট লাগে। বিএনপি তিনবার নির্বাচিত হয়েছে
জনগণের ম্যান্ডেটে। পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতা দখলে বিএনপি বিশ্বাস করে না।





৭৫'এ আওয়ামী লীগের নেতাদের হাত ধরেই
সামরিক শাসন এসেছিল। বিএনপি তখন ছিল না। আজ (শুক্রবার) জাতীয় প্রেসক্লাবে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা
বলেন।




ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এনামুল হক
শামীমের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার রফিক বলেন, আপনারা
গডফাদারদের স্পন্সর করছেন। তার ফল আপনাদেরকে ভোগ করতেই হবে। এ কারণে
আপনাদের দলীয় লোকজনও আজ নিরাপদ নয়। গডফাদারদের এ বিষাক্ত ছোবল থেকে জাতিকে
রক্ষা করতে না পারলে দেশ ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশি ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের অর্থ বেড়েছে ৬২ শতাংশ




সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশিদের গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ এক বছরের ব্যবধানে ৬২ শতাংশ বেড়েছে।






সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস
ন্যাশনাল ব্যাংক (এসএনবি) কর্তৃক সম্প্রতি প্রকাশিত ‘ব্যাংকস ইন
সুইজারল্যান্ড ২০১৩’ শীর্ষক বার্ষিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৩ সাল শেষে সুইস ব্যাংকগুলোয় বাংলাদেশিদের অন্তত
৩৭ কোটি ১৯ লাখ সুইস ফ্রাঁ রাখা হয়েছে, যা প্রায় ৪১ কোটি ৪০ লাখ ডলার বা
তিন হাজার ১৬২ কোটি ৩৭ লাখ টাকার সমান।



এর আগে ২০১২ সাল শেষে
সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন ব্যাংকেবাংলাদেশি
ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অন্তত ২২ কোটি ৮৯ লাখ সুইস ফ্রাঁ গচ্ছিত ছিল, যা
প্রায় ২৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা এক হাজার ৯০৮ কোটি টাকার সমান।





তবে গত ছয় বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থ
গচ্ছিত ছিল ২০০৭ সালে। ওই বছর সুইস ব্যাংকগুলোয় বাংলাদেশি ব্যক্তি ও
প্রতিষ্ঠানের গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ ছিল ২৪ কোটি ৩০ লাখ সুইস ফ্রাঁ বা দুই
হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি। এ বছরই সুইস ব্যাংকগুলোর বৈশ্বিক গ্রাহকেরা
সর্বোচ্চ দুই লাখ ৬০ হাজার কোটি সুইস ফ্রাঁ বা প্রায় ২১৭ লাখ কোটি টাকার
সমপরিমাণ অর্থ গচ্ছিত রেখেছিল।

২০০৮ সালে বাংলাদেশিদের গচ্ছিত
অর্থের পরিমাণ নেমে আসে ১০ কোটি ৭০ লাখ সুইস ফ্রাঁ বা ৮৯২ কোটি টাকায়। ২০০৯
সালে এটি কিছুটা বেড়ে হয় ১৪ কোটি ৯০ লাখ সুইস ফ্রাঁ বা এক হাজার ২৪১ কোটি
টাকায়। ২০১০ সালে তা আরও বেড়ে হয় ২৩ কোটি ৬০ লাখ সুইস ফ্রাঁ বা এক হাজার
৯৬৮ কোটি টাকা। তবে ২০১১ সালে তা বেশ কমে হয় ১৫ কোটি ২৩ লাখ সুইস ফ্রাঁ বা
এক হাজার ২৯৫ কোটি টাকা।



সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোয়
বিভিন্ন দেশের বিপরীতে ‘দায়’ অথবা ‘গ্রাহকের কাছে দেনা’ হিসাবের খাতে থাকা
অর্থকে সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক বা এসএনবি সংশ্লিষ্ট দেশগুলো থেকে রাখা
গচ্ছিত অর্থ হিসেবে বিবেচনা করেছে। এতে দেখা যায়, গত বছর সারা দুনিয়া থেকে
সুইস ব্যাংকগুলোয় গচ্ছিত অর্থের মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৩৩ হাজার
কোটি সুইস ফ্রাঁ বা এক লাখ ৪৮ হাজার কোটি ডলার। তার আগের বছর, ২০১২ সাল
শেষে এর পরিমাণ ছিল এক লাখ ৪০ হাজার কোটি সুইস ফ্রাঁ বা প্রায় এক লাখ ৫৫
হাজার কোটি ডলার৷ সে বিবেচনায় বাংলাদেশিদের গচ্ছিত অর্থ খুবই অল্প।


অবশ্য বাংলাদেশি বা অন্য কোনো
দেশের নাগরিক বা প্রতিষ্ঠান যদি নিজের বদলে অন্যের নামে কোনো অর্থ গচ্ছিত
রেখে থাকে, তাহলে তা এই হিসাবের মধ্যে আসেনি। আর তাই এই হিসাব সুইস
ব্যাংকে গচ্ছিত পাচার হয়ে যাওয়া অর্থের পূর্ণ পরিমাণও নির্দেশ করে না।
একইভাবে সুইস ব্যাংকে গচ্ছিত রাখা মূল্যবান শিল্পকর্ম, স্বর্ণ বা দুর্লভ
সামগ্রীর আর্থিক মূল্যমান হিসাব করে এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। অনেক
দেশের নাগরিকই মূল্যবান শিল্পকর্ম বা দুর্লভ সামগ্রী সুইজারল্যান্ডের
বিভিন্ন ব্যাংকের ভল্টে রেখে থাকেন।


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

‘ঘষেটি বেগম, বেয়াদব পুত্র ও বদু কাকা’র রিমান্ড দাবি




‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি’র) প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে খুনি আখ্যায়িত করে সরকার দলীয় সংরক্ষিত সংসদ সদস্য ফজিলাতুন নেসা বাপ্পী বলেন,  ঘষেটি বেগম জিয়া ও তার বেয়াদব পুত্র এবং বদু কাকাকে রিমান্ডে নিলে জিয়া হত্যার রহস্য বেরিয়ে আসবে।’

বৃহস্পতিবার দশম জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। এসময় সংসদে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার। এসময় সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে উপস্থিত ছিলেন।

ফজিলাতুন নেসা বাপ্পী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালে ইয়াহিয়া বঙ্গবন্ধুর জন্য কবর খুড়ে ছিলো। ৭১’ এ ইয়াহিয়া যা করেনি ৭৫’ এ জিয়া তাই করেছে। জিয়া বঙ্গবন্ধু কে হত্যা করেছে। এই খুনি জিয়া খালেদা মোশারফকে, কর্নেল তাহের, মেজর হায়দারকে হত্যা করেছে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা ও মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যার দায়ে খুনি জিয়ার মরণোত্তর বিচার দাবি করছি। প্রয়োজনে আইন সংশোধন করতে হলেও তার বিচার করতে হবে।

তিনি বলেন, বেগম জিয়ার বেয়াদব পুত্র বলে ১৯৭২ এর সংবিধান নাকি জনআকাঙ্খা বিরোধী, অবৈধ। ওই বেয়াদব মুচলেকা দিয়ে বলেছিলো আর দুর্নীতি করবো না। এখন আবোল-তাবোল বলছে।’

তিনি বলেন, ঘষেটি বেগম জিয়া বলে এই সরকার নাকি অবৈধ। এই বাজেট নাকি অবৈধ। এটা যদি অবৈধ হবে তাহলে ১৯৭৬, ৭৭ ও ৭৮ এ জিয়া যে বাজেট দিয়েছিল সেটা কি?। তার কাছে এই বাজেট তো অবৈধ হবে। তার কাছে প্রশ্ন আমার প্রশ্ন তাহলে বৈধ কি জমশেদ, কালু, ফালু?। তিনি তো বলবেনই যিনি জরিমানা দিয়ে কালো টাকা সাদা করেন। তার কাছে তো বাজেট অবৈধ হবেই।



Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

আইন না থাকায় তিনটি পণ্য ভারতের হাতে চলে গেছে




 সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, ঢাকার ঐতিহ্যবাহী জামদানি, নকশি কাঁথা ও সিলেটের শীতল পাটির আদি এবং মূল ধারণা বাংলাদেশের। এ দেশেই এই তিনটি পণ্য প্রথম উৎপাদিত হয়েছে। অথচ দেশে ঐতিহ্যবাহী নিজস্ব পণ্য সংরক্ষণে দীর্ঘদিন কোনো আইন না থাকায় এসব পণ্যের মালিকানা চলে গেছে ভারতের হাতে। এ তালিকায় দিনাজপুরের ফজলি আমও রয়েছে। ভারতের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে নিজস্ব মালিকানা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করার পরামর্শ দেন তিনি।

রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য সুরক্ষার গুরুত্ব : বাংলাদেশ প্রেক্ষিত শীর্ষক এক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন। সংলাপের আয়োজন করে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) ও জাতীয় কারুশিল্প পরিষদ। এতে সিপিডির একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

গবেষণায় বলা হয়, হারিয়ে যাওয়া বিশ্ববিখ্যাত মসলিন জাতীয় পণ্য হচ্ছে জামদানি। ব্র্যান্ড নাম হিসেবে জামদানি ষোড়শ শতাব্দী বা তারও আগের পণ্য। গবেষণায় দেখা গেছে, জামদানি বলতে হাতে তৈরি ঢাকার বিশেষ এ পণ্যকেই প্রতিনিধিত্ব করে। যাতে ভৌগোলিক নির্দেশক হিসেবে ঢাকার নাম চলে আসে। ঢাকার জামদানির সুতা এবং তৈরি করা জামদানি অন্যান্য দেশের জামদানি থেকে আলাদা।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. ইফতেখার ইকবাল। সভাপতিত্ব করেন ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। এতে বক্তব্য রাখেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক মুস্তাফিজুর রহমান, অ্যাডভোকেট হামিদা হোসেন প্রমুখ।

গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়, দেশের ঐতিহ্যবাহী এসব পণ্যের স্বকীয়তা রক্ষায় আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এ জন্য ভৌগোলিক নির্দেশক আইন (জিওগ্রাফিক্যাল ইনডিকেটর বা জিআই অ্যাক্ট) বাস্তবায়নের স্বার্থে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) থেকে নিবন্ধন নেওয়া জরুরি। ২০১৩ সালে নিজস্ব পণ্যের মালিকানা সুরক্ষায় ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) আইন পাস করা হয়েছে। তবে এতে অনেক দুর্বলতা রয়েছে। এ ছাড়া এ সংক্রান্ত বিধিমালার অভাবে এর কার্যত কোনো ব্যবহার নেই। এ অবস্থায় দ্রুত বিধিমালা প্রণয়ন এবং ভারতের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে নিজস্ব মালিকানা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। এ জন্য প্রয়োজনে ডব্লিউটিওর দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।






Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

দেখছি খেলা, মিলছে না হিসাব




অতি পরিচিত এবং প্রিয় নগরীকে মাঝেমধ্যে অচেনা মনে হয়। এই নগরীতে পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে শৈশব, কৈশোর ও যৌবনের দিনগুলো পার করেছি। একটা সময়ে সকাল-সন্ধ্যা নগরীর বিভিন্ন অলিগলি এবং রাজপথে ঘুরে বেড়িয়েছি। সেই সব দিনগুলোতে কি আনন্দ পেয়েছি এই বয়সে এসে আর বলতে পারব না। কৈশোরের দিনগুলোতে দুপুর গড়িয়ে বিকেল এলে খেলাধুলা করেছি একটা সময় বুঝেছি এগুলো ছিল মূল্যহীন। খেলাধুলা এখন পুরোপুরি ব্যবসায় পরিণত হয়েছে কিছুই করার নেই। মানুষের দক্ষতা বিক্রি করে অর্থ উপার্জিত হচ্ছে। শিল্প বলি, সৌন্দর্য বলি, ভালোবাসা বলি এসবের সঙ্গে জড়িয়ে আছে অর্থ আর এই অর্থ ছাড়া সব কিছুই মূল্যহীন। খারাপ লাগছে তবুও বলছি, বর্তমান সমাজে আমরা সবকিছুই অর্থমূল্যে পরিমাপ করি। ব্রাজিলের বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতা চত্বরগুলো শুধু নয় এর বাইরে বৃহৎ দুনিয়াজুড়ে ফুটবলকে ঘিরে ব্যবসা-বাণিজ্যের মহোৎসব চলছে। ফুটবলের আবেগকে বিক্রি করে ব্যবসা-বাণিজ্যের রমরমা অবস্থা। বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে বিশ্বকাপের অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর পতাকা বিক্রেতা খুরশেদ বললেন বেচাকেনা খুবই ভালো। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর ভুল বোঝাবুঝি শেষ হয়ে গেছে। তবে এই গরমে যদি একটা তুফান আসত তাহলে অনেক পতাকা ছিঁড়ে যেত, উড়ে যেত এতে বিক্রি আরো বাড়ত। কি আশ্চর্য ব্যবসায়িক চিন্তা-ভাবনা। সবাই তার নিজস্ব দৃষ্টিকোণ থেকে ফুটবলকে দেখছে।

নগরীতে বছরের পর বছর বাস করেও আমরা কেউ কারো নই। নগরীতে আমরা সবাই বিচ্ছিন্ন এবং আলাদা-আলাদা। প্রত্যেকেই ব্যস্ত নিজেকে নিয়ে। ফুরসত নেই। তবে সারাজীবনের অঙ্কের সন্ধান পেয়েছেন তাদের কথা আলাদা। সাধারণ মানুষ শুধু তো মাথা নিচু করে, মুখ বুজে জীবিকার ঘানি টানতে টানতে ক্লান্ত এবং পরিশ্রান্ত। এই লড়াইয়ের শেষ নেই। শুধু নগরী নয়, দেশজুড়ে মাঝেমধ্যে। একেকটা জোয়ার আসে তাতে গা ভাসিয়ে দেই। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই কিছুসংখ্যক তাদের চিন্তা-ভাবনা নিয়ে সরে থাকেন। এটাকে জোয়ার বা ইস্যু যাই বলি না কেন এই উপলক্ষকে কেন্দ্র করে কিছুদিনের জন্য হলেও আমরা সবাই এক হই তখন সব পরিচয় ঘুচে যায়।
ব্রাজিল বিশ্বকাপকে ঘিরে এখন আমাদের সব উচ্ছ্বাস, আবেগ, আনন্দ, সফলতা ও ব্যর্থতার রাত-দিনগুলো অন্যরকম। খেলা দেখছি- কিন্তু হিসাব মিলাতে পারছি না। ফুটবলকে চিনতে পারছি না। আমরা সাধারণ ফুটবল আমুদে মানুষ শুধু নই- বিশেষজ্ঞ এবং বিশ্লেষকরা বড় চিন্তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তাদের সুবিধা হলে তারা তাদের নিজস্ব অবস্থান থেকে যুক্তিতর্কের মাধ্যমে হরদম সরতে পারেন। আমরা সাধারণ মানুষরা কিন্তু বারবার ধাক্কা খাচ্ছি। কথা বলছি। কখনো মন খারাপ করছি প্রত্যাশার সঙ্গে মিল খুঁজে না পেয়ে।

বিশ্বকাপে ফেভারিটদের তালিকার শুষ্ক খাতাটা আপাতত বন্ধ রাখা ছাড়া উপায় নেই। প্রথম রাউন্ডেই কে কোথায় চলে যায় আঁচ করা মুশকিল। এরপর তো নকআউট রাউন্ড সেখানে তো স্বপ্ন আর স্বপ্ন ভঙ্গের আরো বড় খেলা অপেক্ষা করছে। ব্রাজিলের দ্বিতীয় খেলা দেখতে বসেছিলাম মেক্সিকোর বিরুদ্ধে অতীতের পরিসংখ্যান, দলগত শক্তি এবং বর্তমানের প্রেক্ষাপটের আলোকে ব্রাজিলকে এগিয়ে রেখে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কি দেখলাম। নেইমার অস্কাররা পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। ব্রাজিলের তৈরি এত সহজ সুযোগগুলো একটিও জালে প্রবেশ করেনি।

মেক্সিকোর গোলরক্ষক বলতে গেলে একাই মাঠে ব্রাজিলকে রুখে দিয়েছেন। যারা রাত জেগে খেলা দেখেছেন তাদের কাছে এটা একটা অসাধারণ অভিজ্ঞতা। খেলার আগে ভাবা হয়েছে ব্রাজিল এই খেলায় জয়লাভের মধ্যে দিয়ে পরবর্তী রাউন্ডে চলে যাবে। তা আর হয়নি- এখন অপেক্ষা করতে হবে। মেক্সিকো তাদের লক্ষ্য অনুযায়ী ব্রাজিলের সঙ্গে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে বেজায় খুশি। দুনিয়াজুড়ে ব্রাজিলের অগণিত ভক্ত এবং সমর্থকরা মন খারাপ করেছেন। কিন্তু করার তো কিছু নেই। ব্রাজিলের তারকা খেলোয়াড়রা তো চেষ্টা করেছেন। কিন্তু বল তো জালে প্রবেশ করেনি। ভালো খেলেও গোল করতে পারেনি ব্রাজিল। সমর্থক এবং ভক্তদের সান্ত¡না ‘ব্যাডলাক’। রাশিয়ার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। আমাদের এশিয়ার প্রতিনিধি। যেটা আনন্দ দিয়েছে তাহলো দক্ষিণ কোরিয়া পুরো খেলায় লড়াই করেছে।

ফুটবল দলীয় খেলা। পুরোপুরি টিম গেম। এখানে দলগত বোঝাপড়া এবং সমন্বয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা প্রায়ই আবেগের বশবর্তী হয়ে ভাবি প্রিয় দলে অমুক অমুক তারকা আছেন আমাদের আর ধরতে পারবে কে! এই ধারণা সঠিক নয়। পর্তুগালের বিরুদ্ধে জার্মানি টিমগেম ছিল অসাধারণ। তারা মাঠে দেখিয়ে দিয়েছে কিভাবে দলকে দাপটের সঙ্গে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়। মাঠে জার্মানির এগারো জন খেলেছেন প্রাণ দিয়ে।
ফুটবলারদের বিরুদ্ধে ব্যক্তিকেন্দ্রিকতার অভিযোগ উঠেছে। জীবিকার জন্য সারা দুনিয়ার খেলোয়াড়রা বিভিন্ন লীগে খেলে থাকেন। প্রতিটি খেলায় নিজস্ব কৃতিত্ব দেখাতে পারলে তাদের দাম বাড়ে। এই ব্যক্তি কৃতিত্ব দেখনোর সবচেয়ে বড় অঙ্গন বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা। আর ব্যক্তি বড় হলে সমষ্টির খেলা ব্যাহত হতে বাধ্য। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তা কি দেখতে পাচ্ছি না।

ফুটবলে এসেছে অবিশ্বাস্য পরিবর্তন। এখনকার ফুটবল অনেক বেশি ক্ষিপ্রগতি, অনেক বেশি সৌন্দর্য ও অনেক বেশি কলাকৌশপূর্ণ। এখনকার খেলোয়াড়রা সাধনার মাধ্যমে দৈহিক সীমাবদ্ধতাও অতিক্রম করে যাচ্ছেন। টিম স্পিরিট জয়ের জন্য অনেক বেশি কার্যকর বলে প্রমাণিত হচ্ছে। যতদিন মানব সমাজ থাকবে ততদিন ব্যক্তিগত মেধা ও প্রতিভার আলাদা মূল্য অবশ্যই থাকবে। কিন্তু যতদিন মানব সমাজের উন্নয়নের প্রশ্ন উঠবে ততদিন সমষ্টিগত বোঝাপড়া এবং উদ্যোগের ভূমিকাও থাকবে। এজন্য একজন প্রতিভাবান খেলোয়াড় একটি দলকে জয়ী করতে পারে না। ফুটবল আমাদের সে শিক্ষাই দেয়। ফুটবলের উৎসবের রংয়ে নিজকে রাঙান।





Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

প্রবাসে অবহেলা সহ্য করা হবে না : প্রধানমন্ত্রী




বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিরা ‘অপমান ও অবহেলার’ শিকার হলে তা সহ্য করা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সপ্তাহ’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার দেশের মানুষ অন্য দেশে গিয়ে অবহেলার শিকার কিংবা অপমানিত হবেন, এটা অনেকে সহ্য করতে পারলেও আমি পারব না।
বিদেশে বাংলাদেশি নাগরিকদের কর্মক্ষেত্রে ‘উপার্জন ও মর্যাদা’ বৃদ্ধিতে কারিগরি শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, পাসের হারে প্রতিবেশী দেশের সমপর্যায়ে পৌঁছাতে হবে।

মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের প্রায় ৮৭ লাখ শ্রমিক কাজ করেন, যাদের অধিকাংশই কারিগরিভাবে ‘অদক্ষ’ শ্রমিক। তাই তাদের আয়ও তুলনামূলকভাবে কম। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ প্রসঙ্গ টেনে বলেন, একজন স্কুল মাস্টার, উনি হয়তো বিদেশে চলে গেছেন। কিন্তু উনাকে সেখানে গিয়ে কি কাজ করতে হচ্ছে? তাকে হয়তো দোকানির কাজ করতে হচ্ছে। অথবা আমাদের ছেলেদের দেখেছি, কোনো কোনো দেশে গিয়ে রাস্তায় ময়লা কুড়োচ্ছে।
এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের নানা ধরনের প্রশিক্ষণ ও কারিগরি শিক্ষার উদ্যোগের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, কিন্তু এখন প্রতিটি ক্ষেত্রে কে কোথায় যাবে, কোন ধরনের শিক্ষা নেবে, কী ধরনের ট্রেনিং দরকার- আমরা এখন সেগুলো দিয়ে দিচ্ছি।
তিনি বলেন, দক্ষতা নিয়ে যদি কেউ যায়, তাহলে অধিক অর্থ উপার্জন করতে পারবে, কর্মক্ষেত্রে তাদের একটা গুরুত্ব থাকবে। অবহেলার শিকার হবেন না, কেউ তাদের অবহেলা করতে পারবে না।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন মানবসম্পদের যথাযথ ব্যবহার করে বাংলাদেশকেও সুইজারল্যান্ডের মতো উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি বলেন, জাতির জনক সবসময় বলতেন, বাংলাদেশকে গড়ে তুলবেন প্রাচ্যের সুইজারল্যান্ড হিসেবে। সুইজারল্যান্ডই হচ্ছে পরিপূর্ণ, সব থেকে শান্তিপূর্ণ দেশ, সব থেকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী দেশ। তারাও ধীরে ধীরেই নিজেদের সেভাবে গড়ে তুলেছে। কাজেই আমরা সেভাবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারব। ভৌগোলিক দিক থেকে হয়তো আমাদের ভূখণ্ড এত বড় না, কিন্তু জনসংখ্যার দিক থেকে বিশাল। আমাদের দেশের এ মানুষগুলোকে যদি গড়ে তুলতে পারি তাহলে বাংলাদেশ কেন পিছিয়ে থাকবে? কেন অন্যের কাছে হাত পেতে চলবে? কেন আমরা নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারব না?

 তবে এজন্য শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে বলে মনে করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে। আমরা সবসময় বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষার ওপর গুরুত্ব আরোপ করি। অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রতি আগে আগ্রহ না থাকলেও সরকারের নানা ধরনের চেষ্টায় এ শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। গত পাঁচ বছরে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা আট গুণ বেড়েছে বলেও জানান তিনি।





Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

পদ্মা সেতু নির্মাণে চুক্তি সই



পদ্মা সেতু নির্মাণে চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি সই হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রুপসী বাংলা হোটেলে এই চুক্তি সই হয়। বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম এবং চায়না ব্রিজ কোম্পানির পক্ষে চেয়ারম্যান লিউ জি মিং স্বাক্ষর করেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী আ ফ ম মোস্তফা কামাল, অর্থ প্রতিমন্ত্রী এ এ মান্নান প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘অনেক দুস্তর আলো আঁধারির পথ পাড়ি দিয়ে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে আলোর মুখ দেখলো পদ্মা সেতু প্রকল্প। একসময় কেউ বিশ্বাস করে নি যে পদ্মা সেতু একদিন হবে। কিন্তু বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বের ফসল হিসেবে আগামী ২০১৮ সালে পদ্মা সেতুতে যানবাহন চলাচল করবে।’ মন্ত্রী বলেন, ‘এ চুক্তির ফলে পদ্মা সেতুর মূল কাজ বাস্তবায়ন অনেক দূর এগিয়ে গেল। আর্ন্তজাতিক দরপত্র নীতিমালা মেনেই এ চুক্তি সম্পাদন হয়েছে। পদ্মা সেতু নির্মাণে আশেপাশের উচ্ছেদ কাজ শুরু হয়েছে।’ এর আগে ২ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মাসেতুর কার্যাদেশে স্বাক্ষর করেন। এর ফলে ১২ হাজার একশ কোটি টাকায় পদ্মা সেতুর মূল কাঠামো নির্মাণের কাজ পায় চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড। সবচেয়ে কম দরদাতা হিসেবে এই কোম্পানিকে কার্যাদেশ দেয়া হয়।

উল্লেখ, ৯ হাজার ১৭২ দশমিক ১৭ কোটি টাকার প্রকল্পটির জন্য গত বছরের ২৬ জুন চারটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে দরপত্র আহ্বান করা হয়। এর মধ্যে চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড, ডেলিম এলএনটি জেভি এবং স্যামস্যাং সিএনটি করপোরেশন এ তিনটি প্রতিষ্ঠান দরপত্র ক্রয় করে। কিন্তু ২৪ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বেলা ৩টা পর্যন্ত পদ্মা বহুমুখি সেতুর জন্য কারিগরি দরপত্র জমা দেয়ার শেষ দিনে শুধু চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেডই দরপত্র জমা দেয়।




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.