Showing posts with label amazing. Show all posts
Showing posts with label amazing. Show all posts

নদীতে গোসল করলেই কঙ্কাল!




নদীর বহমান পানির দৃশ্য, সাঁতার কাটা অনেক মজার একটা অনুভূতি। শৈশবে নদীতে ঝাপিয়ে পড়ার অপরূপ স্মৃতি সত্যিই অনেক মজাদার।

আপনি কি কখনও ভেবেছেন যদি এমন হয় যে, নদীতে ডুব দিলেন আর ভেসে উঠে দেখলেন আপনার গায়ে কিছুই নেই। শুধু হাড়গুলোই অবশিষ্ট আছে। তাহলে ব্যাপারটা কেমন হবে?
অবাক করা হলেও সত্য স্পেনে এমন একটি নদী আছে, যেখানে ডুব দিলে কঙ্কাল হয়ে উঠতে হবে। এ নদীর পানি অত্যন্ত আম্লিক এবং ভারী ধাতু সমৃদ্ধ। এ কারণেই নদীটি অত্যন্ত ভয়ানক। এ নদীর কারণেই দেশটির অনেক গ্রাম স্থানান্তর করতে হয়েছে। এমনকি নদীটি বেশ কয়েকটি আস্ত পাহাড়ও গ্রাস করেছে।

নদীটি মাইন (রিও টিনটো) খননের সময় উৎপন্ন হয়েছে। এই মাইনটি ব্যাপ্তি এতোটাই ব্যাপক যে এর আশেপাশের গ্রামগুলোকে অন্যত্র সড়িয়ে ফেলতে হয়েছে। এই খননের প্যাটার্ন অর্থাৎ নদীটি এতোটাই দৃষ্টি নন্দিত যে দেখলে মনে হবে আপনি চাঁদে আছেন।









































Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

China opens world's biggest multi-pylon cable-stayed bridge


.







The world's biggest multi-pylon cable-stayed bridge opened to traffic in eastern China on Friday. The Jiaxing-Shaoxing bridge, which stretches 10km across the Hangzhou Bay in Zhejiang Province, took over four years to complete. The bridge cost around ¥6.4bn (£683m) and has now halved the three hour commute from Shaoxing to Shanghai

একজন বিমানবালার গোপন 'স্বীকারোক্তি'




জলজ্যান্ত বিশাল একটি বিমান স্রেফ গায়েব হয়ে গেলো। মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনসের বোয়িং ৭৭৭ বিমানের নিখোঁজ রহস্য এখনো উন্মোচিত হয়নি। কী ঘটেছিলো তা একমাত্র বিধাতাই বলতে পারেন। প্রতিনিয়ত আকাশ পাড়ি দিচ্ছে হাজার হাজার বিমান। তারা নিরাপদে পৌঁছে যাচ্ছে গন্তব্যে। কিন্তু ৩৫ হাজার ফুট ওপরে বিমানগুলোর মধ্যে আর কী কী ঘটে তার কোনো কাহিনী আমরা জানতে পারি না। অনেকের অভিজ্ঞতা থাকতে পারে। তবে এখানে একজন পেশাদার ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট তাঁর কর্মজীবনের অভিজ্ঞতার বয়ান করেছেন। তাঁর এই বয়ানকে ফক্স নিউজ শিরোনাম করেছে 'কনফেশনস অব এ ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট'।

ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট বিটি জানান, হাসি মুখে যাত্রীদের প্রয়োজন মেটানো এবং বিনিময়ে যাত্রীদের হাস্যোজ্জ্বল মুখ থেকে ধন্যবাদ পাওয়াটাই বাস্তবতা নয়। বিমান হারানোর ভয়ংকর ঘটনার পর থেকে যখন একটি ফ্লাইটের সব যাত্রী যখন দুশ্চিন্তা নিয়ে আকাশ পাড়ি দেন, তখন সেই পরিবেশে কাজ করা যে কতটা দুরূহ তা বলে বোঝানো যাবে না।
বিটি বলেন, বিমানে যাত্রী বলতে নেই কিন্তু তা পাড়ি দিয়েছে এমন ঘটনা বিরল। একটি স্টিল ট্রেতে করে খাবার নিয়ে দুই-একবার গুটিকয় যাত্রীর কাছে যাওয়া আর টেক অফের জন্য বসে থাকা। এ ধরনের ফ্লাইট কখন শেষ হবে তার অপেক্ষায় থাকতে হয়।
পরের অত্যাচারটি আসে বিমানের শব্দ বহুল হেডফোন থেকে। যাত্রীদের সঙ্গে কথোপকথনের বড় বাধা হেডফোন। একটি সাধারণ বিষয় বুঝতে এবং বোঝাতে ব্যাপক সময়ে প্রয়োজন হয়ে পড়ে। তার প্রশ্নের জবাব আমি দিচ্ছি, কিন্তু তিনি শুনছেন না। হয়তো লিপ রিডিং করতে পারেন তিনি। তাই বললাম, আপনার সিটটি কী আরেকটু হেলিয়ে দিতে হবে? জবাব এলো, ডায়েট কোক। চারদিকে হাসির রোল উঠল।

অনেক সময় নতুন ক্রুদের সঙ্গেও মজা করা হয়, বলতে থাকলেন বিটি। কিছু নতুন বিমানবালা নেওয়া হয়েছে। নতুনদের উদ্যম ভালো লাগে আমার। এরা প্রশিক্ষণে যা পেয়েছেন তা নিয়ে এখানে এসেছেন। বাকিটুকু শিখবেন এখানেই। কিছু ফ্লাইটের এয়ার টেস্ট করতে হয়। নতুনদের একজনকে ব্যাগ দিয়ে বললাম প্রথম শ্রেণী এবং ইকোনমি থেকে কিছুটা বাতাস ভরে আনুন। তারা বিপুল উদ্যমে বাতাস ভরে আনল। যখন আনল তখন সেগুলো ধরিয়ে দেওয়া হলো গেটম্যানের হাতে।

কিছু সময় আসে যখন পরিস্থিতি ভালো থাকে না। ইন্ডাস্ট্রির সবাই হতাশ। সেই সময়গুলোতেই যাত্রীদের অভিযোগের সীমা থাকে না। তেমন সময়ের একটি ফ্লাইটে বিমানে চড়ার আগে থেকেই শুরু হয়ে গেল যাত্রীদের অভিযোগ। বিটি বললেন, আমার মনে হলো বিমান উড়াল দিলে তাদের মনটা একটু ভালো করে দেওয়া জরুরি। তাই একটি দোকান থেকে কিছু চাবি দেওয়া খেলনা ইঁদুর কিনলাম। বিমান উড়াল দিল। যাত্রীদের অভিযোগ শুনতে শুনতে অস্থির হয়ে পড়লেন অ্যাটেনডেন্টরা। আমি চুপিসারে একটি ইঁদুর চেড়ে দিলাম তার পাশে। হঠাৎ খেয়াল করতেই সে চিৎকার দিয়ে লাফ দিল। ব্যস, সবাই হাসিতে ফেটে পড়লেন। এভাবে মাঝে মধ্যে আমি বাজে পরিবেশ ভালো করার চেষ্টা করি।

তবে কেউ একজন এই ইঁদুর থেরাপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন। এর পর থেকে আমি বিমানে ওঠার আগে আমার ব্যাগ চেক করা হতো।






Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ানোর উপায়




 বয়স হলে অনেক মানুষের স্মৃতিশক্তি কমতে থাকে। মানুষের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা ধরে রাখতে এবং বাড়িয়ে তুলতে নানা উপায় নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের গবেষণায় উঠে এসেছে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ানোর কিছু অব্যর্থ উপায়। এসব সমস্যা কমানো যায় মস্তিষ্কের নানা অনুশীলন, চর্চা ও সঠিক খাবারের মাধ্যমে। এসব উপায় নিয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে হাফিংটন পোস্ট।

১. শিখতে থাকুন
বহু গবেষণাতেই দেখা গেছে, শিক্ষা মানসিক কার্যক্ষমতা ধরে রাখে। এ তত্ত্ব অনুযায়ী মানুষ যত বেশি শিক্ষিত তার মানসিকতাও তত সমৃদ্ধ। আর এর ফলে মস্তিষ্কের অবসাদ আসতে তাদের মস্তিষ্ক তত বেশি বাধা দেয়। দেখা গেছে মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তি বিনাশী রোগ অ্যালঝেইমার্স উচ্চশিক্ষিত মানুষের মাঝে দেরিতে আক্রমণ করে। এ কারণে দেখা যায়, শিক্ষা যত বেশি হবে তত বেশি আপনার মস্তিষ্ক কার্যক্ষম থাকবে।

২. ক্রসওয়ার্ড করুন
আপনি যদি স্কুলে আবার ফিরতে না চান, তাহলেও মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা টিকিয়ে রাখার উপায় আছে। এ জন্য আপনাকে নিয়মিত ক্রসওয়ার্ডের সমাধান করতে হবে। তরুণ বয়সে আপনার শিক্ষা নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও বয়স হলে ক্রসওয়ার্ড হতে পারে আপনার জন্য উপযুক্ত সমাধান। এক গবেষণায় দেখা গেছে এ ধরনের ক্রসওয়ার্ড নিয়ে একটি দিন ব্যস্ত থাকলে সে কারণে দুই মাস পিছিয়ে যায় মস্তিষ্কের রোগ ডিম্যানশিয়া।

৩. নেতিবাচকতা বাদ দেওয়া
মন থেকে নেতিবাচকতা ত্যাগ করা হতে পারে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা ধরে রাখার অন্যতম উপায়। যখন কোনো একটি বিষয়ে মস্তিষ্ক উদ্বিগ্ন থাকে তখন মস্তিষ্ক তা গ্রহণ করে এবং সেভাবে প্রস্তুত হয়। এ কারণে নেতিবাচক চিন্তাগুলো মস্তিষ্কে স্থায়ী হয়ে যায়। ফলে মধ্যবয়সে হতে হয় স্মৃতিভ্রংশের শিকার। অন্যদিকে ইতিবাচক ও গঠনমূলক বিষয় নিয়ে চিন্তা মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

৪. নিজের ইন্দ্রীয়গুলো ব্যবহার করুন
মানুষের মস্তিষ্ক বিভিন্ন ইন্দ্রীয় থেকে গ্রহণকৃত তথ্য মনে রাখে। খুব ছোট আকারে হলেও কোনোকিছু দেখা, শোনা বা স্পর্শজনিত নানা তথ্য মনে রাখতে খুবই কার্যকর মানুষের মস্তিষ্ক। যেমন কোনো একটি ফুলের ছবির পাশাপাশি যদি তার গন্ধটাও গ্রহণ করা যায় তাহলে সে বিষয়টি মনে রাখতে খুবই সুবিধা হয়।

ভুলে যাওয়া রোধ ও মস্তিষ্কের শক্তি ধরে রাখার ৯টি অব্যর্থ উপায়

৫. সামাজিকতা
সামাজিকতা ও ভালো স্মৃতিশক্তির একটি পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে। অর্থাৎ ভালো স্মৃতিশক্তিধারীরা বেশি সামাজিক হয়। তবে এতে কোনটির অবদান বেশি তা নিয়ে সন্দেহ ছিল। তবে ২০০৮ সালের এক গবেষণায় দেখা যায়, যেসব অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি সামাজিকতায় তেমন অংশ নেন না, তাদের মস্তিষ্ক সামাজিকদের তুলনায় দ্বিগুণ হারে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। গবেষকরা জানাচ্ছেন, সামাজিকতা আমাদের মস্তিষ্কের উপকার করে। সামাজিকতার ফলে নিজের দিকে নজর দেওয়া, চাপ কমানো ও নিউরো হরমোন নিঃস্বরণে সহায়তা করে।

৬. একসঙ্গে অনেক কাজ (মাল্টিটাস্ক) বাদ দিন
আমরা অনেকেই একসঙ্গে অনেক কাজ (বা মাল্টিটাস্ক) করে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করার চেষ্টা করি। কিন্তু বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে মাল্টিটাস্ক বাস্তবে মানুষকে ধীর করে দেয়। এতে মনোযোগ বিক্ষিপ্ততা তৈরি হয়, যা সৃষ্টিশীলতার তুলনায় সমস্যাই বেশি তৈরি করে।

৭. স্পেসড ইন্টারভাল রিপিটিশন
আপনার যদি কোনোকিছু মনে রাখার প্রয়োজন হয় তাহলে এ পদ্ধতির সঙ্গে পরিচিত হতে পারেন। স্পেসড ইন্টারভাল রিপিটিশন (এসআইআর) নামে এ পদ্ধতিতে কোনো একটি বিষয় নির্দিষ্ট বিরতিতে অনুশীলন করা হয়। কোনো একটি বিষয় প্রাথমিকভাবে অনেক ধীরে ধীরে অনুশীলন করলেও পরে তা খুব দ্রুতগতিতে করা হয়। এ বিষয়ে বহু স্মার্টফোন অ্যাপও পাওয়া যায়।

৮. শারীরিক অনুশীলন করুন
মস্তিষ্কের দীর্ঘস্থায়ী কার্যকারিতার জন্য শারীরিক অনুশীলন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্ক ক্রমাগত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। আর এ পর্যায়কে বিলম্বিত করে শারীরিক অনুশীলন। শারীরিক অনুশীলনের ফলে মস্তিষ্কের রক্তপ্রবাহ বেড়ে যায় এবং নার্ভ সেল উৎপাদন বজায় রাখে। এমনকি ছয় মিনিটের শারীরিক অনুশীলনও মানুষের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

৯. সঠিক খাবার
মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতার সঙ্গে সঠিক খাবারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ইঁদুরের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে, বেশি চিনিসমৃদ্ধ খাবার দিলে তাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা হ্রাস পায়। এ ছাড়া ওজন বাড়লেও মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা হয়। অন্যদিকে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ খাবার যেমন স্যামন মাছ, আখরোট ও সয়াবিনসমৃদ্ধ খাবার মস্তিষ্কের অবনমন রোধ করে।




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

যে কারণে তেলাপিয়া মাছ খাওয়া উচিত নয় !!




মাছ হিসেবে তেলাপিয়া এখন খুবই জনপ্রিয়। এর কারণ হলো, এই মাছটি দামে সস্তা, রান্না করা সহজ এবং এর কাঁটা কম। তাই এখন ঘরে ঘরেই এই মাছ রান্না চলছে দেদার। কিন্তু, প্রকৃতপক্ষে এই মাছটি না খাওয়াই উত্তম। কারণ, মাছটি পরোক্ষভাবে নানা প্রাণঘাতী রোগের কারণ হতে পারে। চাহিদা বেশি বলে তেলাপিয়া এখন খামারে চাষ করা হয়।



একেকটা খামারে বিপুল মাছ চাষ করা হয়ে থাকে। কিন্তু, এদের খাবার হিসেবে বাজারের বিক্রি হওয়া কোনো মাছের খাবার দেওয়া হয় না। খাবার হিসেবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই যা দেওয়া হয় তা হলো, হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা। এই খাবার খেয়ে রোগজীবাণু শরীরে বয়ে বেড়ায় তেলাপিয়া। আর ওই খাবার খাওয়া এসব খামারের তেলাপিয়া খেলে হৃদরোগ, পক্ষাঘাত এমনকি হাপানিও হতে পারে। শুধু কি তাই, এসব তেলাপিয়া খাওয়া মানেই হার্ট অ্যাটাকের পথ সুগম করা।


এ ছাড়া এতে প্রোটিনের মাত্রা খুব কম থাকে। এদের শরীরে ডিবুটাইলিন নামের এক প্রকার কেমিক্যাল জমা হয়। আর এই ডিবুটাইলিন হাপানি, মেদ ও অ্যালার্জির জন্ম দিয়ে থাকে। এ ছাড়া এদের শরীরে ডাই-অক্সিন থাকে। আর মুক্ত পানির তেলাপিয়ার চেয়ে খামারের তেলাপিয়ার শরীরে এই ডাইঅক্সিনের মাত্রা ১১ গুণ বেশি থাকে।


এই প্রক্রিয়ায় চাষ করা রুই মাছ খাওয়ার ক্ষেত্রেও রয়েছে সতর্কবাণী। গবেষকরা বলেছেন, খামারে তেলাপিয়ার মতোই একই পদ্ধতিতে রুই মাছ চাষের ঘটনাও ঘটছে। আর ওই রুই মাছ মানবদেহে ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। যে কারণে গবেষকরা হোটেলে খাওয়ার সময় কিংবা বাজার থেকে কেনার সময় জিজ্ঞেস করে কিনতে বলেছেন যে, এটা কি মুক্ত পানির তেলাপিয়া নাকি খামারের।



Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

চোখের জন্য উপকারী কফি




যদি আপনি কফি খেতে খুব ভালোবাসেন তবে আপনার জন্য সুখবর। প্রতিদিন অন্তত এককাপ কফি খাওয়া চোখের জন্য উপকারী। খাদ্য বিশেষজ্ঞের মত অনুযায়ী, প্রতিদিন এককাপ কফি খেলে দৃষ্টিশক্তি প্রখর হয় ও চোখের ছানির সমস্যা দূর হয়। বেশি বয়সে ডায়াবেটিসের কারণে রেটিনার ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভবনা থাকে, কফি তা থেকেও বাঁচায়। এগুলি প্রত্যেকটি থেকে অন্ধ্যত্ব আসতে পারে।



কোরনেল বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য বিজ্ঞানের অধ্যাপক চাঙ্গ বাই লি জানিয়েছেন, কাঁচা কফিতে এক শতাংশ ক্যাফেন থাকে এবং সাত থেকে নয় শতাংশ ক্লোরোজেনিক অম্ল থাকে যা চোখের রেটিনা কে বাঁচাতে একটি মজবুত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তিনি জানিয়েছেন, কফি বিশ্বের একটি অন্যতম লোকপ্রিয় পানীয় এবং এটি অবশ্যই স্বাস্থ্যবর্ধক হতে পারে।



লি জানিয়েছেন, এর আগের গবেষণা থেকে জানা গিয়েছিল যে, কফি প্রোস্টেট ক্যানসার, ডায়াবেটিস, অ্যালজাইমার, ও বার্ধক্যজনিত রোগের থেকে বাঁচতে সাহায্য করে। তবে এবার এটাই প্রমাণ করা গলে যে এটি চোখকেও সুস্থ রাখতে সক্ষম। সম্প্রতি এই গবেষণাটি জার্নাল অফ অগ্লিকালচার অ্যান্ড ফুড কেমিস্ট্রি-তে প্রকাশিত হয়েছে।




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

বিখ্যাতদের অঙ্গ (আইনস্টাইনের মৃত্যুর এক ঘণ্টার মধ্যেই তার মস্তিষ্কটি দেহ থেকে আলাদা করে নেয়া হয়)




আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক: আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক সম্ভবত বিশ শতকের সবচেয়ে বিখ্যাত মানব অঙ্গ। আইনস্টাইনের মস্তিষ্ককে জিনিয়াস শব্দটির সমার্থক ধরা হয় এবং তার মস্তিষ্ক নিউরোসায়েন্টিস্টদের আগ্রহের অন্যতম বিষয়। আইনস্টাইনের মৃত্যুর এক ঘণ্টার মধ্যেই তার মস্তিষ্কটি দেহ থেকে আলাদা করে নেয়া হয়। প্রাথমিক গবেষণায় আইনস্টাইনের মস্তিষ্কের সঙ্গে সাধারণ মানুষের মস্তিষ্কের বেশকিছু উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া গেছে। প্রাথমিক গবেষণার পরপরই মস্তিষ্কটি হারিয়ে যায়। মস্তিষ্কের বেশকিছু টুকরো পরবর্তী সময়ে গবেষকদের গবেষণার জন্য দেয়া হলেও এর মূল অংশটি রয়ে যায় সেই চিকিৎসকের কাছে, যিনি আইনস্টাইনের শরীর থেকে এটি আলাদা করেছিলেন। আইনস্টাইনের মস্তিষ্কের এই ভ্রমণ নিয়ে বেশ কয়েকটি ডকুমেন্টারি ফিল্ম তৈরি হয়েছে। আইনস্টাইন যেন বর্তমান যুগের সে রকমই কোনো এক সাধু-সন্ত।



গ্যালিলিওর আঙ্গুল: ‘পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে’-এই বিশ্বাসটি পরিত্যাগ না করায় গ্যালিলিওকে ভোগ করতে হয়েছিল অনেক কষ্ট। শাস্তি হিসেবে চার্চ কর্তৃক তাকে গৃহবন্দিও করে রাখা হয়েছিল। মৃত্যুর পর তাকে সমাহিত করা হয়েছিল একটি সাধারণ সমাধিতে। পরবর্তী প্রজন্ম যখন তার গুরুত্ব অনুধাবন করে তখন তার মরদেহ একটি অভিজাত, জাঁকালো সমাধিতে স্থানান্তর করা হয়। মরদেহ স্থানান্তরের সময় তার অনুসারীরা গ্যালিলিওর ডান হাতের মাঝের আঙ্গুলটি রেখে দেন স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে। ফ্লোরেন্সে অবস্থিত ‘মিউজিয়াম অব হিস্ট্রি অ্যান্ড সায়েন্স’-এ আঙ্গুলটি এখন সংরক্ষিত আছে। গ্যালিলিও’র এই সংরক্ষিত আঙ্গুল চার্চ কর্তৃপক্ষের ভুলের প্রতীকী প্রতিবাদ বলে অনেকে মনে করেন। যদিও পরবর্তী সময়ে চার্চ কর্তৃপক্ষ তাদের কৃতকর্মের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে, হ রেহ্নুমা তারান্নুম।



ক্রমওয়েলের মাথা: আদালতের রায়ে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি যদি জীবিত না থাকে তবে সেই ব্যক্তির মরদেহ বিচারের জন্য আদালতে হাজির করার নিয়ম ছিল এক সময়। রাজা দ্বিতীয় চার্লসের রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর অলিভার ক্রমওয়েলের মৃতদেহ তোলা হয় এবং দ্বিতীয় চার্লসের পূর্বপুরুষ ও পিতা প্রথম চার্লসের মৃত্যু পরোয়ানায় দস্তখত করার জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়। শাস্তি হিসেবে ক্রমওয়েলের মৃতদেহ জনসমক্ষে ঝুলিয়ে মাথাটি কেটে নেয়া হয় এবং সেই কর্তিত মাথা ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে প্রদর্শনের জন্য রাখা হয়। এই কর্তিত মস্তকে নিয়ম করে আলকাতরা মাখা হতো, যাতে এটি দীর্ঘদিন প্রদর্শন করা যায় এবং দেখানো যায় যে, ক্রমওয়েলের কী শাস্তি হয়েছিল। একবার ঝড়ে মাথাটি স্থানচ্যুত হলে এক প্রহরী এটি চুরি করে নেয়।



বেন্থামের মাথা: জেরেমি বেন্থামের উইল অনুযায়ী তার মৃতদেহ অ্যানাটমি ক্লাসে ব্যবচ্ছেদের জন্য দান করা হয়। পরবর্তী সময় তার কঙ্কাল ও মাথাটি ‘অটো আইকন’ নামে একটি কাঠের ক্যাবিনেটে সংরক্ষণ করে রাখা হয়। ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনে স্থাপিত অটো আইকনে সংরক্ষিত বেন্থামের কঙ্কালটিকে পরিয়ে রাখা হয় বেন্থামেরই পোশাক। বেন্থামের ইচ্ছা ছিল মৃত্যুর পর তার শারীরিক উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য অটো আইকনে তার মমিকৃত মাথাটি রাখা হবে।


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

ব্রাজিলের ১০ লাখ যৌনকর্মী বিশ্বকাপ উপলক্ষে প্রস্তুতি নিচ্ছে




আসন্ন বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে ব্রাজিলের যৌনকর্মীরা খদ্দের ধরার জন্য নানাভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে। এজন্য তারা এবার নিজস্ব প্রস্তুতির পাশাপাশি ইংরেজি ভাষা শিক্ষা নিচ্ছে। এ ছাড়াও রাখা হছে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধের ব্যবস্থা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট।

সূত্র জানিয়েছে, ব্রাজিলে রয়েছে বেশ কিছু লাইসেন্সকৃত পতিতালয়। সেগুলো ছাড়াও দেশটিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অসংখ্য ভ্রাম্যমাণ যৌনকর্মী। আর এবারের বিশ্বকাপ উপলক্ষে তারা সবাই এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।

ব্রাজিলের একটি শহর বেলো হরাইজনেট। সেখানে ইংল্যান্ড দলের ফাইনাল গ্রুপ ম্যাচ হবে। আর এ শহরটিতে সমাগম হবে ইংল্যান্ডের বহু ক্রিকেটানুরাগির। সে শহরটিতে অর্থের বিনিময়ে তাদের সেবা করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন অসংখ্য যৌনকর্মী। শহরটির কেন্দ্রস্থলে রয়েছে ২৩টি পতিতালয়। এগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বিভিন্ন অলি-গলিতে। এ ছাড়াও রয়েছে সংলগ্ন নাইটক্লাব।



বিশ্বকাপ উপলক্ষে প্রায় সব পতিতালয়ই সাজানো হচ্ছে নতুন করে। কিছু পতিতালয়ে টাঙ্গানো হয়েছে আবেদনময়ী যৌনকর্মীদের ছবি। কোথাও নতুন করে লাগানো হয়েছে স্বাস্থ্য বিষয়ক সতর্কতা ও ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগের ঠিকানা। বিভিন্ন যৌন রোগ সম্বন্ধেও ঝুলানো হয়েছে সতর্ক বার্তা। এছাড়া বিদেশিরা যেন সহজেই তাদের বিল পরিশোধ করতে পারেন সেজন্য ক্রেডিট কার্ড থেকে অর্থ পরিশোধের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়াও প্রচুর যৌনকর্মী রাস্তায় ঘুরছেন। খদ্দেররা তাদের হোটেলে নিয়ে যাবেন বলেই অপেক্ষা করছেন তারা।


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

প্রাচীন পৃথিবীতে এলিয়েন আগমনের ছবি সহ বিতর্কিত কিছু প্রমাণ


বর্তমান যুগ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগ। প্রতিদিনই বিজ্ঞান যেভাবে এগিয়ে চলেছে সেরকম ইতিহাসে আর কখনোই হয় নি। কিন্তু তারপরও এই পৃথিবীর বুকেই এরকম অনেক জিনিস বা ঘটনা আছে যেগুলোর কোন যুক্তিসংগত ব্যাখ্যা বিজ্ঞানীদের কাছে নেই। সেরকমই কিছু যুক্তির বাইরের জিনিস নিয়ে এ আয়োজন ।



আজকের আয়োজনে তুলে ধরা হলো এমন কিছু প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের কথা, যেগুলো নিশ্চিতভাবেই প্রমাণ দেয় প্রাচীন পৃথিবীতে ভিনগ্রহবাসী প্রাণীদের আগমনের। তালিকায় আছে প্রাচীন রকেট হতে শুরু করে প্রাচীন মহাকাশচারী মূর্তি, এমনকি এলিয়েনের মমি পর্যন্ত! পৃথিবী জুড়ে বিজ্ঞানীদের বড় একটা অংশ প্রতিনিয়ত মাথা ঘামিয়ে যাচ্ছেন এসব নিয়ে। এখন পর্যন্ত আবিষ্কার করতে পারেন নি গ্রহণযোগ্য কোনো ব্যাখ্যা। সব কিছু একটি দিকেই নির্দেশ করে- এলিয়েনরা এসেছিল, প্রাচীন মানুষদের সাথে অত্যন্ত ভালো যোগাযোগ ছিল তাদের!



(১)মমিটি কি এলিয়েনের?



























প্রচ্ছদে যে মমিটির ছবিটি দেখছেন সেটা পাওয়া যায় মিশরের লাহুনে। অদ্ভুত আকৃতির এই মমিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ থেকে ১৬০ সেন্টিমিটার। এটা দ্বিতীয় সিনুসরেটের রাজত্বকালের সময়কার হতে পারে বলে ধারণা করছেন প্রত্নতত্ত্ববিদরা। মমিটির বয়স প্রায় ২০০০ বছর। কিন্তু এটা কি মানুষ? নাকি এলিয়েন? এই প্রশ্নের সদুত্তর এখনো জানা নেই কারো।



(২)১১০২ সালের মহাশূন্যচারী!





































স্পেনের সালামানকা শহরে একটি গির্জা নির্মিত হয় ১১০২ সালে। সেই হিসেবে এটাকে বিশ্বের প্রাচীন স্থাপনাগুলোর একটি হিসেবে ধরা যায়। গির্জার পাথরের দেয়াল খোদাই করে নানা রকম সুন্দর নকশা আঁকা হয়েছিল। কিন্তু এর মাঝেই খুব অদ্ভুত এক নকশা যে কাউকে চমকে দেবে। নকশাটি হচ্ছে একজন মহাশূন্যচারীর! আরো অদ্ভুত বিষয় হচ্ছে, এই মহাশূন্যচারীর আপাদমস্তক আধুনিক মহাশূন্যচারীদের পোশাকের মত পোশাকে ঢাকা। এমনকি পায়ের জুতোর তলা পর্যন্ত। কেউ জানে ১২শ শতাব্দীর একটি গির্জার দেয়ালে বিংশ শতাব্দীর নভোচারীর নকশা কিভাবে এলো?



(৩) নাজকা লাইনের অদ্ভুত নকশা







































পেরুর নাজকা লাইনের এই ছবিটি দেখুন। দুজন মানুষ যেন আকাশ থেকে নেমে আসা কোন ভিনগ্রহের যানের প্রতি সম্মান জানাচ্ছে। আসলেই কি তাই?



(৪) ২৫০০ বছর আগের রকেট!



























তুরস্কের ইস্তানবুলে পাওয়া যাওয়া প্রাচীন এ নিদর্শন কি প্রাচীন যুগের এক
আসন বিশিষ্ট মহাশূন্যযান বা স্পেস-শিপের নিদর্শন? ইস্তানবুলের
প্রত্নতাত্ত্বিক যাদুঘরে বহুদিন যাবৎ এ নিদর্শনটিকে খুঁজে পাওয়া যায় নি।
এটাকে টপরাক্কেল শহর থেকে উদ্ধার করা হয়। ২৫০০ বছর আগে উরারটু শাসনামলে এ
শহরটি টুস্পা নামে পরিচিত ছিল। যাদুঘরের তত্ত্বাবধানকারী এটাকে ‘ভুয়া’ মনে
করেন। কারণ উরারটু যুগের অন্য প্রাচীন নিদর্শনের সাথে এটার মিল নেই। তার
উপর এটা দেখতে মহাশূন্যযানের মত!



(৫)বাল্টিক সাগরের নিচে এই জিনিসটি কি?





























২০১১ সাল। বাল্টিক সাগরের একদম নিচে ‘ভিন্ন গ্রহের যান” এর মত দেখতে একটি
অদ্ভুত জিনিস পাওয়া যায়। এটা বহু মানুষের মনে প্রশ্নের উদ্রেক করে। কেউই
বুঝতে পারছিলেন না জিনিসটি কি। সুইডেনের গবেষকরা সমুদ্রে গভীরে অভিযান
চালান কিন্তু সেটা আরো বিতর্কের সূত্রপাত ঘটায়। কারণ, এ জিনিসটি ৩০০ মিটার
লম্বা একটি দাগের শেষ প্রান্তে ছিল, যেটা দেখে মনে হয় এই রহস্যময় জিনিসটি
এতটকু পথ অতিক্রম করে এখানে এসেছে থেমেছে। বেশির ভাগ বিজ্ঞানীর ধারণা এটা
ক্রাশ ল্যান্ড করা একটি স্পেসশীপ!





Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

ইহুদিবাদী পুরোহিতের হাতে পোপের চুমু: খ্রিস্টানদের তীব্র ক্ষোভ


ক্যাথলিক খ্রিস্টান বিশ্বের প্রধান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস শীর্ষস্থানীয় ইহুদিবাদী পুরোহিতের হাতে চুমু খাচ্ছেন-এমন ছবি প্রকাশিত হওয়ার পর ক্যাথলিক ও অর্থোডক্স খ্রিস্টানরা পোপের এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দায় সোচ্চার হয়েছে।



খ্রিস্টানরা ইন্টারনেট-ভিত্তিক সামাজিক নেটওয়ার্কগুলোতে পোপের এই পদক্ষেপকে অশোভনীয় পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেছেন।



সম্প্রতি অধিকৃত ফিলিস্তিন সফরের সময় পোপ ফ্রান্সিস এক শীর্ষস্থানীয় ইহুদি পুরোহিতের দুই হাতে চুমু খান। আর অনেক খ্রিস্টান এ ঘটনার ব্যাপারে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে বলেছেন: এটা খ্রিস্টানদের জন্য লজ্জাজনক ও মাথা নতজানু করার মত ঘটনা।



ফ্রান্সিস নিজেকে বিশ্বে ‘শান্তি’র গুরু বলে দাবি করা সত্ত্বেও দখলদার ইহুদিবাদি ও শিশু হত্যাকারী শিমন পেরেজের সঙ্গে থেকে অধিকৃত ফিলিস্তিনে একটি অলিভ বা জলপাই গাছ রোপণ করেছেন। তিনি এমন সময় শান্তির প্রতীক হিসেবে এই  চারাগাছ রোপণের মাধ্যমে মজলুম ফিলিস্তিনি জাতিকে পরিহাস করেছেন যখন ইহুদিবাদী দখলদাররা মুসলমানদের প্রথম কিবলার শহর বায়তুল মুকাদ্দাস অঞ্চলসহ ফিলিস্তিনের নানা অঞ্চলে জবরদখলের প্রথম দিন থেকে এ পর্যন্ত প্রায় প্রতিদিনই ফিলিস্তিনিদেরকে তাদের মাতৃভূমি থেকে বিতাড়িত করার অন্যতম পন্থা হিসেবে তাদেরই জয়তুন বাগানগুলো ধ্বংস করে আসছে!



জর্জ মারিও বোর্গোগলিও থেকে পোপ ফ্রান্সিস



জর্জ মারিও বোর্গোগলিও তথা পোপ ফ্রান্সিস জন্মগ্রহণ করেছেন আর্জেন্টিনার বুয়েন্স আয়ার্সে। খ্রিস্ট ধর্ম তাত্ত্বিক স্কুলে পড়াশুনার আগে তিনি ছিলেন একজন কেমিক্যাল টেকনিশিয়ান এবং বেশ কিছুকাল নাইট ক্লাবেও সক্রিয় সদস্য! পাদ্রি হিসেবে তৎপরতা শুরু করেন ১৯৬৯ সালে ৩৪ বছর বয়সে। আর্জেন্টিনার সামরিক শাসকদের সহযোগী হিসেবে তিনি নাগরিকদের অপহরণ ও তাদের নির্যাতনের মত মারাত্মক অপরাধেও জড়িত ছিলেন।



ব্রিটেনের ‘দ্য মেইল অন সানডে’ নামক ম্যাগাজিন এ সম্পর্কে জানিয়েছে, জর্জ মারিও বোর্গোগলিও ১৯৭৬ সন থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত আর্জেন্টিনার সেনা-শাসনামলে নির্যাতন, অপহরণ ও অন্যান্য সংঘবদ্ধ অপরাধযজ্ঞে জড়িত ছিলেন এবং এইসব অপরাধের শরিক হিসেবে তারা বিরুদ্ধে আদালতে মামলাও দায়ের করা হয়েছে।



বেনিডিক্টের পরিবর্তে ফ্রান্সিস





বিশ্বব্যাপী পাদ্রিদের নানা ধরণের যৌন কেলেঙ্কারি ফাঁস হওয়া ও এইসব কেলেঙ্কারি ধামাচাপা দেয়ার ঘটনায় নিজের ভূমিকার বিষয়টিও ফাঁস হয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে পোপ ষোড়শ বেনিডিক্ট পদত্যাগ করায় কার্ডিনালরাও যারপরনাই বিস্মিত হয়েছিলেন; এমনকি তাদের অনেকেই ক্রুদ্ধ হয়েছিলেন। ২৬৫ তম পোপের পদত্যাগ যে গির্জার অবিবাহিত পাদ্রিদের লাগামহীন যৌন লালসার পরিণতি ছিল তা এখন প্রায় সবার কাছেই স্পষ্ট।



পাশ্চাত্যের কোনো কোনো দেশে ক্রমবর্ধমান ধর্মহীনতা বা স্যেকুলারাইজেশনের প্রেক্ষাপটে ষোড়শ বেনিডিক্ট মানবীয় মূল্যবোধ ফিরিয়ে আনার জন্য বড় বড় বক্তৃতা দিতেন। কিন্তু বাস্তবে তারা সহযোগীরাই মানবীয় মূল্যবোধ রক্ষা করতে ব্যর্থ হওয়ায় এই ব্যর্থতার দায় কাঁধে নিয়ে খ্রিস্টান বিশ্বের ধর্মগুরুর পদ ছেড়ে দেয়াকেই যথাযথ ভেবেছেন বেনিডিক্ট। কিন্তু ফ্রান্সিস ধর্মীয় নৈতিকতা রক্ষার সেই অবস্থানেও বিশ্বাসী ছিলেন না। তিনি এ সম্পর্কে খুব কমই কথা বলেছেন ও খুব কমই রক্ষণশীল নীতি গ্রহণ করেছেন। পোপ হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার কয়েক দিন পরই নৈতিক চরিত্র বিষয়ে তার অপ্রত্যাশিত অবস্থান পোপ পদে তার উন্নীত হওয়ার নেপথ্যের রহস্যটি প্রকাশ করে দেয়।



সমকামীদের প্রিয় বছরের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব পোপ ফ্রান্সিস !!



পোপ একাধারে যেমন ‘টাইম’-এর ‘ম্যান অব দ্য ইয়ার’ তেমনি তিনি ‘ম্যান অব দ্য হোমোসেক্সুয়াল’ও বটে!!!



কারণ পোপ হওয়ার পর ফ্রান্সিস বলেছেন, কোনো সমকামী যদি সৎ নিয়ত নিয়ে স্রস্টা বা ঈশ্বরকে চায় তাহলে তার বিষয়ে বিচার-বিবেচনা করার অধিকার আমার নেই! পাদ্রিদের সমকামীতা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে ব্রাজিল থেকে রোম সফরের সময় তিনি এই জবাবই দিয়েছিলেন। সমকামীদের বছর হিসেবে ঘোষিত বছরটিতে ফ্রান্সিসের এই ঘোষণা থেকেই বোঝা যায় কেন তাকে পোপের পদে বসানো হয়েছে। বিশ্বব্যাপী সমকামীতাকে বৈধতা দেয়া, বিশেষ করে ধর্মীয় অঙ্গনেও একে বৈধতা দেয়ার জন্য ফ্রান্সিসের চেয়ে যোগ্য আর কে হতে পারেন?



নীতিবাদী খ্রিস্টানরা মনে করেন খ্রিস্ট ধর্মের কথিত মূল্যবোধ ও নীতি-নৈতিকতার সঙ্গে ফ্রান্সিসের পরিহাস এখানেই শেষ হয়নি। ফ্রান্সিস বলেছেন, “খ্রিস্ট ধর্মের অনেক শিক্ষাই সেকেলে হিসেবে রহিত হয়ে গেছে, তাই এইসব নীতির ব্যাপারে নতুন করে ভাবতে হবে!”



“গির্জা কোনো কোনো নৈতিক বিষয়ে সঠিক আচরণ করেনি। তাই এখন সে বিচারকের পদটি ছেড়ে দিয়ে নিজের হাত উদার চিত্তে সবার দিকে বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন সমকামী, বহুকামী, লিবারেলিস্ট, রক্ষণশীল, (নাস্তিক্যবাদী) কমিউনিস্ট  ও গর্ভপাতের সমর্থকরাও পোপের আশীর্বাদ পাবেন! কারণ, এরা সবাই প্রভুকে ভালবাসেন এবং  আমাদের সবাইকে একই প্রভুর উপাসনা করতে হবে।”



ফ্রান্সিস আরো বলেছেন: “ক্যাথলিক গির্জা এখন আর জাহান্নাম বা নরকে বিশ্বাস করে না। কারণ, বিষয়টি প্রভুর প্রেমের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং আদম ও হাওয়ার ঘটনা কল্পকাহিনী ছাড়া আর কিছুই নয়। ... আমরা চিন্তা ও প্রার্থনার মাধ্যমে কিছু নতুন বিশ্বাস অর্জন করেছি। এ ছাড়াও স্রস্টা বিচারক নন, বরং তিনি মানবজাতির বন্ধু মাত্র ... কারো বিচার করার ইচ্ছা প্রভুর নেই! নরক আসলে মানুষের আত্মার একাকীত্বের অর্থবোধক রূপক শব্দ মাত্র।”



ফ্রি ম্যাশনারি চক্রের মত আন্তর্জাতিক কিছু নেটওয়ার্ক বিংশ শতকের শুরুর দিকে  ধর্মগুলোকে ধর্মনিরপেক্ষ করাসহ মানুষের মধ্যে ধর্মনিরপেক্ষতা বা ধর্মহীনতা ছড়িয়ে দেয়ার জন্য গোপন কর্মসূচি নিয়েছিল। এখন দেখা যাচ্ছে খ্রিস্টিয় সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান পোপ পর্যন্ত ইহুদি ধর্মের সমর্থক হওয়ার দাবিদার  তথা ইহুদি ধর্মের বেশভূষাধারী ধর্মনিরপেক্ষ জায়োনিস্ট বা ইহুদিবাদীদের সমর্থন করছেন এবং  খ্রিস্ট ধর্মের বিশ্বাসগুলোকে বিকৃত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।



ইতিহাস-সচেতন একদল বিশ্লেষক মনে করেন, যুগে যুগে শয়তানপূজারী একটি প্রভাবশালী মহল ধর্মগুলোর প্রকৃত রূপ বিকৃত করার জন্য নানা আধ্যাত্মিক মতবাদ চালু করেছে। এ জন্য তারা প্রাচ্যের বৌদ্ধ-থিওসফিস্ট কার্যক্রমকেও ব্যবহার করছে যাতে তথাকথিত ইহুদিবাদী পুঁজিপতি শয়তানপূজারী চক্রের কর্তৃত্ব বিশ্বব্যাপী জোরদার হয়।



কার অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন পোপ?



জাতিসংঘ বর্তমানে ‘সামাজিক সহাবস্থান ও শান্তি শিক্ষা’ শীর্ষক কর্মসূচি নিয়ে তিনটি ঐশী ধর্মের মধ্যে বিরোধ মীমাংসার কাজ শুরু করেছে। কিন্তু এ জন্য ধর্মীয় আইনের কিছু নীতিমালা যা সমকামিতার মত পারিবারিক মূল্যবোধ বিরোধী তৎপরতার নিন্দা জানায় তা উচ্ছেদের পদক্ষেপ নিয়েছে এই বিশ্বসংস্থা। পোপের পক্ষ থেকে নরঘাতক ইহুদিবাদী ও সমকামীসহ ধর্মবিরোধী নানা গোষ্ঠীর প্রতি সমর্থন আসলে ধর্মের নামে বিশ্বকে ধর্মহীন করারই ষড়যন্ত্রের অংশ।



ধর্মীয় সফর না রাজনৈতিক সফর?



পোপ টুইটারে নিজের বার্তায় বলেছিলেন তিনি এক ধর্মীয় সফরে জেরুজালেম বা বায়তুল মুকাদ্দাস শহরে যাচ্ছেন। আর এ জন্য তিনি অনুসারীদের দোয়াও চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি সেখানে দেখা করেছেন ফিলিস্তিনিদের ওপর গণহত্যার পরিচালক নেতানিয়াহুর সঙ্গে এবং ইহুদিদের মতই তাদের প্রথা অনুযায়ী উপাসনা করেছেন। পোপ ইহুদিদের কুসংস্কারের অনুসরণ করে তাদের কথিত পবিত্র দেয়ালের ভেতরে একটি লিখিত কাগজ গোপন করেছেন!



এ ছাড়াও কথিত ধর্মীয় সফরের নামে অধিকৃত ফিলিস্তিনে গিয়ে পোপ বিতর্কিত হলোকাস্ট স্মৃতি-চিহ্ন পরিদর্শন করেন ও সেখানে প্রার্থনাও করেন! এই প্রথম খ্রিস্টান জগতের কোনো পোপ বিতর্কিত হলোকাস্ট জাদুঘর বা স্মৃতি-চিহ্ন  পরিদর্শন করেছেন এবং উনবিংশ শতকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ইহুদি ধর্মকে ব্যবহারের পথিকৃৎ তথা ইহুদিবাদের ভিত্তিতে অবৈধ ইসরাইল প্রতিষ্ঠার রূপকার থিওডোর হার্ৎজেলের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন ও তার প্রশংসা করেছেন! তিনি কথিত শান্তি আলোচনা আবারও শুরু করতে নেতানিয়াহু ও ফিলিস্তিনি নেতা মাহমুদ আব্বাসকে  আগামী মাসে ভ্যাটিকানে আসার আমন্ত্রণও জানিয়েছেন।



আমেরিকার মধ্যস্থতায় শুরু-হওয়া ফিলিস্তিন ও ইসরাইলের মধ্যে মৃতপ্রায় আলোচনা গত মাসে পুরোপুরি ভেঙ্গে যায়। ইসরাইল মুসলমানদের প্রথম কিবলা দখলে রাখাসহ অবৈধ ইহুদি বসতি বিস্তার অব্যাহত রাখার ওপর জোর দিচ্ছে। এ ছাড়াও তেলআবিব ফিলিস্তিনিদের ওপর দমন-পীড়ন অব্যাহত রাখায় এবং ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের ফিরে আসার দাবি নাকচ করে আসায় আপোষ আলোচনায় অচলাবস্থা দেখা দেয়।





(তেহরান রেডিও/এসএ/২৯)




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

সাপ দিয়ে শরীর মালিশ




শরীর মালিশ শুনলেই কেমন যেন একটা শান্তির বাতাস বয়ে যায় শরীর দিয়ে। আর সারা দিন পরিশ্রমের পরে যদি হালকা গরম তেল দিয়ে একটু মালিস করিয়ে নেওয়া যায় তাহলে তার জুড়ি মেলা দায়। আমাদের দেশে কিছু বড় বড় পার্লারে এরকম মালিশের ব্যাবস্থা থাকলেও রাস্তার মোড়ে মোড়ে থাকা সেলুনের একটু মালিশ কিন্তু বেজায় মন্দো না। বেশ ভালই লাগে কি বলেন? যা হোক এখন মূল কথায় ফেরা যাক। আজকের লেখাটাও শরীর মালিশ নিয়ে তবে একটু ভিন্ন রকম বা ভয়ংকর বললেও ভূল হবে না। 

দক্ষিন ইসরাইলের একটি ছোট গ্রাম "তালমা ইলাজার", আর এই ছোট গ্রামের একটি ছোট শরীর মালিশ পার্লার যার নাম "ফার্ম কার্নিভার্স প্লান্টস"। কিন্তু সবাই এখানে যাবার সাহস পায় না!! কেন ভাবছেন?? কারন এই পার্লারে শরীর মালিশ কোন মানুষ করে না, করে "সাপ"। এখানে শরীর মালিশের জন্য ব্যাবহার করা হয় কিছু নিরিহ প্রজাতির সাপ বা বলা যায় যে সকল সাপের বিষ নেই। আর এই সব সাপের মধ্যে রয়েছে, কিং সাপ, দুধ সাপ আর স্পটেট সাপ। সাপ যতই নিরীহ হোক না কেন, এই মালিশ পার্লারে যাওয়ার আগে শুধু যে সাপের ভয় দূর করতে হবে তাই না একই সাথে সাপদের প্রতি ঘৃনাবোধ এবং নোংরা বোধটাও আপনাকে ঝেড়ে ফেলতে হবে। কেননা মালিশ করার সময় সাপেরাতো আর আপনাকে জামা কাপড় পরিয়ে মালিশ করিয়ে দিবে না। 

 এবার আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব এই মালিশ পার্লারের মালিকের সাথে। এনার নাম "আডা বারাক"। উনি এই পার্লারের একমাত্র মালিক। এমন কি এই উপায়ে শরীর মালিশ করার পদ্ধতিও তার আবিস্কার করা। এটা তিনি আবিস্কার করেন অনেকটা নিজের অজান্তে। তার নিজের পোষা একটি সাপ তার পিঠে উঠে যায় এবং তিনি অনুভব করেন যে এটা অন্যরকম এক আনন্দের মালিশ। আর এখান থেকেই তার মাথায় চলে আসে এই বুদ্ধি আর কি ছোট খাট একটা সাপের খামার খুলে বসেন আর সাথে পার্লার। এ নিয়ে আডা বলেন, "তাকে অনেকেই বলেছে সাপ দিয়ে শরীর মালিশ সত্যিই এক অন্য রকম অনুভূতি।"    যদিও আডার দাবি এই পদ্ধতির আবিস্কারক তিনি, কিন্তু একটু ইতিহাসে গেলেই দেখা যাবে সাপের সাহায্যে এরকম শরীর মালিশ বেশ পুরাতন প্রথা। বিষেশ করে যে সকল জাতি সাপের পূজা আর্চনা করত।

আডা এর ভাষ্য মতে, লম্বা সাপ গুলি একটু বেশী কার্যকর। সাপ যত বড় হবে তত ভাল নাকি কাজ করবে এটি। এই পার্লারের যে শুধু মাত্র এই কারনে নাম করেছে তা নয়, আরেকটি কারনেও এই পার্লার বেশ বিক্ষাত আর তা হল এর সংরক্ষনে থাকা বেশ কয়েকটি দূর্লভ প্রজাতির মাংসাশী গাছ। এখানে গেলে আপনি চাইলে নিজ হাতে এই সব মাংসাশী গাছদের খাওয়াতেও পারবেন। সেই ব্যাবস্থাও রেখেছেন আডা। কি ভাবছেন কোন পাগলে যাবে সাপ দিয়ে শরীর মালিশ করতে?? ভাবতেই পারেন কিন্তু বাস্তবতা হল এটি বর্তমানে দক্ষিন ইসরাইলের একটি নাম করা পর্যটন কেন্দ্রে পরিনত হয়েছে। বিদেশ থেকে আসা অনেক পর্যটন যেমন আসে এখানে তেমনি দেশি লোকের অভাব পরে না। আর মালিশ করাতে একটু আগের থেকেই আপনাকে বুকিং দিতে হবে। তা না হলে লাইনে বসে বসে আপনাকে ঝিমাতে হবে আর তা না হলে মাংসাশী গাছ গুলাকে মাছি ধরে ধরে খাওয়াতে হবে। কি যাবেন নাকি একবার? যদি ইসরাইল কোন দিন যাওয়া হয় তাহলে একবার অভিজ্ঞতার খাতিরে ঘুড়ে আসাই যায় কি বলেন। অন্তত্য দেশে ফিরে সবাইকে ছবি দেখিয়ে বলতে পারব, "দেখ আমি কত সাহসি, সাপ আমার শরীর মালিশ করে দেয়"।




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

পাবলিক বাসে ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট!




যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দ্য ব্লেজসহ বেশ কিছু সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত ছবি ও প্রতিবেদনে জানা যায়, বিশ্বের একসময়কার অন্যতম প্রভাবশালী প্রেসিডেন্ট তার আসল পেশা শিক্ষকতায় ফিরে গেছেন। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি ডিগ্রিধারী আহমাদিনেজাদ এখন পুরোদস্তুর শিক্ষক। নিজের অধ্যাপনায়ই সময় দিচ্ছেন বেশি।



সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়, শুধু শিক্ষকতায়ই ফেরেননি, ইরানের সাবেক স্পষ্টভাষী প্রেসিডেন্ট এখন তার কর্মস্থল তেহরানের নারমাকের ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে অধ্যাপনায় যেতে পাবলিক বাসে চড়েন! তা-ও আবার সিট নির্ধারিত নয়, কখনো দাঁড়িয়ে, সুযোগ পেলে তবেই সিটে চড়ে!



অবাক করা ব্যাপার, সাবেক প্রেসিডেন্ট যেমন পাবলিক বাসে চড়তে একটু অস্বস্তিতে ভোগেন না, তেমনি তার সহকর্মী-সহযাত্রীদেরও দেখা যায় একেবারে স্বচ্ছন্দ।



এর আগে, মেঝেতে মাদুর পেতে নামাজ পড়া ও ঘুমানোর ছবি প্রকাশ হওয়ার পর আহমাদিনেজাকে প্রশংসায় ভাসিয়েছিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো।




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

বান্দরবানে স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে গাছে উঠে স্বামীর অনশন




বান্দরবানের বাইশারীতে স্ত্রী নুরছাবা বেগমের (৩৫) সঙ্গে অভিমান করে গাছের উপরে উঠে সারাদিন অনশন করেছে স্বামী কামাল উদ্দিন (৪০)। বুধবার জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের রাজঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বাইশারী গ্রামের বাসিন্দা তিন সন্তানের বাবা কামাল উদ্দিনের সঙ্গে স্ত্রী নুরছাবা বেগমের পারিবারিক কলহ চলে আসছিল। স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করে গতমাসেও স্বামী কামাল উদ্দিন বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল। বুধবার সকালে নুরছাবা বেগম স্বামীকে তালাক দেওয়ার কথা বলে। এ ঘটনায় স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে প্রচন্ড রোদে পাতাবিহীন উঁচু কড়ই গাছের উপরে উঠে ডালে বসে থেকে দিনভর অনশন পালন করেছে স্বামী। স্থানীয় লোকজনরা একাধিকবার চেষ্টা করেও তাকে গাছ থেকে নামাতে পারেনি। পরে বিকেলে স্ত্রীর অনুরোধে গাছ থেকে নেমে আসেন তিনি।

বাইশারী ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল হক জানান, স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে গাছে উঠে স্বামীর অনশন পালনের ঘটনা বিরল। ঘটনাটিতে এলাকাতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সারাদিন তাকে গাছ থেকে নামানোর অনেক চেষ্টা করেও কেউ নামাতে পারেনি। বিষয়টি অনেক মজার হলেও গাছ থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করতে পারে এমন আতঙ্কে ছিল সবাই। শেষ পর্যন্ত বিকেলে স্ত্রীর অনুরোধে অনশন ভেঙ্গে গাছ থেকে নামেন তিনি।

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাইশারী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনিসুর রহমান জানান, অদ্ভুত এই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে অনুরোধ করেও পুলিশ তাকে গাছ থেকে নামাতে পারেনি। পরে স্ত্রীর অনুরোধেই অনশন ভেঙ্গে গাছ থেকে নামেন তিনি।

এদিকে গাছের চূড়া থেকে স্বামী কামাল উদ্দিন নেমে স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ব্যতিক্রমধর্মী শুঁটকি মেলা অনুষ্ঠিত




ব্রাহ্মণবাড়িয়ার  নাসিরনগর উপজেলার পল্লীতে দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী শুঁটকি মেলা গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত  হয়েছে। উপজেলা সদরের কুলিকুন্ডা গ্রামে শত বছরের বেশী সময় ধরে নিয়মিতভাবে প্রতিবছরে বাংলার নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে পুঞ্জিকা অনুযায়ী বসে এ ব্যতিক্রম ধর্মী শুঁটকি মেলা। শুধু শুঁটকি আর শুঁটকি।মেলায় নানা জাতের শুঁটকির পসরা সাজিয়ে বসেন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা শুঁটকি ব্যবসায়ীরা। দুর-দুরান্ত থেকে ভোজন রসিকরাও আসে। শুঁটকি ছাড়াও এ মেলায় আরেকটি বৈশিষ্ঠ্য হচ্ছে “বিনিময় প্রথা” অথ্যাৎ পণ্যের বিনিময়ে পণ্য। গত মঙ্গলবার ভোরে এই মেলা বসার পর সকাল ১০টা পর্যন্ত বিনিময়ের মাধ্যমে শুটকি বিক্রি চলে। আর এ কারণেই ধারণা করা হয়এই মেলার ইতিহাস অনেক পুরনো।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় ,শত বছরের বেশী সময় ধরে নিয়মিত ভাবে এই মেলা বসছে। এখনো বহু পুরনো প্রথা প্রচলন থাকায় প্রতীয়মান হয় এই মেলা আদিম কালের। আলু, ডাল,সরিষা, পেয়াজ,রসুনসহ এলাকার কৃষকরা তাদের উৎপাদিত নানা পণ্যের বিনিময়ে শুঁটকি ক্রয় করেন।

তাছাড়া এ মেলায় বোয়াল,শোল, গজার, বাইম,পুটি,টেংরাসহ এমন কোন জাতের শুঁটকি নেই যা পাওয়া যায় না। তবে দেশী মাছের শুঁটকির প্রাধান্যই বেশী। তাছাড়া ইলিশ ও কারফিউসহ বিভিন্ন জাতের মাছের ডিম পাওয়া যায়। আর এসব বাহারী শুঁটকির আকর্ষণে দেশের বিভিন্ন স্থানে বসবাসকারী এ এলাকার লোকজন ছাড়াও দূর-দূরান্ত থেকে ভোজন রসিকরা এসেছে। পছন্দের শুঁটকি ক্রয় করে তারা তৃপ্ত হন।  এই মেলায় নাসিরনগর ও পাশ্ববর্তী এলাকার শুঁটকি ব্যবসায়ীরা ছাড়াও চট্রগ্রাম,সিলেটের সুনামগঞ্জ ও দেশের অন্যান্য স্থান থেকে শুঁটকি ব্যবসায়ীরা শুঁটকি নিয়ে আসে।

একদিনে লাখ লাখ টাকার শুঁটকি বিক্রি হয়। মেলা আয়োজনের কোন কমিটি না থাকলেও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুঁটকি বিক্রির লাখ লাখ টাকা নিয়ে ব্যবসায়ীরা নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরে যেতে কোন অসুবিধা হয়নি। এছাড়াও মেলায় গৃহস্থালী পণ্যসহ বিভিন্ন ধরনের খেলনা বিক্রি হয়। যুগ যুগ ধরে এ মেলায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা লোকজন বিভিন্ন ধরনে পণ্য ক্রয় বিক্রয় করে থাকে।


শুঁটকি ছাড়াও এ মেলায় বিক্রি হয় মৃৎশিল্পীদের হাতের তৈরি মাটির হাঁড়ি ও তৈজসপত্র। স্থানীয় কুমারদের হাতের তৈরি হাড়িঁ,পাতিল, কলস,ঝাঁঝর,থালা,ঘটি,বদনা,বাটি ,পুতুল ও প্রদীপ মেলায় মানুষের নজরকাড়ে। গ্রাম্য মেয়েদের সামান্য পয়সা সংগ্রহের জন্য নানা ডিজাইনের মাটির ব্যাংকও বিক্রি হয় এ মেলায়।





Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

অসাধারণ ক্যাচে শিশুর প্রাণ বাঁচল




আকাশ থেকে পড়তি বল ক্যাচ লুফতে তো হামেশাই দেখা যায়। কিন্তু তিন তলা থেকে পড়ে যাওয়া একটি বাচ্চাকে অসাধারণ দক্ষতায় ক্যাচ ধরার দৃশ্য দেখেছেন কী? দক্ষিণ চিনের গুয়াংডং প্রদেশে এমনই একটি ক্যাচ একটা বাচ্চার জীবন বাঁচিয়ে দিল।



ঘটনাটি ঘটেছে গত রোববার। এক বছরের ওই বাচ্চাটি নিজের মাকে খুঁজতে খুঁজতে গরাদবিহীন জানালায় উঠে কান্নাকাটি করছিল। সে সময় বাড়ির পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া লোকটির নজরে আসে ব্যাপারটি। লি নামের এই লোকটি বুঝতে পারেন, বাড়ির লোককে সাবধান করতে গেলে অনেক দেরি হয়ে যাবে। জানালার নিচেই ক্যাচ লোফার ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে পড়ে সে। তাকে দেখে অন্য একটি লোকও সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই বাচ্চাটিকে লুফে নিয়ে প্রাণ বাঁচান লি।



অসাধারণ কীর্তির পর স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে সে জানায়, ‘আমার কাছে খুব বেশি সময় ছিল না। ভয় লাগছিল বাচ্চাটাকে ঠিক ভাবে ধরতে পারব কি না।’ পুরো ঘটনাটি মোবাইলে ভিডিও তুলে সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করে কোনও এক প্রত্যক্ষদর্শী। তার পর থেকেই প্রায় ভাইরাল হয়ে গেছে ভিডিওটি। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

বিশ্বনবী (সা.)’র জন্মস্থানের স্থাপনা ধ্বংসের সৌদি উদ্যোগ




সৌদি সরকার বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)’র জন্মস্থানের স্মৃতি বিজড়িত স্থাপনাটি ধ্বংসের পরিকল্পনা করছে।



পবিত্র কাবা-ঘর সংলগ্ন মসজিদুল হারামের পাশে একটি উঁচু ভূমি বা পাহাড়ি জমিতে বিশ্বনবী (সা.)’র জন্মের পবিত্র স্থানটির ওপরে রয়েছে একটি লাইব্রেরি বা পাঠাগার। এই পাঠাগারটি নির্মাণ করা হয়েছিল এমন একটি ঘরের ওপর যেখানে জন্ম নিয়েছিলেন বিশ্বনবী (সা.)।



সৌদি ওয়াহাবি শাসকগোষ্ঠী এমন পবিত্র স্থানের স্মৃতি সংরক্ষণের কোনো উদ্যোগ না নিয়ে বার বার নানা অজুহাতে এই পবিত্র স্থানের স্মৃতি বিলুপ্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে।



সম্প্রতি নানা সূত্রে খবর এসেছে যে, সৌদি কর্তৃপক্ষ এই পবিত্র স্থান ধ্বংসের অনুমতি দিয়েছে। কয়েকটি আকাশচুম্বী হোটেল নির্মাণ ও মসজিদুল হারাম সম্প্রসারণের অজুহাতে ধ্বংস করা হবে বিশ্বনবী(সা.)’র জন্মস্থান।



সৌদি আরবের ‘বিন লাদেন’ নামের একটি নির্মাণ-কোম্পানি এই পবিত্র স্থান ধ্বংসের কাজ শিগগিরই শুরু করতে চায় বলে জানা গেছে।



এই উদ্যোগের ফলে সৌদি সরকারের বিরুদ্ধে হজযাত্রীরাসহ বিশ্বের সচেতন মুসলমানরা তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।



২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে সৌদি আরবের ওয়াহাবি গ্র্যান্ড মুফতি শেইখ আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ মক্কার ইসলামী ঐতিহ্যের নিদর্শন বা স্থাপনাগুলো ধ্বংসের উদ্যোগকে সমর্থন জানান এবং তা করা  জরুরি বলেও দাবি করেন।



এর আগে ওয়াহাবি মতবাদে বিশ্বাসী সৌদি সরকার গুড়িয়ে দিয়েছে মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারামের অবশিষ্ট ঐতিহাসিক নিদর্শন। মসজিদুল হারামেই রয়েছে পবিত্র কাবা ঘর। এই কাবা ঘর মুসলমানদের কিবলা বা এই ঘরের দিকে মুখ করেই মুসলমানরা নামাজ আদায় করেন।



ব্রিটেনের দৈনিক ইন্ডিপেন্ডেন্ট জানিয়েছে, ওয়াহাবি মতবাদে বিশ্বাসী সৌদি কর্তৃপক্ষ সেই স্তম্ভটি গুড়িয়ে দিয়েছে যেখান থেকে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) পবিত্র মে’রাজ বা ঊর্ধ্বাকাশ সফরের প্রাক্কালে মুসলমানদের প্রথম কিবলা বা আলকুদস অভিমুখে রওনা হয়েছিলেন। সৌদি ওয়াহাবি পুলিশ এই ধ্বংসযজ্ঞকে উৎসব (!) হিসেবে পালন করেছে বলে দৈনিকটি খবর দিয়েছিল।



ওদিকে বিশ্বনবী (সা.)'র মে’রাজের সঙ্গে সম্পর্কিত বা মুসলমানদের প্রথম কিবলার নিদর্শন তথা আল-আকসা মসজিদও ইসরাইলি দখলদারদের মাধ্যমে হুমকির মুখে রয়েছে।



লন্ডন-ভিত্তিক হিজাজের ঐতিহাসিক নিদর্শন বিষয়ক আন্তর্জাতিক গ্রুপ জানিয়েছিল, সৌদি আরবে ইসলামী নিদর্শনগুলোর শতকরা ৯৫ ভাগই ধ্বংস করে ফেলেছে ওয়াহাবিরা। ইসলামের দুই প্রধান কেন্দ্র তথা মক্কা ও মদিনায় ইসলামের প্রধান নিদর্শনগুলোর বেশির ভাগই ধ্বংস করে ফেলেছে তারা। অথচ ওয়াহাবিরা হিজাজে তথা সৌদি আরবে ইহুদি ও খ্রিস্টানদের নিদর্শনগুলো রক্ষা করছে! এটা খুবই বিস্ময়কর ও লক্ষণীয় বিষয়। যেমন, খায়বরের মারহাব দুর্গ রক্ষা করছে তারা। মারহাব ছিল মদিনার অন্যতম ইহুদি গোত্র-প্রধান ও পালোয়ান যে হযরত আলী (আ.)’র সঙ্গে দ্বন্দ্ব যুদ্ধে নিহত হয়েছিল। এমনকি ওয়াহাবিদের প্রথম শাসনামলের দিকে নির্মিত খ্রিস্টানদের একটি গির্জাকে ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবে রক্ষা করছে ওয়াহাবিরা। অথচ বিশ্বনবী (সা.)’র পবিত্র স্মৃতি-বিজড়িত নিদর্শনগুলো ধ্বংস করছে তারা।



বিভিন্ন দলিল প্রমাণে দেখা গেছে ওয়াহাবিরা সৌদি আরবে, বিশেষ করে, মক্কা ও মদিনায় অলি-আওলিয়ার মাজার বা কবর ধ্বংসের পাশাপাশি তাদের অবমাননার জঘন্য ও দুঃখজনক পদক্ষেপও নিয়েছে। যেমন, ওয়াহাবিরা মক্কায় বিশ্বনবী (সা.)’এর স্ত্রী ও প্রথম মুসলমান উম্মুল মুমিনিন হযরত খাদিজা (সালামুল্লাহি আলাইহার) বাসভবনটিকে ধ্বংস করে সেখানে টয়লেট নির্মাণ করেছে।তারা ‘মৌলুদুন্নবি’ নামে খ্যাত বিশ্বনবী (সা.)’র জন্মের স্থানটিকে পশু রাখার স্থানে পরিণত করেছিল!



ওয়াহাবিদের এ ধরনের তাণ্ডবের প্রেক্ষাপটে মক্কা ও মদীনার মত পবিত্র শহরগুলো পরিচালনার দায়িত্ব থেকে ওয়াহাবিদের সরিয়ে দিয়ে তা মুসলমানদের প্রকৃত প্রতিনিধিদের কাছে অর্পণ করার দাবি ক্রমে জোরদার হচ্ছে।



কেউ কেউ বলে থাকেন যে সৌদি রাজ-পরিবার আসলে “দোমনেহ” নামের বিভ্রান্ত ইহুদিবাদী গোষ্ঠীর বংশধর। এই গোষ্ঠী ভণ্ড  ইহুদিবাদী নবী ‘শাব্বিটি জিভি’র অনুসারী। তারা প্রকাশ্যে ইসলামের অনুসারী বলে দাবি করত। কিন্তু তারা বাস্তবে মদ্যপ ও নির্বিচার যৌনাচার বা যৌন অনাচারসহ নানা ঘৃণ্য কাজে অভ্যস্ত ছিল।





(রেডিও তেহরান/এএইচ/২৪)






Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.