Showing posts with label international. Show all posts
Showing posts with label international. Show all posts

ইসরাইলের টার্গেট - বেসামরিক লোক: হামাসের টার্গেট - সেনা





গাজায় যত্রতত্র: লাশ- আহাজারি

গাজা আগ্রাসনের মাধ্যমে ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসকে ধ্বংস না করতে পেরে ইহুদিবাদী ইসরাইল টার্গেট করেছে বেসামরিক লোকজনকে।






ইহুদিবাদী সেনাদের হামলায় এ পর্যন্ত যত
শহীদ হয়েছেন তার মধ্যে নারী, শিশু ও বয়স্ক লোকজনই বেশি। ইসরাইলের ‘হাতের
পুতুল’ খোদ জাতিসংঘ বলছে, নিহতদের মধ্যে শতকরা ৮০ ভাগ বেসামরিক মানুষ যার
মধ্যে বিরাট অংশ হচ্ছে নারী ও শিশু।




অন্যদিকে, ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস
টার্গেট করেছে ইসরাইলের সেনাবাহিনীকে। এ পর্যন্ত ইসরাইলের স্বীকারোক্তি
অনুযায়ী হামাসের হাতে নিহত হয়েছে ৫৬ সেনা। অবশ্য, হামাস বলছে নিহত সেনা
সংখ্যা ১৪০-এর বেশি। আর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১৪০ সেনা যার
মধ্যে ১৪ জনের অবস্থা আশংকাজনক। এই তথ্য পরিসংখ্যান থেকে পরিষ্কার হয় যে,
ইসরাইল হামাসের মোকাবেলায় কার্যত পরাজিত হয়ে সাধারণ ফিলিস্তিনিদের ওপর
গণহত্যা চালাচ্ছে যা পরিষ্কারভাবে যুদ্ধাপরাধ।


সুত্র : রেডিও তেহরান




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

গাজায় যুদ্ধপরাধ করছে, "ইসরাইল" নাভি পিল্লাই





জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের প্রধান নাভি পিল্লাই

জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের প্রধান নাভি পিল্লাই বলেছেন, গাজায় চলমান
আগ্রাসনে ইচ্ছাকৃত ভাবে আন্তর্জাতিক আইন পদদলিত করে  যুদ্ধপরাধ করছে
ইসরাইল। জেনেভায় আজ দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।  এ  ছাড়া
তিনি হামাসেরও কিছু সমালোচনা করেছেন।

নাভি পিল্লাই বলেন, গাজায়
স্কুল, হাসপাতাল, ঘরবাড়ি এবং জাতিসংঘ স্থাপনাসহ বেসামরিক মানুষ বসবাসকারী
এলাকায় হামলা করে তেল আবিব আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে। এ জাতীয় হামলা
ঘটনাক্রমে হয়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি। দৈনিক কিছু সময় মানবিক কারণে গাজা
যুদ্ধের বিরতি দেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তা হলে পানি ও খাদ্য যোগাড়ের
অবকাশ পাবেন ফিলিস্তিনিরা।

এ ছাড়া, গাজার বিদ্যুৎ প্লান্ট,
পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, পানির কুপগুলোর ওপর ইসরাইলি হামলার তীব্র নিন্দা করে
বলেন, ২০০৯ সালের গাজা যুদ্ধের সময়ও একই কাজ করেছে ইসরাইল। গাজায় এখন যা
ঘটছে তা আগেও ঘটেছে এবং গাজা যুদ্ধ সংক্রান্ত তদন্ত কমিটি ইসরাইলের এ জাতীয়
তৎপরতাকে যুদ্ধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেছে বলে জানান
তিনি।

তার কঠোর সমালোচনা থেকে রেহাই পায় নি ইসরাইলে ঘনিষ্ঠ মিত্র
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তিনি বলেন, ইহুদিবাদী ইসরাইলের গোলার আঘাত থেকে
ফিলিস্তিনিদের রক্ষা করার বদলে  তেল আবিবের আয়রন ডোম উন্নয়নে অর্থ ঢালছে
আমেরিকা।




সুত্র : রেডিও তেহরান


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

বিশ্ব শ্রম সংস্থার সতর্কবাণী – বিশ্বব্যাপী অনিশ্চিত কর্মপরিস্থিতি



বিশ্ব শ্রম সংস্থা বা আইএলও-র নতুন রিপোর্ট অনুযায়ী, ফেয়ার জব বা ন্যায্য
মজুরির কাজকর্মই একমাত্র উন্নয়ন বয়ে আনে৷ অর্থাৎ কম বা নিম্ন মজুরি এবং
কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতা সমাজ ও অর্থনীতির জন্য কখনই মঙ্গলকর নয়৷



উন্নয়নশীল দেশগুলিতে ১.৫ বিলিয়ন মানুষ কাজ করেও জীবিকা নির্বাহ করতে হিমশিম
খাচ্ছে৷ অনেককেই দিনমজুর হিসাবে ও ছুটা কাজ করে বাঁচতে হচ্ছে৷ এই সব তথ্য
জানা গিয়েছে বিশ্ব শ্রম সংস্থার সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে৷



এতে বলা হয়েছে, কাজে সুষ্ঠু পরিবেশ ও ন্যায়সঙ্গত শর্তাবলী থাকলে উন্নয়নও
ত্বরান্বিত হয়৷ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে আইএলও-র এক কর্মীগ্রুপ ১৪৫টি উন্নয়নশীল ও
বিকাশমান দেশে গিয়েছিলেন৷ তাঁদের অভিমত, যে সব দেশে ন্যায়সঙ্গত শ্রম আইন
রয়েছে এবং সামাজিকসিস্টেমে কর্মীদের অধিকার ও নিরাপত্তা সুরক্ষিত, সেসব
দেশের সামগ্রিক উন্নয়নেও নিম্ন মজুরির দেশগুলির তুলনায় একটা ইতিবাচক প্রভাব
লক্ষ্য করা যায়৷



উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুণগত মানটাই মুখ্য, বলেন আইএলও-র মোয়াজ্জেম মাহমুদ৷
‘‘শুধু রপ্তানির মাধ্যমে নয়, বরং কাজের গুণগত মানের কারণেই কয়েকটি দেশ
দীর্ঘমেয়াদে উঁচু আয়ের দেশে পৌঁছাতে পেরেছে'', বলেন মাহমুদ৷ এর ফলে ভালো
কর্মক্ষেত্র তৈরি হয়, শিক্ষা ও উৎপাদন ব্যবস্থায় উন্নয়ন হয়৷ বৃদ্ধি পায়
নিরাপত্তা, যা আবার একটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করে৷
‘‘জাতীয় অর্থনীতি ন্যায্য বেতনের ভিত্তিতে গড়ে উঠলে অভ্যন্তরীণ বাজারেও
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্ভব'', বলেন মাহমুদ৷








Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

বিশ্বের ৯৩ ভাগ পরমাণু বোমার মালিক আমেরিকা ও রাশিয়া


এতে বলা হয়েছে, ২০১১ সালে বিশ্বে পরমাণু
বোমার সংখ্যা ২০৭০টি কমে ২০,৫৩০এ দাঁড়ালেও ২০১৩ সালে এ মাত্র ৯৩০টি হ্রাস
পেয়ে এ বোমার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬,৩০০।

চলতি বছরের গোড়ার দিকে
আমেরিকার অস্ত্র ভাণ্ডারে ৭৩০০ ও রাশিয়ার ৮০০০টি পরমাণু বোমা ছিল। এই দুই
দেশ পরমাণু বোমার সংখ্যা হ্রাস করলেও ব্রিটেন এবং ফ্রান্স তা করে নি।
ব্রিটেনের ২২৫ এবং ফ্রান্সের ৩০০টি পরমাণু বোমা রয়েছে বলে এ বিবৃতিতে
উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে আরো বলা হয়েছে, চলতি বছরের গোড়ার দিকে চীনের
২৫০, পাকিস্তানের ১০০ থেকে ১২০ এবং ভারতে ৯০ থেকে ১১০টি বোমা ছিল। এ ছাড়া
উত্তর কোরিয়ার কাছে ছয় থেকে আটটি পরমাণু বোমা রয়েছে বলে মনে করছে
এসআইপিআরআই।




বিশ্বে পরমাণু বোমা হ্রাসের গতি কমেছে এবং বিশ্বের মোট পরমাণু বোমার ৯৩
শতাংশের বেশি রয়েছে আমেরিকা ও রাশিয়ার হাতে। সুইডেনভিত্তিক স্টকহোম
ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইন্সটিটিউট বা এসআইপিআরআই আজ (সোমবার) এক
বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে।




(রেডিও তেহরান)




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

ইতিহাসের পাতায় বিশ্বকাপ




ব্রাজিলের সাও পাওলো-তে শুরু হলো ২০১৪ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ৷ আর
বিশ্বকাপ মানেই পুরনো রেকর্ড ভাঙা, নতুন রেকর্ড গড়া৷ তাই নতুনের আগে পুরনো
রেকর্ডগুলোর উপর একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক৷





সবচেয়ে বেশিবার বিশ্বকাপ জিতেছে: ব্রাজিল (১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪ ও ২০০২ সালে)৷





সবচেয়ে বেশিবার বিশ্বকাপ খেলেছেন: মেক্সিকোর আন্তোনিও কারবায়াল (১৯৫০ থেকে ১৯৬৬, পাঁচটি বিশ্বকাপে); জার্মানির লোটার মাটেউস (১৯৮২ থেকে ১৯৯৮, পাঁচবার)৷





কোন কোন দেশ এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপ জিতেছে: ব্রাজিল, উরুগুয়ে, জার্মানি, স্পেন, ইংল্যান্ড, ইটালি, ফ্রান্স এবং আর্জেন্টিনা৷



রুততম গোল: খেলার ১১ সেকেন্ডের মাথায়; ২০০২ সালের বিশ্বকাপে
দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে তুরস্কের হয়ে গোলটি করেন হাকান সুকুর; তুরস্ক
জিতেছিল ৩-১ গোলে৷




একটি বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোল করেছেন: ফ্রান্সের জুস্ত ফঁতেন, ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপে, সর্বসাকুল্যে ১৩টি৷





(একাধিক বিশ্বকাপ মিলিয়ে) সর্বাধিক গোল: ব্রাজিলের রোনাল্ডো: ১৫টি গোল (১৯৯৮, ২০০২ এবং ২০০৬-এর বিশ্বকাপে)৷ এবার জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোজে হয়ত সে রেকর্ড ভাঙতে পারেন৷




বিশ্বকাপে তরুণতম খেলোয়াড়: উত্তর আয়ারল্যান্ডের নর্মান হোয়াইটসাইড, ১৯৮২ সালের বিশ্বকাপে খেলেন তিনি; হোয়াইসাইডের বয়স তখন ১৭ বছর, এক মাস, দশ দিন৷





বিশ্বকাপে প্রবীণতম খেলোয়াড়: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রজার মিলা, ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে খেলেন; তখন তাঁর বয়স ৪২ বছর, এক মাস, আট দিন৷





সবচেয়ে বেশিবার বিশ্বকাপ খেলেছে যে দেশ:
স্বভাবতই ব্রাজিল! ব্রাজিলই একমাত্র দেশ যারা ১৯৩০ থেকে আজ অবধি কোনো
বিশ্বকাপেই অনুপস্থিত থাকেনি৷ ১৯৪২ ও ১৯৪৬ সালে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়নি
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে৷


(এএফপি, এপি)


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

ঝাঁঝালো গ্যাসে বিবর্ণ বিশ্বকাপের সূচনা




সাও পাওলোতে এরিনা করিন্থিয়াস স্টেডিয়ামের বাইরে বিক্ষোভ দমনে দাঙ্গা পুলিশ দুনিয়াজুড়ে যখন সাম্বার তালে তাল মেলানোর অপেক্ষা, ঠিক তখনই ব্রাজিলের সাও পাওলোতে ঘটে গেছে এক অঘটন। পুলিশের ছোড়া ঝাঁঝালো গ্যাসে অনেকটাই বিবর্ণ হয়ে গেল বিশ্বকাপের জৌলুস। বিশ্বকাপ আয়োজনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিক্ষোভে কাঁদানে গ্যাস ছুড়েছে পুলিশ। এ সময় সাও পাওলোতে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। যে এরিনা করিন্থিয়াস স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের উদ্বোধন হয় তার কাছেই এমন অবস্থায় সৃষ্টি হয় এক ভীতিকর পরিস্থিতি। কাঁদানে গ্যাসে রাস্তা অন্ধকার হয়ে যায়। সিএনএন-এর এক সাংবাদিককে দেখা যায়, আহত হয়েও সরাসরি সংবাদ দিচ্ছেন। ওই শহরে সমবেত বিদেশী দর্শক, পর্যটকদের মধ্যে এ সময় ছড়িয়ে পড়ে ভীতি। বিশ্বকাপ উদ্বোধন ও উদ্বোধনী ম্যাচের আগে এমন পরিস্থিতিতে এবারের বিশ্বকাপের গায়ে লাগলো এক কলঙ্ক।



এরিনা করিন্থিয়াস স্টেডিয়ামেই গত রাতে স্বাগতিক ব্রাজিল ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যে হয় উদ্বোধনী ম্যাচ। কিন্তু তার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই বিশ্বকাপের প্রতিবাদে ওই স্টেডিয়ামের কাছে বিক্ষোভ করে বেশ কিছু মানুষ। তারা এ সময় বিশ্বকাপ বিরোধী স্লোগান দেয়। তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুড়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে একজনকে। ভেঙে গেছে এক সাংবাদিকের পা। তবে বিক্ষোভকারীরা বলেছে, বিক্ষোভ চলতেই থাকবে। শহরে শহরে, প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে তা। তাদের কথায়, ব্রাজিলে এখনও কয়েক লাখ নারীকে দেহ বিক্রি করে বাঁচতে হয়। তার সন্তানের দুধ কিনতে হয়। নিজেকে টিকে থাকতে দেহ দান করতে হয় অজানা পুরুষের কাছে। বিশ্বকাপের দর্শকদের জন্য তারা বাড়তি আয়ের জন্য মানুষের শ্রেষ্ঠ সম্পদ তার ইজ্জত, তা ফেরি করে বেড়াচ্ছে।



 এছাড়া রয়েছে দুর্নীতি চরমে। এমন একটি দেশে এত বিপুল অর্থ খরচ করে বিশ্বকাপ আয়োজনের কি অর্থ থাকতে পারে! বিশ্বকাপ আয়োজনে শুধু ব্রাজিলই খরচ করছে ১১৭০ কোটি ডলার। এ অর্থে স্টেডিয়াম নির্মাণ ও অবকাঠামোর উন্নয়ন করা হয়। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, এই অর্থের বেশির ভাগই লোপাট করেছেন রাজনীতিবিদ ও কর্মকর্তারা। শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি করে নির্মাণ করা হয় স্টেডিয়াম, রাস্তাঘাট। গত সপ্তাহেও এমন নির্মাণ কাজ করা হয়। এতে এর মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এরই প্রতিবাদে গতকাল যে করিন্থিয়াস স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও ম্যাচ হওয়ার কথা তার কাছাকাছি বিক্ষোভে ফেটে পড়ে তারা। এ সময় পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। লাঠিপেটা করে। টেলিভিশনে প্রচারিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে পুলিশ। একপর্যায়ে তারা এলোপাতাড়ি কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। গতকাল সারাবিশ্ব যখন জমকালো উদ্বোধন অনুষ্ঠান দেখার অপেক্ষায় ঠিক তখনই এমন খবরে হতবিহ্বল হয়ে যান তারা। অনেকেরই মুখ ফ্যাকাশে হয়ে যায়। ভাবতে বসে যান, এ অবস্থায় সেখানে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও ম্যাচ হবে তো! গতকাল ঘটনাস্থল থেকে সিএনএন-এর সাংবাদিক সাস্তা ডারলিংটন জানান, এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।



 আহত হয়েছেন তিনি ও প্রযোজক বারবারা আরভানিতিডিস। তারা মনে করছেন বারবারার পা ভেঙে গেছে। সাস্তা বলেছেন, বিক্ষোভকারীদের কোনমতেই স্টেডিয়ামের ধারেকাছে ঘেষতে দেয়া হয়নি। এ সময় বিক্ষোভকারীরা ‘দেয়ার ওন্ট বি এ কাপ’ অর্থাৎ এখানে কোন বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতা হতে পারে না বলে স্লোগান দেয়। আগে থেকেই এমন বিক্ষোভের পরিকল্পনা নিয়েছিল তারা। গত বছর ৫ লাখেরও বেশি মানুষ দেশজুড়ে বিক্ষোভ করেছে। তারা উন্নত সরকারি সুবিধার দাবি তুলেছে। বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে যে দুর্নীতি তার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে। পণ্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদ করেছে। তখন তাদের কথায়, এমন বিশ্বকাপ আয়োজন করে কি লাভ। তারপর থেকেই ব্রাজিলের বিভিন্ন শহরে হয়েছে বিক্ষোভ। এর মধ্যে কোন কোনটিতে হয়েছে সংঘর্ষ।

বর্ণিল উদ্বোধন



নাচে-গানে ভরপুর, ইতিহাস-ঐতিহ্যের বর্ণিল উপস্থাপনা। বিশ্বসেরা পপ গায়িকা জেনিফার লোপেজের নয়ন-মনোহরী গানে উন্মাতাল মাঠের প্রায় ৭০০০০ দর্শক। সাও পাওলোর করিন্থিয়ান্স এরেনায় ১২টি দেশের প্রধান ও জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুনও ছিলেন অপলক। সুরের মূর্ছনায় বিমোহিত আবালবৃদ্ধবণিতা। লাখো কণ্ঠে উচ্চারিত হয় ওলে ওলা। যার অর্থ আমরা সবাই সমান। জেনিফার লোপেজের সঙ্গে এই মহা-আয়োজনে পারফর্ম করেন আরেক জগৎখ্যাত র‌্যাপার পিটবুল। বাদ্যযন্ত্রে ছিল ব্রাজিলের ‘ওলোদাম’। তাদের একদিকে বিক্ষোভ আরেক দিকে বিশ্বকাপ ফুটবল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের দেড় ঘণ্টা বাদেই স্বাগতিক ব্রাজিল তাদের হেক্সা মিশনে প্রথম মাঠে নামে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে।





গতকাল স্থানীয় সময় বিকাল সোয়া তিনটায় জমকালো আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে পর্দা ওঠে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরের। ৭ বছরের প্রস্তুতির পর আরাধনার এই ফুটবলোৎসব। অবাক বিস্ময়ে কোটি কোটি দর্শক। সময় মাত্র ২৫ মিনিট। মন ভরে তো চোখ ভরে না। কয়েক শ’ নৃত্যশিল্পী, বাদক, জিমন্যাস্ট অংশ নেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। ব্রাজিলিয়ান গায়িকা ক্লদিয়া লিত্তেও গান পরিবেশন করেন। বেলজিয়ান শিল্প নির্দেশক ডাফিন করনাজ পুরো অনুষ্ঠানের দায়িত্বে ছিলেন। ৬ শতাধিক পারফরমার ব্রাজিলের কৃষ্টি-কালচার, ফুটবল প্রকৃতি সব ফুটিয়ে তোলেন নিখুঁতভাবে। মোট ১২০০ জন জড়িত ছিলেন এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে। জানা গেছে, প্রতি মিনিটের পারফরমেন্স নিখুঁত করার জন্য অন্তত ২০ কর্মঘণ্টা সময় দেয়া হয়েছে। এত গোপনীয়তা রক্ষা করা হয় মহড়াতে যে পারফরমারদের মোবাইল ফোনও নিতে দেয়া হয়নি।



এর আগে গত রোববার খবর বেরোয় জেনিফার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আসছেন না। গুঞ্জন ছড়ায় বয়ফ্রেন্ড ও ব্যাকআপ ড্যান্সার ক্যাসপার স্মার্টের সঙ্গে বিরোধের জেরে মন খারাপ লোপেজের। ফিফাও প্রচার করে নিজের প্রোডাকশন নিয়ে ব্যস্ততার কারণে তিনি আসতে পারবেন না। কিন্তু দু’দিন পরেই অবস্থান বদল। লোপেজ এমন বিশ্বমঞ্চ উপেক্ষা করতে পারছেন না। তিনি আসবেন এবং গাইবেন। কারণ তার গানটি এতটা জনপ্রিয়তা পাবে ভাবতে পারেননি। বুধবার পর্যন্ত প্রায় ৭৫ মিলিয়ন বার ইউটিউবে দর্শক এটি দেখেছেন। যদিও অনেকে বলেন যে, ১৯৯৮ সালে রিকি মার্টিনের কাপ অব লাইফ এবং শাকিরার ওয়াকা ওয়াকা এরচেয়ে অনেক ভাল ও বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। এক বার্তায় লোপেজ বলেন, ভক্তদের আমি হতাশ করতে চাই না। আমার জন্ম এমন এক পরিবারে যেখানে সবাই ফুটবল ভালবাসে। সুতরাং এমন আসরে থাকার সুযোগ হারাতে চাই না। আমি এই সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত গর্বিত ও অধীর হয়ে আছি। বিশ্বজুড়ে এ এক অসাধারণ উৎসব।






Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

সন্ত্রাস-বিরোধী নীতি : ‘দেখামাত্র গুলি করতে হবে’





রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট পল কাগামে

রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট পল কাগামে তার
সরকারের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লংঘনের সমস্ত সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করে
বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য যাকেই হুমকি বলে মনে করা হবে তাকে দেখামাত্র
গুলি করতে হবে।






মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও অযৌক্তি গ্রেফতার
বন্ধ করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা কাগামেকে আহ্বান জানানোর একদিন
পর তিনি এ কথা বললেন।  





রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা আরো
অনেক সন্দেহভাজনকে ধরব এবং যারা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা বিনষ্ট করতে চায়
তাদেরকে যদি সম্ভব হয় তাহলে দিনের আলোতে গুলি করব।”





এর আগে, বুধবার রুয়ান্ডার সরকারকে
বন্দীদের সংখ্যা প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে আমেরিকা। এছাড়া, সাম্প্রতিক
মাসগুলোতে ওয়াশিংটন রুয়ান্ডা সরকারের মানবাধিকার লংঘনের সমালোচনায় মুখর
রয়েছে। এর মাঝেই কাগামে দেখামাত্র গুলির ঘোষণা দিলেন। তার এ বক্তব্য মূলত
আমেরিকাকে অনেকটা উপেক্ষা করার বার্তাই দিচ্ছে।




দেশটি তাৎক্ষণিকভাবে মার্কিন সমালোচনা
নাকচ করে বলেছে, কথিত ডেমোক্রেটিক ফোর্স ফর দ্যা লিবারেশন অব রুয়ান্ডা'র
সন্ত্রাসীদের থেকে যে হুমকি এসেছে কেবল তারই জবাব দেয়া হচ্ছে; অন্য কিছু
নয়। প্রেসিডেন্ট কাগামে দাবি করেন, রুয়ান্ডার পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থার
সবাই আইন অনুযায়ী কাজ করছে।


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

রাশিয়াকে আরো শাস্তি দেয়ার হুমকি দিল জি-৭





russia-also-threatened-to-punish-G7
জি৭-এর শীর্ষ নেতাদের বৈঠক

শিল্পোন্নত সাত জাতিগোষ্ঠী বা জি৭ ইউক্রেন সংকটকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার ওপর আরো নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছে।






মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জার্মানি,
ফ্রান্স, ব্রিটেন, জাপান ও ইতালিতে নিয়ে গঠিত এ গোষ্ঠী বুধবার এক বিবৃতি এ
হুমকি দিয়েছে। জি৭ বলেছে, রাশিয়াকে হয় ইউক্রেনকে ‘অস্থিতিশীল’ করার তৎপরতা
বন্ধ অথবা আরো বেশি নিষেধাজ্ঞার মধ্য থেকে একটিকে বেছে নিতে হবে। ব্রাসেলসে
জি৭-এর শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পূর্ব
ইউক্রেনকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা অগ্রহণযোগ্য এবং তা অবশ্যই বন্ধ করতে
হবে।





বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, “আমরা
সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুকে সামনে রেখে নিষেধাজ্ঞা আরো বাড়াতে প্রস্তুত
রয়েছি। প্রয়োজন হলে রাশিয়ার ওপর আরো বেশি অবরোধ আরোপ করা হবে যাতে মস্কোকে
আরো বেশি মূল্য দিতে হয়।”





গত ১৬ মার্চ ইউক্রেনের ক্রিমিয়া উপত্যকায়
অনুষ্ঠিত গণভোটের জের ধরে এ প্রজাতন্ত্র রাশিয়ায় যোগ দেয়ার পর পাশ্চাত্যের
সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্কে তীব্র টানাপড়েন তৈরি হয়। আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন
অভিযোগ করে, রাশিয়া ইউক্রেনকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তারা এ পর্যন্ত
রাশিয়ার বহু শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার সম্পদ ও ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ
করেছে। সেইসঙ্গে শিল্পোন্নত আট জাতির জোট জি৮ থেকে রাশিয়াকে বহিস্কার করে।
ব্রাসেলসে বুধবার অনুষ্ঠিত শীর্ষ বৈঠকটি রাশিয়ার সোচিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার
কথা ছিল এবং পরিকল্পিত সে বৈঠকের অন্যতম সদস্য ছিল রাশিয়া।





এদিকে ইউক্রেন সংক্রান্ত পাশ্চাত্যের
অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে রাশিয়া বলেছে, ইউক্রেনের পাশ্চাত্যপন্থী সরকারের
তাবেদার ভূমিকার বিরুদ্ধে সেদেশের রুশপন্থিরা স্বতস্ফূর্তভাবে রুখে
দাঁড়িয়েছে এবং তাদের ওপর মস্কোর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।




ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দোনেতস্ক ও
লুহানস্কের জনগণ সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক গণভোটে স্বাধীনতার পক্ষে রায় দিয়েছে।
এ ধরনের এক গণভোটের জের ধরেই  ইউক্রেন থেকে আলাদা হয়ে রাশিয়ায় যোগ  দেয়
ক্রিমিয়া। ওই দুই প্রজাতন্ত্রে বর্তমানে রুশপন্থি অস্ত্রধারীরা ইউক্রেনের
সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই  করছে।

(রেডিও তেহরান)


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

বাহরাইনে সরকার-বিরোধী আন্দোলন চলছে: নিরাপত্তা বাহিনীর হামলা




বাহরাইনে রাজতান্ত্রিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। সেইসঙ্গে চলছে সরকার-বিরোধী আন্দোলনকারীদের ওপর আলে-খলিফা সরকারের দমন-পীড়ন।



গতকাল রাজধানী মানামার দক্ষিণে সিত্রা এলাকায় বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা চালিয়েছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। গত সপ্তাহে নিহত ১৪ বছর বয়সী কিশোর সাইয়্যেদ মাহমুদ সাইয়্যেদ মোহসেনের স্মরণসভা করতে গেলে তাতে হামলা চালায় সরকারি বাহিনী। গত সপ্তাহে সিত্রা এলাকায় নিহত হয়েছিল এ কিশোর।



তবে, হামলা সত্ত্বেও গতকাল সরকার-বিরোধী মিছিল করেছে সমবেত জনতা। এ সময় তারা সরকারের দমন-পীড়ন অবসানের দাবিতে নানা শ্লোগান দেয়।



২০১১ সালের গোড়ার দিকে মধ্যপ্রাচ্যে রাজতন্ত্র ও স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে গণজাগরণ শুরু হয়। তার ঢেউ আছড়ে পড়ে পারস্য উপসাগরের ছোট্ট দ্বীপ দেশ বাহরাইনে। তখন সরকার পতনের অবস্থা তৈরি হলেও সরকারি বাহিনীর ব্যাপক নিপীড়নমূলক ব্যবস্থার কারণে ক্ষমতায় টিকে রয়েছে রাজা হামাদ বিন ঈসা আলে খলিফার সরকার। এ কাজে আমেরিকা, ব্রিটেন ও সৌদি আরব অব্যাহত সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে বাহরাইন সরকারের সমর্থনে এবং আন্দোলন দমনের জন্য সৌদি আরব তার নিজের সেনা পাঠিয়েছে।





(রেডিও তেহরান/এসআই/২৮)




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

লিবিয়ার উপকূলে আমেরিকার যুদ্ধজাহাজ: মার্কিন নাগরিকদের লিবিয়া ছাড়ার নির্দেশ




লিবিয়া উপকূলে একটি যুদ্ধজাহাজ ও ১,০০০ মেরিন সেনা পাঠাচ্ছে আমেরিকা। ওই এলাকায় আগে মোতায়েন করা মার্কিন সেনাদের শক্তি বাড়ানোর জন্য নতুন করে এ যুদ্ধজাহাজ পাঠানো হচ্ছে।



আগামী কয়েকদিনের মধ্যে যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস বাট্টান লিবিয়ার উপকূলে এসে পৌঁছাবে। এতে বেশ কয়েকটি হেলিকপ্টার রয়েছে। জরুরিভিত্তিতে লিবিয়ায় মার্কিন দূতাবাস খালি করার দরকার হলে এসব হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে।



গত কয়েকদিন ধরে লিবিয়ার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। সেখানে সেনা ও গেরিলাদের মধ্যে একের পর এক সংঘর্ষ হচ্ছে। এমনকি নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতেও হামলা হয়েছে। এ অবস্থায় লিবিয়ায় বসবাসরত মার্কিন নাগরিকদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দেশটি ছেড়ে চলে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। গতকাল (মঙ্গলবার) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়েছে।



চলতি মাসের প্রথম দিকে, আমেরিকা লিবিয়ার কাছে সিসিলি দ্বীপে মার্কিন নৌ ঘাঁটিতে কয়েকটি ওসপ্রে বিমান ও প্রায় ২৫০ জন মেরিন সেনা পাঠানো হয়েছে।





(রেডিও তেহরান/এসআই/২৮)




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

নিখোঁজ এমএইচ৩৭০ বিমান সম্পর্কিত স্যাটেলাইট তথ্য প্রকাশ





এমএইচ৩৭০ উড়ালের ‘নিখোঁজ’ বিমান সম্পর্কিত স্যাটেলাইট তথ্য মঙ্গলবার
প্রকাশ করেছে মালয়েশিয়া৷ সেই তথ্যের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে যে, বিমানটি
ভারত মহাসাগরের দক্ষিণাংশে বিধ্বস্ত হয়েছে৷ যদিও এখনও কোনো ধ্বংসাবশেষ
পাওয়া যায়নি৷


মালয়েশিয়ার বেসামরিক বিমান পরিবহন দপ্তর ডিসিএ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, স্যাটেলাইট তথ্য প্রকাশের জন্য ব্রিটিশ স্যাটেলাইট অপারেটর ‘ইনমারস্যাট’-এর সঙ্গে কাজ করেছে তারা৷ প্রকাশিত তথ্যের সঙ্গে কিছু ব্যাখ্যা যোগ করা হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ সেগুলো বুঝতে পারে৷





তবে বিশ্লেষকরা বলেছেন, ‘অত্যন্ত জটিল’ এ সব প্রাথমিক তথ্য পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সময় লাগবে৷



মূলত বিমানটিতে থাকা ২৩৯ আরোহী এবং কেবিন ক্রুদের পরিবারের দাবির ভিত্তিতে
এ সব তথ্য প্রকাশ করলো মালয়েশিয়া৷ ১১ সপ্তাহ আগে বিমানটি কুয়ালালামপুর
থেকে বেইজিং-এর পথে যাত্রা করেছিল৷





কিন্তু যাত্রার মাঝপথেই রহস্যজনকভাবে হারিয়ে যায় সেটি৷ আর এখন অবধি বিমানটির কোনো ধ্বংসাবশেষ কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি৷



বিমানটির সম্ভাব্য গতিপথ খুঁজে পেতে ‘ডপ্লার এফেক্ট’
পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে৷ ইনমারস্যাটের রেকর্ড করা তথ্য ডিসিএ, মার্কিন
জাতীয় পরিবহন সুরক্ষা বোর্ড, ব্রিটিশ বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত শাখা এবং চীনের
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাচাই করে দেখেছে৷



তবে ৮ই মার্চ বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত বিমানটির কিছুই
খুঁজে না পাওয়া যাওয়ায় অনেকের সন্দেহ দূর হচ্ছে না৷ বিশেষ করে, বিমানটির
আরোহীদের পরিবারের সদস্যরা মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের বক্তব্যের উপর বিশ্বাস
রাখতে পারছেন না৷ পরিবারের সদস্যদের কথা হচ্ছে, ‘‘ঠিক কিসের ভিত্তিতে
ইনমারস্যাটের দেয়া তথ্যকে নির্ভুল এবং বিশ্বাসযোগ্য মনে করে ভারত মহাসাগরের
দক্ষিণাংশে ব্যাপক উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে, তা আমাদের কাছে পরিষ্কার
নয়৷’’





সিঙ্গাপুর নির্ভর বিমান চলাচল বিষয়ক প্রকাশনা ‘ফ্লাইগ্লোবাল’-এর
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক গ্রেগ ভালড্রন এ বিষয়ে বলেন, ‘‘ইনমারস্যাটের দেয়া
তথ্যে মূলত ভারত মহাসাগরের উপরে অবস্থানকালে বিমানটির সঙ্গে স্যাটেলাইটের
যোগাযোগের সময়গুলো উল্লেখ রয়েছে৷ এই তথ্যের উপর ভিত্তি করে এখন যেখানে উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে সেটি সঠিক জায়গা কিনা – সে বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশের সুযোগ রয়েছে৷’’



উল্লেখ্য, ভারত মহাসাগরে বর্তমানে বিমানটি খোঁজায় নেতৃত্ব দিচ্ছে
অস্ট্রেলিয়া৷ এই উদ্ধার কর্মকাণ্ডের পেছনে দু’বছর মেয়াদে ৮৪ মিলিয়ন মার্কিন
ডলার খরচের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দেশটি৷ 


(এএফপি, রয়টার্স)


Disclaimer:


This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.


সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্র তদন্তকারীদের অপহরণের কথা অস্বীকার




সিরিয়ায় জাতিসংঘের রাসায়নিক অস্ত্র
তদন্তকারী দলের ১১ জন সদস্যকে অপহরণের কথা অস্বীকার করেছে রাসায়নিক অস্ত্র
নিষিদ্ধকরণ সংস্থা বা ওপিসিডাব্লিউ।




সংস্থাটি বলেছে, সিরিয়ায় তাদের তদন্ত দলের কোনো সদস্য অপহৃত হন নি বরং তারা সবাই নিরাপদে রয়েছেন।




এর আগে, সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
বরাত দিয়ে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছিল যে, মধ্যাঞ্চলীয় হামা
প্রদেশে একটি তথ্য-অনুসন্ধান অভিযান চালাতে গিয়ে ওপিসিডাব্লিউ’র সদস্যসহ ১১
জন সন্ত্রাসীদের হাতে অপহৃত হয়েছেন। এর মধ্যে ওপিসিডাব্লিউ’র সদস্য হচ্ছেন
ছয় জন। তাদের সঙ্গে পাঁচ ড্রাইভারকেও অপহরণ করা হয়। দলটি সেখানে ‘ক্লোরিন
গ্যাস’ ব্যবহারের বিষয়ে তদন্ত করতে  গিয়েছিল।


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

সিরিয়ায় জাতিসংঘের ১১ রাসায়নিক অস্ত্র তদন্তকারী অপহৃত




২৭ মে (এন জি ও আর জি): সিরিয়ায় জাতিসংঘের রাসায়নিক অস্ত্র তদন্তকারী দলের ১১ জন সদস্যকে অপহরণ করা হয়েছে। সিরিয়ার একটি মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি। তবে কারা কখন কিভাবে তাদেরকে অপহরণ করেছে তা জানা যায় নি।



(বিস্তারিত আসছে)












Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

সিরিয়া নিয়ে নতুন ষড়যন্ত্র: বিদেশী গোয়েন্দারা বসছেন তুরস্কে




২৭ মে (এন জি ও আর জি): সিরিয়ায় সংঘাত জিইয়ে রাখতে তুরস্কের
আনতাকিয়া শহরে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।
সিরিয় সেনাবাহিনীর চলমান বিজয় অভিযান ঠেকানোর বিষয়ে কর্মপন্থা ঠিক করবেন
তারা। সিরিয়ার সীমান্তবর্তী শহরে অনুষ্ঠেয় এ বৈঠকে আমেরিকা, ব্রিটেন,
ফ্রান্স, সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্কের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা অংশ নেবেন।
আগামী সপ্তাহে এ বৈঠক হতে পারে।



আলেপ্পোতে নতুন করে শাক্তি বাড়ানোর
পরিকল্পনা রয়েছে সিরিয়া বিরোধী দেশগুলোর। এসব দেশ যুদ্ধরত গেরিলাদেরকে আরও
বেশি সহযোগিতা দিয়ে সিরিয়ার সেনাবাহিনীর বিজয় ঠেকিয়ে রাখতে চাইছে।

সম্প্রতি  সিরিয়ার সেনাবাহিনী দেশটির
গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলো গেরিলাদের হাত থেকে মুক্ত করেছে। এর ফলে দিনকে দিন
বিদেশি মদদপুষ্ট গেরিলাদের প্রভাব ও শক্তি কমে আসছে। আর এতে উদ্বিগ্ন হয়ে
পড়েছে গেরিলাদের সহযোগী শক্তি। গত ২৩ মে সেনাবাহিনী আলেপ্পোর প্রধান
কারাগারের ওপর গেরিলাদের দীর্ঘ দিনের অবরোধ ভেঙে দিতে সক্ষম হয়েছে।
একইসঙ্গে আলেপ্পোতে বিদেশি গেরিলাদের প্রবেশের চেষ্টাও ব্যর্থ করেছে। ২০১১
সালের মার্চ থেকে সিরিয়ায় বিদেশি মদদে সহিংসতা চলছে।


২৬ মে (রেডিও তেহরান)


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

৪ ইসরাইলি সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে তুরস্কে আটকাদেশ জারি




২৭ মে (এন জি ও আর জি) : ২০১০ সালে গাজা অভিমুখী ত্রাণবাহী জাহাজে
নৃশংস হামলার দায়ে সাবেক চার ইসরাইলি সেনা কমান্ডারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি
পরোয়ানা জারি করেছে তুরস্কের একটি আদালত। একজন আইনজীবী জানিয়েছে, এ চার
সাবেক সেনাপ্রধানকে ধরে আনার জন্য আদালত আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি পরোয়ানা
জারি করার জন্য ইন্টারপোলের সহযোগিতা চাইবে।






ওই চার সাবেক কমান্ডার হলেন- ইসরাইলি
সেনাবাহিনীর সাবেক চিফ অব স্টাফ গ্যাবি আশকেনাজি, সাবেক নৌপ্রধান এলিযের
ম্যারোম, সেনা গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক প্রধান অ্যামোস ইয়াদলিন ও সাবেক
বিমান গোয়েন্দা প্রধান অ্যাভিশাই লেভি।





২০১০ সালের ৩১ মে অবরুদ্ধ গাজা অভিমুখী
ত্রাণবাহী জাহাজ মাভি মারমারায় হামলা চালায় ইসরাইল। সব আন্তর্জাতিক আইন
লঙ্ঘন করে চালানো ওই হামলায় নয়জন তুর্কি ত্রাণকর্মী নিহত হন। এ পাশবিক
হামলা চালানোর অপরাধে তৎকালীন চার ইসরাইলি সেনা কমান্ডারের বিরুদ্ধে মামলা
করে নিহতদের পরিবারগুলো। আসামিদের অনুপস্থিতিতেই ২০১২ সালে এ মামলার শুনানি
শুরু হয়। তুরস্কের সরকারি কৌঁসুলিরা চার ইসরাইলি কমান্ডারের যাবজ্জীবন
কারাদণ্ড চেয়েছেন।





আন্তর্জাতিক সমাজ মাভি মারমারায় হামলার
তীব্র নিন্দা জানায় এবং তেলআবিব ও আঙ্কারার মধ্যে তীব্র কূটনৈতিক টানাপড়েন
তৈরি হয়। তুরস্ক থেকে ইসরাইলি রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করা হয়। এ ঘটনার
ব্যাপারে তেল আবিবের আনুষ্ঠানিক ক্ষমা ও ক্ষতিপূরণ দাবি করে আঙ্কারা। গাজা
উপত্যকার ওপর ইসরাইলি কঠোর অবরোধ তুলে নেয়ারও আহ্বান জানায় তুরস্ক।




তবে ইহুদিবাদী ইসরাইল তুরস্কের এসব আহ্বান
প্রত্যাখ্যান করে। কিন্তু গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার
অনুরোধে আঙ্কারার কাছে আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চায় তেল আবিব। এরপর মাভি মারমারায়
হামলার ঘটনায় ক্ষতিপূরণ দেয়ার আলোচনা শুরু করে তুরস্ক ও ইসরাইল। সে আলোচনা
এখনো চলছে।


২৬ মে (রেডিও তেহরান)




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

ইউক্রেনে হয়ে গেল প্রেসিডেন্ট নির্বাচন




ইউক্রেনে হয়ে গেল প্রেসিডেন্ট নির্বাচন৷ বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে সাবেক
মন্ত্রী ও ব্যবসায়ী পেট্রো পোরোশেঙ্কো ৫০ শতাংশের উপর ভোট পাবেন৷ ফলে
রান-অফ ভোটের প্রয়োজন হবে না৷ সোমবার পুরো ফল পাওয়া যাবে৷

রবিবার সকাল থেকেই ইউক্রেনের মানুষ ভোট দেয়া শুরু করে৷ শেষ হয় স্থানীয় সময়
রাত আটটা, অর্থাৎ বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা পর্যন্ত৷

                                                                                                               পেট্রো পোরোশেঙ্কো



‘দ্য ন্যাশনাল এক্সিট পোল
২০১৪'-এর বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে পোরোশেঙ্কো ভোট পাবেন ৫৫.৯ শতাংশ৷ আর তাঁর
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়ুলিয়া টিমোশেঙ্কো পেতে
যাচ্ছেন মাত্র ১২.৯ শতাংশ ভোট৷ নিয়ম অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী যদি ৫০ শতাংশের
বেশি ভোট পান তাহলে আর রান-অফ ভোটের প্রয়োজন পড়বে না৷ এই এক্সিট পোলের
এরর মার্জিন ৩.৫ শতাংশ হওয়ায় ধরে নেয়া হচ্ছে হয়ত পোরোশেঙ্কোই ইউক্রেনের
পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন৷ সোমবার পুরো ফল জানা যাবে বলে বার্তা
সংস্থাগুলো খবর দিয়েছে৷




কে এই পোরোশেঙ্কো?



কনফেকশনারি ব্যবসা থাকার কারণে ইউক্রেনে পেট্রো পোরোশেঙ্কোর
পরিচয় ‘চকলেট কিং' হিসেবে৷ রাজনীতিক হিসেবেও তাঁর সুখ্যাতি রয়েছে৷ তিনি
এমন একজন ব্যক্তি যিনি পরস্পর বিরোধী দুই সরকারের আমলে মন্ত্রিত্ব পেয়েছেন৷
ভিক্টর ইউশেঙ্কো সরকারের আমলে তিনি ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী৷ আর ইউশেঙ্কোর পর যিনি ক্ষমতায় আসেন সেই ভিক্টর ইয়ানুকোভিচের আমলে
তিনি অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য মন্ত্রীর পদ পান৷ অর্থাৎ দুপক্ষের সঙ্গেই তাঁর
ভালো সম্পর্ক রয়েছে৷ উল্লেখ্য, ইয়ানুকোভিচ হলেন সেই রুশপন্থি প্রেসিডেন্ট,
যিনি সাম্প্রতিক আন্দোলনের মুখে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন৷

 পোরোশেঙ্কো বলেছেন, তাঁর প্রথম কাজ ‘যুদ্ধ বন্ধ করা ও শান্তি ফিরিয়ে আনা’৷
এছাড়া পশ্চিমা বিশ্ব ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলতে
চান তিনি৷


(রয়টার্স, ডিপিএ)


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

শেষ হলো ইউরোপীয় পার্লামেন্টের নির্বাচন





ফ্রান্সের ‘ন্যাশনাল ফ্রন্ট' দলের প্রধান

শেষ হলো ইউরোপীয় পার্লামেন্টের নির্বাচন৷ চারদিন ধরে চলা এই নির্বাচনে জয়
এবার রক্ষণশীলদের৷ এছা়ড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও অভিবাসন বিরোধী দলগুলোর
অবস্থানও খুব শক্তিশালী৷ জানাচ্ছে বুথ ফেরত সমীক্ষা৷



ইউরোপীয় ইউনিয়নের অফিসিয়াল প্রোজেকশন বলছে, লুক্সেমবুর্গের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জঁ ক্লোদ ইয়ুংকার-এর রক্ষণশীল শিবির ‘ইউরোপিয়ান পিপলস পার্টি’
সংসদের ৭৫১টির মধ্যে ২১১টি আসন পেতে যাচ্ছে৷

এর পরে থাকবে জার্মানির
রাজনীতিক মার্টিন শুলৎসের নেতৃত্বাধীন সামাজিক গণতন্ত্রী শিবির৷ তারা ১৯৩টি
আসন পেতে পারে৷ আর ইইউ বিরোধী দলগুলো সব মিলিয়ে প্রায় ১৩০টির মতো আসন
পাবে৷



ফ্রান্সে মোট ভোটের প্রায় ২৫ শতাংশ পেয়ে শীর্ষ স্থান দখল করেছে ইইউ বিরোধী ‘ন্যাশনাল ফ্রন্ট’ বা এনএফ৷
দলটি চায় ফ্রান্স ইউরো বাতিল করুক এবং ইইউ থেকে বের হতে গণভোটের আয়োজন
করুক৷ এনএফ পার্টির এমন উত্থানকে ‘রাজনীতির ভূমিকম্প’ বলে আখ্যায়িত করেছেন
সে দেশের প্রধানমন্ত্রী৷ এদিকে, এনএফ পার্টির প্রধান লে পেন বলেছেন,


‘‘জনগণ পরিষ্কারভাবে জানিয়ে
দিয়েছে যে, তাঁরা আর বাইরের শক্তি তথা ইইউ কমিশনার, অনির্বাচিত আমলাদের
দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতে চায় না৷ নিজেদের ভাগ্য তাঁরা নিজেরাই নির্ধারণ করতে
চায়’’

ফ্রান্সের এই ফলাফল তাৎপর্যপূর্ণ এই কারণে যে, ইউরোপীয় পার্লামেন্টের আসন
বণ্টন হয় ২৮টি দেশের জনসংখ্যার প্রেক্ষিতে৷ সে হিসেবে ফ্রান্স থেকে এবার
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭৪ জন সাংসদ ইউরোপীয় সংসদে বসবে৷ আর এনএফ ২৫ শতাংশ ভোট
পাওয়ার মানে হলো ইউরোপীয় সংসদে এবার ফ্রান্সের প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন
প্রতিনিধি থাকবেন যারা চরমভাবে ইইউ বিরোধী৷



ব্রিটেন থেকেও ইইউ বিরোধী দল ইউকেআপি ভালো করার আভাস পাওয়া যাচ্ছে৷ ইইউ
সংসদে ব্রিটেনের আসন সংখ্যা ৭৩টি৷ ঐ সংসদে সবচেয়ে বেশি আসন প্রাপ্য
জার্মানির, ৯৬টি৷ আশার কথা সেখানে ইইউ বিরোধী দল হিসেবে পরিচিত ‘অলটারনেটিভ
ফর ডয়েচলান্ড’ পেয়েছে প্রায় সাত শতাংশ ভোট৷ জার্মানিতে সবচেয়ে বেশি ভোট
পেয়েছে চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের খ্রিষ্টীয় গণতন্ত্রী দল সিডিইউ৷



যদিও তাদের প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা ২০০৯ সালের চেয়ে এবার কমে গেছে৷গ্রিসে সরকারের ব্যয় সংকোচ নীতির বিরোধী হিসেবে পরিচিত চরম বামপন্থি সিরিজা
পার্টি সবচেয়ে বেশি ভোট পেতে চলেছে৷ সংসদে গ্রিসের প্রতিনিধি সংখ্যা এবার
২১৷

ডেনমার্কে ২৩ শতাংশ ভোট পেয়ে জিতেছে অভিবাসন বিরোধী ডেনিশ পিপলস পার্টি৷

বিশ্লেষকরা মনে করছেন অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করতে গিয়ে চরম ব্যয় সংকোচ
নীতি গ্রহণ করায় ইইউ তথা ইউরোর প্রতি মানুষের বিরূপ মনোভাব এসেছে৷



এবারের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ছিল প্রায় চারশো মিলিয়ন৷ এর মধ্যে ভোট
দিয়েছে প্রায় ৪৩.১১ শতাংশ৷ ২০০৯ সালে সংখ্যাটা ছিল ৪৩ শতাংশ৷ সে হিসেবে
কিছুটা হলেও এবার ভোট দেয়ার হার বেড়েছে৷



(এএফপি, রয়টার্স, এপি)







Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

ওবামাকে বিচারকের চাকরি নিতে বললেন পুতিন




ইউক্রেনে সহিংসতা উস্কে দেয়ার মার্কিন অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।


মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে উদ্দেশ করে পুতিন বলেছেন, “বিচার করার তিনি কে? যদি তিনি জনগণের বিচার করতে চান তাহলে তিনি আদালত বা অন্য কোথাও চাকরি নেন না কেন?


সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা অভিযোগ করেছেন, “ইউক্রেনের সহিংসতায় উস্কানি দিচ্ছে রাশিয়া।”


সেন্ট পিটার্সবার্গে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে বক্তৃতার সময় ওই অভিযোগের জবাবে পুতিন এসব কথা বলেছেন। রাশিয়ার বিরুদ্ধে আমেরিকার আরোপ করা নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদ করেন পুতিন এবং ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মস্কোর হস্তক্ষেপের অভিযোগ উড়িয়ে দেন।


রুশ নেতা বলেন, আমেরিকা ও তার মিত্ররা বিশ্ব থেকে মস্কোকে আলাদা করে ফেলতে চাইছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট ভিক্টোর ইয়ানুকোভিচকে ক্ষমতাচ্যুত করার মাধ্যমে ইউক্রেনে অভ্যুত্থান ঘটানো হয়েছে এবং দেশটিকে গৃহযুদ্ধের ভেতরে ফেলা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন পুতিন।



Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

আর্থিক সংকট: ইউরোপে ২১টি সামরিক স্থাপনা বন্ধ করবে আমেরিকা




আর্থিক সংকটের কারণে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে
মোট ২১টি সামরিক স্থাপনা বন্ধ করে দেবে আমেরিকা। মার্কিন সেনা সদরদপ্তর
পেন্টাগন এ কথা ঘোষণা করেছে।






পেন্টাগন বলছে, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ২১টি
স্থাপনা বন্ধ করে দিলে বছরে ছয় কোটি ডলার বেঁচে যাবে। সার বিশ্বে
অর্থনৈতিক মন্দার কারণে আমেরিকা ও ইউরোপের বেশিরভাগ দেশ সাম্প্রতিক বছরগুলো
ব্যয়সংকোচনের নীতি নিয়েছে।





এসব ঘাঁটি বন্ধের বিষয়ে যদিও আমেরিকা আগেই
ঘোষণা দিয়েছিল তারপরও একে অনেকটা অপ্রত্যাশিত বলে মনে করা হচ্ছে কারণ
ইউক্রেন ইস্যুতে যখন ইউরোপীয় মিত্রদের পাশে থেকে আশ্বস্ত করার কথা তখন
আমেরিকা এসব সামরিক স্থাপনা গুটিয়ে নিচ্ছে।





গতকাল এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পেন্টাগনের
প্রেস সেক্রেটারি রিয়ার অ্যাডমিরাল জন কিরবি জানিয়ছেন, এসব স্থাপনার
বেশিরভাগই মার্কিন ও ন্যাটোর বিনোদন এবং আবাসিক স্থাপনা হিসেবে ব্যবহৃত
হতো। তবে, কয়েকটি গোলাবারুদের স্থাপনাও বন্ধ করা হচ্ছে।




জন কিরবি খোলাখুলিভাবেই বলেছেন, জনগণের
ট্যাক্সের অর্থে ইউরোপের এসব সামরিক স্থাপনা চালু রাখার তেমন প্রয়োজনীয়তা
নেই। তিনি জানান, এটা হচ্ছে সামরিক স্থাপনা বন্ধের প্রথম ধাপ। এভাবে
জার্মানি, ইতালি, ডেনমার্ক, গ্রিস, ব্রিটেন এবং বেলজিয়ামসহ বিভিন্ন দেশের
সামরিক স্থাপনা বন্ধ করা হবে।


২৪ মে (রেডিও তেহরান)


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

বাস্তুহারা মানুষ বাড়ছে; মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে ইউক্রেন








ইউক্রেন মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। দেশটির পূর্বাঞ্চলে বাস্তুহারা
মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার ফলে এ পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে
ইরানের ইংরেজি নিউজ চ্যানেল প্রেসটিভি। 

খবরে বলা হয়েছে, সহিংসতা থেকে রক্ষা
পাওয়ার জন্য যারা ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চল থেকে পালিয়ে এসেছে তারা কিয়েভে
দেশটির সাবেক কর্মকর্তাদের জব্দ করা সম্পত্তিতে বসবাস করছে। কিন্তু
অনতিবিলম্বে তাদের আশ্রয় সমস্যার স্থায়ী সমাধান হওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

কিয়েভে
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আবাসন সমস্যা প্রকট হয়ে উঠেছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে
শরণার্থীদের আশ্রয় সংকট। এ ছাড়া, রাজধানীতে এত ব্যাপক হারে শরণার্থী এসে
আশ্রয় নিলেও তাদের সংকট সমাধানে আইনগত কোনো দিক-নির্দেশনা নেই। এতেও
কিয়েভের অন্তর্বর্তী সরকার বাড়তি ঝামেলায় পড়েছে।

এদিকে পূর্বাঞ্চল
থেকে এ পর্যন্ত ১০ হাজারের বেশি মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে এসেছে বলে উল্লেখ
করে জাতিসংঘ হুঁশিয়ার করে দিয়েছে, এরকম আরো বহু মানুষ কিয়েভে এসে আশ্রয়
নেবে। ফলে শরণার্থী সংকট মারাত্মক আকার নেবে। এদিকে, দোনেতস্ক অঞ্চলে
রুশপন্থি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে এবং সেখানেও মানবিক
পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করছে।


২৪ মে (রেডিও তেহরান)




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.